Thursday, May 31, 2012

রকমারি রান্নার সরঞ্জাম


রান্না সহজ ও স্বল্প সময়ে করার জন্য বাজারে নানা রকম সরঞ্জাম পাওয়া যায়। ভাত রান্নার জন্য রাইস কুকার, মাংস রান্নার জন্য প্রেশার কুকার। খাবার গরম ও রান্না করতে ওভেন। চা, কফি ও পানি গরম করার জন্য রয়েছে ওয়াটার হিটার এবং খাবার গরম রাখতে হটপট। এ ছাড়া আছে ননস্টিক ফ্রাইপ্যান।

কেমন চাই
বাজারে পাবেন ননস্টিক ফ্রাইপ্যান, তাওয়া, কড়াই, সসপ্যান ঢাকনাসহ ও ছাড়া; প্রেশার কুকার, রাইস কুকার, কারি কুকার, ওভেন ও মাইক্রোওভেন। আছে সিরামিকের প্লেট, গ্লাস, ডিনার সেট, বিভিন্ন সাইজের বোল, বিভিন্ন ধরনের স্টেইনলেস স্টিলের চামচ সেট, স্টিলের ছোট-বড় দুই ধরনের ছুরি, বিভিন্ন ডিজাইনের চামচ সেট। আরো আছে নারিকেল মালাই দিয়ে কাঠের হাতলের চামচ, বাঁশের ফ্রুট ট্রে ও ঢাকনাসহ মাটির লবণদানি ইত্যাদি।

ধরন বুঝে দাম
বড় অ্যালুমিনিয়ামের পাতিলের সাইজ ২২ থেকে ৩৬ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। অ্যালুমিনিয়ামের পাতিল পাওয়া যাবে কেজি দরে, যা শুরু হয় ৪৫০ টাকা থেকে। ননস্টিক ২২ সেন্টিমিটার ১৫০০, ২৪ সেন্টিমিটার ১৫৫০ এবং ২৬ সেন্টিমিটার ১৬০০ টাকায়। এ ছাড়া ২৮ সেন্টিমিটার ১৬৫০, ৩০ সেন্টিমিটার ১৭০০, ৩২ সেন্টিমিটার ১৭৫০, ৩৪ সেন্টিমিটার ১৮০০ এবং ৩৬ সেন্টিমিটার ১৮৫০ টাকায়। স্টিলের সসপ্যান পাওয়া যাবে ১ থেকে ১০ নম্বর অনুযায়ী। সসপ্যান ঢাকনাসহ দাম পড়বে ৬০০ থেকে ৩৫০০ টাকার মধ্যে। আর একসঙ্গে সেট নিলে পাওয়া যাবে ৪০০০ টাকার মধ্যে। স্টিল কুকার পাওয়া যাবে ৩০০০ থেকে ৪০০০ টাকার মধ্যে। লোহার কড়াই ছোট, বড় ও মাঝারি তিন সাইজের দাম পড়বে কেজি দরে। প্রেশার কুকার পাওয়া যাবে দুই লিটার থেকে সাড়ে আট লিটার পর্যন্ত। প্রেশার কুকারের দাম ব্র্যান্ড ও লিটার অনুযায়ী ৮৭০ থেকে শুরু করে ৯৪৯০ টাকা পর্যন্ত। তাওয়া পাওয়া যাবে নরমাল ও হাই কোয়ালিটির। নরমালের মধ্যে রয়েছে কিয়াম, ম্যাজিক ও ব্রাইন_দাম ৫০০ থেকে ৯০০ টাকার মধ্যে। আর হাই কোয়ালিটির ফিচুড়া পাওয়া যাবে ১৯০০ থেকে ৪০০০ টাকায়। কারি কুকার পাওয়া যাবে ১৭০০ থেকে ৩৫০০ টাকার মধ্যে। ইলেকট্রিক ওভেন পাওয়া যাবে ৩০০০ থেকে ১৫০০০ টাকায়। মাইক্রোওভেন ৫০০০ থেকে ২৮০০০ টাকার মধ্যে। এসব ছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন ধরনের সিরামিক সামগ্রী, যার মধ্যে বিভিন্ন সাইজের বোল পাওয়া যাবে ১৫০ থেকে ৪০০ টাকায়। প্লেট সেট ৫০০ থেকে ২০০০ টাকা, গ্লাস সেট ৩০০ থেকে ১৫০০, ডিনার সেট ২৫০০ থেকে ২৫০০০, কাটলারি সেট ৮০০ থেকে ১৫০০, নারিকেলের মালাই দিয়ে হাতলের চামচ ৮০ টাকা, বাঁশের ফ্রুট ট্রে ৭০ থেকে ১০০ টাকা এবং মাটির লবণদানি ১১০ টাকা। এ ছাড়া ওয়াটার হিটার সুপারভিশন ব্র্যান্ডের ৫০০ ওয়াটের দাম ২৫০ টাকা, ১০০০ ওয়াট ৮৫০ এবং ১৫০০ ওয়াটের দাম ১২০০ টাকা। স্টিলের হিটারের দাম ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকা। মিল্টন ও কিয়ামের ছোট হটপটের দাম ৩৫০ টাকা, মাঝারি ১৩০০ এবং বড় ২৫০০ টাকা। নোকার হটপটের দাম ১৬০০ থেকে ২০০০ টাকা। স্বপ্নমলে পাবেন আধা কেজি থেকে ১৪ কেজি পর্যন্ত খাবার ধারণ করার হটপট। ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত খাবার গরম থাকবে। দাম ২৫০ থেকে ২৫০০ টাকা।

পাবেন যেখানে
নিউ মার্কেট, বসুন্ধরা সিটি, কারওয়ান বাজার, বিগ বাজার, আড়ং, মীনা বাজার, স্বপ্ন ও আগোরাতে সিরামিকের পণ্য পাবেন মন্নু সিরামিক, পিপলস সিরামিক ও শাইনপুকুরের। সিরামিকের বিভিন্ন শোরুম এবং ক্রোকারিজ আইটেমের সবচেয়ে বড় সংগ্রহ পাবেন রাজধানীর চকবাজারে। এ ছাড়া যেকোনো শপিং মলে পাবেন।

Tuesday, May 29, 2012

অনেক গুণের বেগুন


পিৎজা

উপকরণ
বেগুন ১টি, মুরগির কিমা আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, মরিচ কুচি ৪টি, তেল পরিমাণমতো, ময়দা ১ কাপ, ইস্ট ১ চা চামচ, গুঁড়া দুধ ১ টেবিল চামচ, ডিম অর্ধেক, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ, লবণ স্বাদমতো, চিনি আধা চা চামচ, আদা বাটা আধা চা চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, সয়া সস ১ টেবিল চামচ, মজোরোলা চিজ প্রয়োজনমতো, অরিগেনও পাতা আধা চা চামচ, টমেটো সস আধা কাপ।
ময়দা, ইস্ট, দুধ, ডিম, লবণ, চিনি একসঙ্গে ডো বানিয়ে আধা ঘণ্টা ঢেকে রাখতে হবে।

যেভাবে তৈরি করবেন
১. বেগুন ছোট টুকরা করে কেটে লবণ মাখিয়ে তেলে ভেজে নিন।
২. কড়াইয়ে তেল গরম হলে পেঁয়াজ-মরিচ কুচি দিয়ে নেড়েচেড়ে আদা, রসুন বাটা দিয়ে মাংস দিয়ে দিন।
৩. সয়া সস, লবণ, গোলমরিচ দিয়ে ভালো করে কষিয়ে টমেটো সস দিয়ে নামিয়ে ফেলুন।
৪. পিৎজা সেটিং : পিৎজার ডাইসে তেল ব্রাশ করে ডো দিয়ে রুটি বেলে ডাইসে সেট করুন।
৫. রুটির ওপর ডিম ব্রাশ করে টমেটো সস দিয়ে ভাজা বেগুন দিয়ে তার ওপর টমেটো সস এবং কিছু চিজ দিয়ে তার ওপর রান্না করা মাংস দিন। আবার টমেটো সস, চিজ দিয়ে অরিগেনও পাতা ছিটিয়ে দিন।
৬. ওভেনে ১৮০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট বেক করুন।

স্মোক ব্রিনজাল

উপকরণ
বেগুন ২টি, ছোট চিংড়ি ২৫০ গ্রাম, চিংড়ির কিমা এক কাপের ৪ ভাগের ১ ভাগ, পেঁয়াজ বাটা ২ টেবিল চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, নারিকেল বাটা ১ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, চিনি আধা চা চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ, এলাচ ১টি, দারুচিনি ২-৩ টুকরা, তেজপাতা ১টি, তেল পরিমাণমতো, ধনেপাতা কুচি পরিমাণমতো।
যেভাবে তৈরি করবেন
১. বেগুন লম্বা করে চার ফালি করতে হবে, বোঁটার দিকে লেগে থাকবে। লবণ মাখিয়ে রাখুন ১০-১৫ মিনিট।
২. এরপর চিংড়ি, নারিকেল, লবণ, মরিচ গুঁড়া একসঙ্গে মাখিয়ে বেগুনের ভেতর পুর দিয়ে সুতা দিয়ে ভালো করে বেঁধে তেলে ভাজুন।
৩. এবার কড়াইয়ে তেল দিয়ে তেজপাতা, এলাচ, দারুচিনি দিয়ে একে একে সব বাটা মসলা দিয়ে কষিয়ে লবণ, মরিচ, হলুদ দিয়ে চিংড়ির কিমা দিয়ে ভালো করে কষিয়ে আধা কাপ পানি দিন।
৪. ফুটে উঠলে ভাজা বেগুন দিয়ে রস শুকিয়ে তেলের ওপর উঠে এলে ধনেপাতা দিয়ে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

আম-বেগুনের মিতালি

উপকরণ
বেগুন ১টি, আম ১টি, লবণ স্বাদমতো, চিনি ১ টেবিল চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, বিট লবণ আধা চা চামচ, সরিষার তেল এক কাপের ৪ ভাগের ১ ভাগ, পাঁচফোড়ন আধা চা চামচ, পাঁচফোড়ন ভাজা গুঁড়া আধা চা চামচ, জিরা ভাজা গুঁড়া আধা চা চামচ, শুকনা মরিচ ২-৩টি।

যেভাবে তৈরি করবেন
১. বেগুন পুড়ে খোসা ছাড়িয়ে নিন। আম সিদ্ধ করে চটকে রাখুন।
২. কড়াইতে তেল, মরিচ দিয়ে আম-বেগুন দিয়ে নেড়েচেড়ে লবণ, মরিচ গুঁড়া, বিট লবণ, চিনি দিয়ে দিন।
৩. ভালো করে নাড়তে হবে, যখন তেলের ওপর উঠে আসবে, গুঁড়া মসলা দিয়ে নামিয়ে ফেলুন।

স্প্রিং রোল

উপকরণ
বেগুন ১টি, ডিম ১টি, মুরগির কিমা আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, মরিচ কুচি ৩-৪টি, আদা বাটা আধা চা চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, সয়া সস ১ টেবিল চামচ, ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল চামচ, টমেটো সস ২ টেবিল চামচ, গরম মসলা গুঁড়া ১ চা চামচ, ব্রেড ক্রাম ১ কাপ, লবণ স্বাদমতো, গোলমরিচের গুঁড়া আধা চা চামচ, ময়দা ১ টেবিল চামচ, তেল পরিমাণমতো, টেস্টিং সল্ট আধা চা চামচ, চিনি আধা চা চামচ।

যেভাবে তৈরি করবেন
১. বেগুন লম্বা ও পাতলা করে কেটে লবণ মাখিয়ে তাওয়ায় সেঁকে নিন। কড়াইতে তেল গরম হলে পেঁয়াজ-মরিচ কুচি দিয়ে নেড়েচেড়ে আদা বাটা, রসুন বাটা দিয়ে ভালো করে নাড়তে থকুন।
৩. এবার মুরগির কিমা দিয়ে সয়া সস, লবণ দিয়ে নাড়ুন। পানি শুকিয়ে এলে গোলমরিচ গুঁড়া, টেস্টিং সল্ট, টমেটো সস, ময়দা, ধনেপাতা দিয়ে ভালো করে নেড়ে নামিয়ে ফেলুন।
৪. বেগুনের ভেতর পুর দিয়ে রোলের মতো পেঁচিয়ে ময়দা পানিতে গুলে মুখটা বন্ধ করে দিন।
৫. এবার ডিমে চুবিয়ে ক্রামে গড়িয়ে ফ্রিজের সাধারণ তাপমাত্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে অল্প তেলে ভেজে সসের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

Monday, May 28, 2012

রসুনের গুণ


রান্নার পাশাপাশি রসুন স্বাস্থ্য ভালো রাখার দাওয়াই হিসেবেও কাজ করে। এর নানা রকম ভেষজ গুণ রয়েছে। রসুনে আছে ১৭টি অ্যামাইনো এসিড ময়েশ্চার, প্রোটিন, আমিষ, ফ্যাট, মিনারেল ফাইবার ও কার্বোহাইড্রেট। ভিটামিন ও মিনারেলের মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, থিয়ামিন, রিবোফ্লোভিন, নিয়াসিন, আয়োডিন, সালফার ও ফ্লোরিন, আছে অল্প পরিমাণে ভিটামিন সি। এ ছাড়া আয়োডিন, সালফার ও ক্লোরিনও রয়েছে অল্প পরিমাণে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, একটি মাঝারি সাইজের রসুনে এক লাখ ইউনিট পেনিসিলিনের সমান অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যক্ষমতা রয়েছে। শুধু তা-ই নয়, ব্যাকটেরিয়া ও প্রটোজোয়ার মাধ্যমে সৃষ্ট অ্যামিবিক ডিসেন্ট্রি নির্মূলের ক্ষেত্রে রসুন বেশ কার্যকর।

ভেষজ গুণ
শরীরে কোলেস্টেরল লেভেল কমায়। রক্ত সঞ্চালন সঠিক রেখে শরীরে টঙ্নি কমায়। ক্যান্সার প্রতিরোধক, ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করতেও রসুন উপকারী। রসুন ফুসফুস, ব্রঙ্কিয়াল টিউব, সাইনাসের গহ্বরে মিউকাস জমতে দেয় না। রসুন শরীরে প্রবিষ্ট তেজস্ক্রিয় পদার্থ নিষ্ক্রিয় বা নিষ্কাশন করতে সাহায্য করে। টিউবারকিউলোসিস, নিউমোনিয়া, হুপিংকাশির মতো অসুখে রসুন উপকারী। এটি ঠাণ্ডা, সর্দি, কফ সারাতেও সাহায্য করে। রসুন ঘা, আলসার সহজে সারায়। হজমে গোলমাল, যেমন_আমাশয় ও কৃমির সমস্যায়ও এটি উপকারী। অ্যাজমা, কানে কম শোনা, ব্রঙ্কাইট কনজেশন প্রভৃতি থেকে সুরক্ষা করে। রসুন ক্ষুধামান্দ্য দূর করে। এ ছাড়া প্রস্রাবের বেগ বাড়ায়, হাইপারটেনশন ও চুল পাকানো কমায়।

ব্যবহার
মসলা হিসেবে রসুন ব্যবহৃত হয়। তা ছাড়া বিভিন্ন আচার ও মুখরোচক খাবার তৈরিতে রসুনের ব্যবহার রয়েছে।

অপকারিতা
রসুন বেশি খেলে অনেক সময় মাইগ্রেনের সমস্যা দেখা দেয়। রসুন থেকে অ্যালার্জিও হতে পারে।

Sunday, May 27, 2012

লেবুর আচার


উপকরণঃ লেবু ২০টি ধুয়ে নরম কাপড়ে মুছে নিতে হবে। লবণ ২ টেবিল চামচ, পাঁচফোড়ন গুঁড়া ৩ টেবিল চামচ (টেলে গুঁড়া করা), মরিচ গুঁড়া ৩ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, সরিষার তেল ২ কাপ।

প্রণালীঃ লেবু লম্বায় ৮ টুকরা করে কেটে বড় বোলে নিয়ে ওপরে লবণ ছড়িয়ে রাখতে হবে। এবার পাঁচফোড়ন, মরিচ ও হলুদ দিয়ে লেবু মাখিয়ে (তেলসহ) পাতলা কাপড় দিয়ে ঢেকে ১০/১২ দিন রোদ লাগাতে হবে। লেবু নরম হলে বোতলে ভরে রাখতে হবে।

(সংগ্রহ)

মাশরুম স্টিক


উপকরণ: বড় মাশরুম (মোটা করে কাটা), মার্জারিন, গোলমরিচ, ময়দা, ক্যাপসিকাম।

প্রণালি: মাশরুমগুলো পানিতে দুয়েক মিনিট সেদ্ধ করে নিতে হবে। সেদ্ধ করার পর অল্প মার্জারিন দিয়ে অল্প তাপে ভাজতে হবে। ভাজা হলে উঠিয়ে রাখতে হবে। এরপর একই ফ্রাইপ্যানে মার্জারিন ও ময়দা দিয়ে কিছুক্ষণ ভেজে দুধ মিশিয়ে হোয়াইট সস বানাতে হবে। এরপর একটা সার্ভিং ডিসে বড় বড় কাঠিতে দুটি মাশরুম টুকরো, একটি ক্যাপসিকাম টুকরো—এভাবে গেঁথে স্টিক বানাতে হবে। সার্ভিস ডিশে স্টিকগুলো সাজিয়ে ওপরে হোয়াইট সস ঢেলে দিতে হবে।

Saturday, May 26, 2012

ডিমের পুষ্টিগুণ

আখতারুন নাহার আলো
বিভাগীয় প্রধান, পুষ্টি বিভাগ
বারডেম হাসপাতাল

ডিম প্রোটিনসমৃদ্ধ, সহজপাচ্য আদর্শ খাদ্য। আমাদের দেশে দুই ধরনের ডিম পাওয়া যায়_ ফার্মের ডিম ও দেশি ডিম। অনেকের ধারণা, ফার্মের ডিম ও হাঁসের ডিমে কোনো পুষ্টিগুণ থাকে না। আসলে তা নয়। পুষ্টিগুণের কথা বিবেচনা করলে দেখা যায়, ফার্মের ডিম ও হাঁসের ডিম যেহেতু আকারে বড়, তাই এতে পুষ্টিগুণও বেশি থাকে। একটি ফার্মের ডিমে ক্যালরি আছে ৮০ এবং দেশি মুরগির ডিমে ক্যালরি আছে মাত্র ৫০।

বাজারে যেসব ফার্মের ডিম পাওয়া যায় তাতে ৮ গ্রাম প্রোটিন ও ৬ গ্রাম চর্বি রয়েছে। ডিমের কুসুমে রয়েছে ২৫০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল, যা সম্পৃক্ত চর্বি। তবে ডিমের কুসুম সহজে হজম হয়। সিদ্ধ, পোচ, অমলেট_যেভাবেই ডিম খাওয়া হোক না কেন, এর পুষ্টিগুণে তারতম্য হয় না।

কারা খাবেন
হৃদরোগীদের ক্ষেত্রে ডিমের কুসুম বাদ দেওয়াই ভালো। রুগ্ণ ও ভগ্নস্বাস্থ্য ভালো করার জন্য এবং গর্ভবতী মায়েদের ক্ষেত্রে ডিম আদর্শ খাবার। রিউমেটিক রোগীদের দেহে ডিম ভালো কাজ করে। জন্ডিস, পেটের পীড়ায় ডিম কোনো খারাপ প্রতিক্রিয়া ঘটায় না। শিশুদের দৈহিক বৃদ্ধি, ক্ষয়পূরণ ও কর্মক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ডিম প্রয়োজন।

Friday, May 25, 2012

গ্রিন গ্রেভি


উপকরণ: ধনেপাতা কুচি ১ কাপ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ ৩টি, সরিষা বাটা আধা চা চামচ, চিনি একটু, লবণ স্বাদমতো, রসুন কুচি ১ চা চামচ।

যেভাবে তৈরি করবেন
১. ধনেপাতা, লেবুর রস, কাঁচামরিচ, সরিষা, রসুন কুচি, চিনি ও লবণ সব একসঙ্গে মিহি করে বেটে নিন।
২. পরিবেশন করুন ভাত ও ভর্তার সঙ্গে।