Saturday, June 30, 2012

দাগ মেটানোর নানা উপায়


► ছুরি বা কাঁচি থেকে মরচে দাগ তোলার জন্য ভিনেগারে বেশ কিছুক্ষণ ভিজিয়ে এরপর আধা ঘণ্টা ফুটিয়ে নিন।

► কম্পিউটারের কি-বোর্ড বা মাউসে ময়লা জমলে তুলার প্যাডে কয়েক ফোঁটা নেইল রিমুভার দিয়ে ময়লার ওপর বুলিয়ে নিন। সব ময়লা উঠে যাবে।

► অনেক সময় বাসনের স্টিকার সহজে তোলা যায় না। তুলতে গেলেও আঠালো ভাব লেগে থাকে। তাই হাত দিয়ে না তুলে একপাশে মোমবাতি ধরুন। এরপর মোমবাতি সরিয়ে এককোণ থেকে স্টিকার তুলে ফেলুন।

► রান্না করার পর প্রেশার কুকারে অনেক সময় হলদে দাগ পড়ে। এই দাগ তুলতে কুকারে লেবুর রস ও লেবু একসঙ্গে কিছুক্ষণ ফুটিয়ে নিন। দাগ থাকবে না। ভিনেগার দিয়ে ফোটালেও দাগ থাকবে না।

► বালতি বা অন্য কোনো প্লাস্টিকের জিনিসে মরচের দাগ পড়লে তারপিন তেলের সঙ্গে লবণ মিশিয়ে ঘষুন। দাগ নিমেষে উঠে যাবে।

► কাপড়ের কালো দাগ তোলার জন্য দাগের ওপর কেরোসিন ঘষুন। এরপর এক টুকরা লেবু ঘষে দিন। সাবান দিয়ে কাপড় কেচে রোদে মেলে দিন।

► পিতলের জিনিসের কালচে দাগ তুলতে ময়দা, লবণ ও ভিনেগারের পেস্ট বানিয়ে পিতলের জিনিসের ওপর মাখিয়ে দিন। ১০ মিনিট পর নরম কাপড় দিয়ে ঘষে তুলে ফেলুন। চকচকে হয়ে যাবে।

► রুপার গয়না কালো হয়ে গেলে একটি পাত্রে গয়না রেখে পানি দিয়ে কয়েক টুকরো আলু দিন। ১০ মিনিট ফোটান। নামিয়ে ঠাণ্ডা হলে পানি থেকে তুলে নরম কাপড় দিয়ে ঘষে নিন।

Friday, June 29, 2012

নারিকেল

নারিকেল শুধু রান্নার স্বাদ বাড়ায় না, শরীরের জন্যও উপকারী। বাদাম, আখরোট ও মিছরির সঙ্গে নারিকেল মিশিয়ে খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে। নাক দিয়ে রক্ত পড়লে ডাবের পানি রোজ খেলে রক্ত পড়া বন্ধ হয়। এ ছাড়া খালি পেটে নারিকেল খেলেও নাক দিয়ে রক্ত পড়া বন্ধ হয়। নারিকেলের পানি শসার রসের সঙ্গে মিশিয়ে নিয়মিত মুখের ত্বকে লাগালে ত্বক পরিষ্কার হয়। রাতে খাওয়ার পর প্রতিদিন আধগ্লাস নারিকেলের পানি পান করলে ঘুম ভালো হয়। নারিকেলের মধ্যে বাদাম পেষা মিশিয়ে মাথায় লাগানো ভালো। এতে মাথার যন্ত্রণা কমে। নারিকেল তেলের মধ্যে লেবুর রস মিশিয়ে চুলে লাগালে খুশকি দূর হয়। গর্ভাবস্থায় প্রতিদিন ৫০ গ্রাম নারিকেল খাওয়া ভালো। এতে বাচ্চার গায়ের রং ফরসা হয়। পেটের কৃমি দূর করতে প্রতিদিন সকালে নাশতার পর এক টুকরো নারিকেল খান। পেটের কৃমি দূর হবে।

Thursday, June 28, 2012

আম আর পেঁপে



উপকরণ: কাঁচা আমের ঝুরি দেড় কাপ, পাকা পেঁপে ঝুরি দেড় কাপ, সাইডার ভিনিগার দেড় কাপ, চিনি দেড় কাপ, লেবুর রস আধা কাপ, আদা কুচি দুই চা-চামচ, রসুন কুচি দুই চা-চামচ, লাল শুকনা মরিচ কুচি এক টেবিল-চামচ, কিশমিশ আধা কাপ, দারুচিনি দুই টুকরা, লবঙ্গ ছয়টি, কাবাবচিনি আটটি, লবণ প্রয়োজনমতো।

প্রণালি: আমের ঝুরি এক রাত পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরের দিন পানি থেকে তুলে ভালো করে চিপে পানি ফেলতে হবে। শুকনা কাপড় দিয়ে পানি মুছতে হবে। বড় সসপ্যানে আম ও পেঁপে নিতে হবে। দারুচিনি, লবঙ্গ, কাবাব চিনি একটি পাতলা কাপড়ে পুঁটলি বেঁধে সসপ্যানে রাখতে হবে। এবার রেসিপির বাকি সব উপকরণ দিয়ে চুলায় বসিয়ে কম আঁচে নাড়তে হবে। চিনি গলে গেলে আঁচ মৃদু রেখে প্রায় এক ঘণ্টা রান্না করতে হবে। ঢাকনা দেওয়া যাবে না। আচার মসৃণ হয়ে এলে চুলা থেকে নামাতে হবে। মসলার পুঁটলি ফেলে দিয়ে গরম আচার জীবাণুমুক্ত বোতলে ভরতে হবে।

Wednesday, June 27, 2012

সবুজ আম



উপকরণ: কাঁচা আম ৬০০ গ্রাম, চিনি দেড় কাপ, সিরকা আধা কাপ, লেবুর রস আধা কাপ, কাঁচামরিচ চারটা, ফুড কালার (সবুজ) কয়েক ফোঁটা, ম্যাংগো এসেন্স কয়েক ফোঁটা, কর্ন ফ্লাওয়ার এক টেবিল-চামচ ও সিটা দুই টেবিল-চামচ, লবণ পরিমাণমতো।

প্রণালি: কাঁচা আমের খোসা ফেলে চার টুকরা করে কাঁটা-চামচ দিয়ে কেঁচে লবণপানিতে পাঁচ-ছয় ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। এবার আম ধুয়ে পানি ঝরাতে হবে। ফুটন্ত পানিতে আম সিদ্ধ করে পানি ঝরাতে হবে। অন্য প্যানে সিরকা, চিনি, কাঁচামরিচ দিয়ে রান্না করতে হবে। এরপর ফুড কালার, আম ঢেলে দিতে হবে। কিছুক্ষণ চুলায় রেখে নেড়ে রান্না করতে হবে। আম গলে এলে কর্ন ফ্লাওয়ার গুলিয়ে দিতে হবে। তারপর এসেন্স দিয়ে নামাতে হবে। ঠান্ডা হলে কাচের বোতলে ভরে ফ্রিজে রাখতে হবে।

Tuesday, June 26, 2012

বিকেলের নাশতায়



নারিকেলের কোপ্তা খিচুড়ি

কোপ্তার উপকরণ
বড় নারিকেল ১টি, বেসন ৪ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, ধনেপাতা একমুঠো, পেঁয়াজ ১টি, পুদিনাপাতা সামান্য, আদা একটুকরো, গরম মসলা গুঁড়ো আধা চা চামচ, মরিচ গুঁড়ো ১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়ো আধা চা চামচ, তেল আধা কাপ, কাজুবাদাম একমুঠো (ম্যুরের জন্য)।

খিচুড়ির উপকরণ
পোলাওয়ের চাল ২ কাপ, মুগের ডাল দেড় কাপ, নারিকেলের দুধ ১ লিটার, দারুচিনি ২ টুকরো, এলাচ ৩টি, কারি মসলা ২ চা চামচ, তেজপাতা ২টি, লবঙ্গ ৪টি, কাঁচামরিচ ৭টি, লবণ স্বাদমতো, ঘি আধা কাপ, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ।

যেভাবে তৈরি করবেন
১. পুদিনাপাতা ও ধনেপাতা পরিষ্কার করে ধুয়ে কুচিয়ে রাখুন। তারপর নারিকেল কোরা, কোচানো পেঁয়াজ, আদা, পুদিনাপাতা, ধনেপাতা একসঙ্গে বেটে নিন।
২. নারিকেল বাটার সঙ্গে বাকি মসলা ভালো করে মিশিয়ে গোল গোল কোপ্তা তৈরি করুন। প্রতিটি কোপ্তার ভেতরে বাদামের পুর দিয়ে ভালো করে মুখ বন্ধ করে কোপ্তা গোল করে বানিয়ে তেলে হালকা বাদামি করে ভাজুন।
৩. সসপ্যানে ঘি গরম করে আদা-রসুন বাটা দিয়ে নাড়ুন। এরপর চাল, তেজপাতা, গরম মসলা দিয়ে ৫ মিনিট রাখুন।
৪. এবার চালের সঙ্গে নারিকেল দুধ, মরিচ ও লবণ একসঙ্গে প্রেশার কুকারে দিন। প্রায় সিদ্ধ হলে কুকার খুলে নারিকেল দুধে সিদ্ধ ভাতের মধ্যে ভাজা কোপ্তাগুলো দিয়ে দিন।
৫. আবার প্রেশার কুকারের মুখ বন্ধ করে আরো ৫ মিনিট দমে রাখুন। তারপর নামিয়ে পরিবেশন করুন।

পাস্তার স্যুপ

উপকরণ
পাস্তা ১০০ গ্রাম, চিকেন স্টক ২ কাপ, মাশরুম কুচি ৪টি, টমেটো পেস্ট ১ টেবিল চামচ, ডিমের সাদা অংশ ১টি, তেল ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, চিনি সামান্য, গোলমরিচ গুঁড়া একচিমটি।
যেভাবে তৈরি করবেন
১. বড় পাত্রে চিকেন স্টক দিয়ে পাস্তা সিদ্ধ করুন।
২. তেল গরম হলে মাশরুম ও টমেটো পেস্ট দিয়ে নেড়ে নিন।
৩. দুই মিনিট পর লবণ দিন। এর মধ্যে পাস্তা সিদ্ধ দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়ুন।
৪. পরিমাণমতো গরম পানি দিয়ে ১০ মিনিট আঁচে রান্না করুন। ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে গোলমরিচ মিশিয়ে ঢেলে দিন এবং ঘন ঘন নাড়ুন।
৫. ঘন হলে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন পাকোড়ার সঙ্গে।

ডিমের শাহি কাবাব

উপকরণ
ডিম ৪টি, কাঁচামরিচ কুচি ১ চা চামচ, কাজুবাদাম কুচি ১ টেবিল চামচ, ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল চামচ, ছোলার ডাল বাটা আধা কাপ, আলু সিদ্ধ ২টি, গরম মসলা আধা চা চামচ, মরিচ গুঁড়ো আধা চা চামচ, পানি ঝরানো টকদই আধা কাপ, লবণ স্বাদমতো, ময়দা আধা কাপ, তেল আধা কাপ।

যেভাবে তৈরি করবেন
১. ডাল বেটে নিন। সিদ্ধ ডিম ছোট টুকরো করে কাঁচামরিচ, কাজুবাদাম, ধনেপাতা মিশিয়ে নিন।
২. তেল ছাড়া সব উপকরণ একসঙ্গে মাখিয়ে নিন।
৩. পছন্দমতো আকারে গড়ে ডিমের পুর ভরে তেলে বাদামি করে ভেজে সসের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

পুর ভরা দোসা

উপকরণ
পোলাউয়ের চাল ১ কাপ, কলাইর ডাল আধা কাপ, আলু সিদ্ধ ৩টি, পেঁয়াজ কুচি ২টি, ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, সরিষা ১ চা চামচ, সয়াবিন তেল ১ টেবিল চামচ।
যেভাবে তৈরি করবেন
১. চাল ও ডাল রাতে আলাদা করে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে বেটে নিন।
২. একটু পানি ও লবণ দিয়ে গোলা তৈরি করে ঢাকা দিয়ে রাখুন।
৩. তেল গরম হলে সরিষা, পেঁয়াজ কুচি দিয়ে নেড়ে ধনেপাতা, আলুর ছোট টুকরো দিয়ে নেড়ে নামিয়ে নিন।
৪. এরপর ননস্টিক প্যানে চাল ও ডালের মিশ্রণ একহাতা দিন। হাতার পেছন দিয়ে গোলা ছড়িয়ে দিন। এর ওপর পুর ছড়িয়ে মুড়ে দিন।
৫. ধনেপাতার চাটনি দিয়ে পরিবেশন করুন।

চিকেন পাকোড়া

পাকোড়ার উপকরণ
চিকেন ব্রেস্ট কুচি ৪ টুকরো, চিজ ২ টেবিল চামচ, পুদিনাপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ, মাখন ১৫০ গ্রাম, ময়দার গোলা ১ বাটি।

সসের উপকরণ
পেঁয়াজ কুচি ২টি, মাখন ৫০ গ্রাম, লেবুর রস ২ টেবিল চামচ, টমেটো ক্যাচাপ ২ টেবিল চামচ, গুড় একচিমটি, লবণ স্বাদমতো, মরিচ স্বাদমতো।

যেভাবে তৈরি করবেন
১. প্যানে মাখন গরম হলে চিকেন দিয়ে নাড়াচাড়া করে নিন।
২. বড় পাত্রের মধ্যে ময়দা গোলা বা ব্রেড ক্রাম, চিজ, ধনেপাতা, লবণ ও গোলমরিচ চিকেনে মেশান।
৩. এরপর বাদামি করে ভাজুন।
৪. কম আঁচে মাখন গরম করে তাতে পেঁয়াজ হালকা বাদামি করে ভেজে লেবুর রস, টমেটো ক্যাচাপ, লবণ, মরিচ দিয়ে নাড়তে থাকুন।
৫. পাঁচ মিনিট ফুটিয়ে চিকেন পাকোড়ার সঙ্গে পরিবেশন করুন।

আম পেঁয়াজের মঞ্জুরি



আজ রইলো অতি চমৎকার একটা আচারের রেসিপি। বানাতে ভীষণ সহজ, কিন্তু খেতে সেই রকম মজা। মূলত ভাত বা খিচুড়ির সাথে মানানসই।

এসে গেছে আমের দিন। আর সেই সাথে রাঁধুনিদের হেঁসেল ভরে উঠতে শুরু করেছে নানান রকম আচারে। আর হবে নাই বা কেন, বছর ঘুরে আবার যে পাক্কা এক বছর পর মিলবে এই কাঁচা আম। আর তাই তো সারা বছরের আচার মজুদ হতে শুরু করেছে এখন বাঙালির ঘরে ঘরে। সেই ধারাবাহিকতায় আজ রইলো অতি চমৎকার একটা আচারের রেসিপি। বানাতে ভীষণ সহজ, কিন্তু খেতে সেই রকম মজা। মূলত ভাত বা খিচুড়ির সাথে মানানসই এই আচারের রেসিপি দিয়েছেন সাইমা জাহান।

উপকরণ -
১. দেশী পেয়াজ কুচি ৪ কেজি ২. কাঁচা আম ১/২ কেজি ৩. কালোজিরা ১ চা-চামচ ৪. শুকনা মরিচ ৮টা ৫. তেঁতুল ১ টেবিল চামচ ৬. চিনি ৪ টেবিল চামচ ৭. রসুন কোয়া ১০ টা ৮. লবন স্বাধমতো ৯. সরিষার তেল ১০. কাঁচের জার প্রণালী - পেয়াজ আর আমের চামড়া পরিষ্কার করে নিয়ে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে। এরপর পেয়াজ আর আম মিহি কুচি করে কাটতে হবে। এরপর একটা ডালায় আম আর পেয়াজের কুচি নিয়ে তাতে কালোজিরা, শুকনা মরিচ, রসুন কোয়া, তেতুল, চিনি, লবন আর অল্প সরিষার তেল দিয়ে মাখিয়ে ৩/৪ দিন রোদে শুকাতে হবে। বাদামী রঙ এবং ঝরঝরে হলে কাঁচের জারে নিয়ে সরিষার তেল দিয়ে আবার রোদে দিতে হবে... এই আচার বানানো অনেক সোজা এবং খেতে ও মজা। এই টক মিষ্টি আচার দিয়ে আলু ভর্তা করতে পারবেন, খিচুড়ির সাথেও খাওয়া যায়। ছবি- সাইমা জাহান

সূত্রঃ প্রিয়.কম

Monday, June 25, 2012

অরেঞ্জ ললিস


উপকরণ
পানি এক কাপ, চিনি পৌনে এক কাপ, লেবুর রস দুই টেবিল চামচ, ট্যাং পাউডার তিন টেবিল চামচ, খাবার রং কমলা এক চিমটি, লবণ এক চিমটি।

যেভাবে তৈরি করবেন
১. ওপরের সব একসঙ্গে বিট করুন।
২. ছাঁচে ফেলে রেফ্রিজারেটরের ডিপ চেম্বারে পাঁচ ঘণ্টা রেখে দিন।
৩. এরপর পরিবেশন করুন।
লেমন ললিস : অরেঞ্জ ললিসের নিয়মেই তৈরি করুন। শুধু রং দেবেন সবুজ আর ফ্লেভার দেবেন লেমন।