Friday, April 27, 2018

ঠান্ডা শসার স্যুপ


আজকের রেসিপির নাম ঠান্ডা শসার স্যুপ। শসা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এতে রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং সিলিকন। এটি চোখের জন্যও বেশ কার্যকর। শসা দিয়ে তৈরি স্বাস্থ্যকর স্যুপের এই রেসিপি দেওয়া হয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ায়। জেনে নিন কী কী উপকরণ লাগবে এই রেসিপিতে এবং কীভাবে তৈরি করবেন ঠান্ডা শসার স্যুপ।

উপকরণ: ১ কাপ টক দই, ১ কাপ টক ক্রিম, কুচি করা রসুন ১ কোয়া, পুদিনা পাতা কুচি আধা কাপ, কুচি করা বীজমুক্ত শসা আধা কাপ।

প্রস্তুত প্রণালি: প্রথমে একটি পাত্রে শসা,  টক দই,  টক ক্রিম,  রসুন, পুদিনা পাতা একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এরপর একটি ব্লেন্ডারে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। মিশ্রণটি এক ঘণ্টার জন্য ফ্রিজে রেখে দিন। ঠান্ডা হয়ে গেলে ওপরে পুদিনা পাতা দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন স্বাস্থ্যকর ঠান্ডা শসার স্যুপ।

সূত্রঃ এনটিভি

চিংড়ি শুঁটকি ভুনা


আজকের রেসিপির নাম চিংড়ি শুঁটকি ভুনা। এনটিভির রান্নাবিষয়ক অনুষ্ঠান সিদ্দিকা কবীর'স রেসেপির ২৫৩ তম পর্বের অতিথি র‍্যাম্প মডেল সুজন এই রেসিপিটি দিয়েছেন। জেনে নিন কী কী উপকরণ লাগছে এই রেসিপিতে এবং কীভাবে তৈরি করবেন চিংড়ি শুঁটকি ভুনা। 

উপকরণ 

চিংড়ি শুঁটকি ২০০ গ্রাম, পেঁয়াজ কুচি এক কাপ, রসুন কুচি ছয় কোয়া, কাঁচামরিচ ফালি চার-পাঁচটি, তেল ১/২(আধা) কাপ, ধনিয়া গুঁড়া এক চা চামচ, হলুদ গুঁড়া এক চা চামচ, মরিচ গুঁড়া এক চা চামচ, জিরা গুঁড়া এক টেবিল চামচ, ধনিয়া পাতা কুচি এক চা চামচ, সরিষার তেল পরিমাণ মতো এবং লবণ স্বাদমতো। 

প্রস্তুত প্রণালি 

প্রথমে একটি কড়াইয়ে তেল দিয়ে পেঁয়াজ কুচি ও রসুন কুচি একটু ভেজে তাতে শুঁটকিগুলো দিয়ে আরেকটু ভেজে নিন। এরপর এতে স্বাদমতো লবণ, আরেকটু তেল, হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া, জিরা গুঁড়া ও ধনিয়া গুঁড়া দিয়ে ভালো করে ভেজে নিন। এরপর এতে ধনিয়াপাতা কুচি ও কাঁচামরিচ ফালি দিয়ে আরকটু ভেজে পরিবেশন পাত্রে তুলে নিন। এর ওপর ধনিয়াপাতা কুচি ও কাঁচামরিচ দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার চিংড়ি শুঁটকি ভুনা।  

সূত্র : এনডিটিভি

টক দইয়ের নানান গুণ


দুগ্ধজাত খাবার টক দই পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী।ভারতের এপিএস কসমেটোফুড’য়ের প্রতিষ্ঠাতা হিমাংশু চাড্ডা এবং খাদ্যা ও পুষ্টিবিশেষজ্ঞ নমামি আগারওয়াল জানিযেছেন টক দইয়ের উপকারী দিক।

রোদপোড়া সারাতে: ত্বকের পোড়া অংশে টক দই মাখিয়ে ২০ থেকে ২৫ মিনিট রেখে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। টক দইয়ে আছে দস্তা এবং প্রদাহরোধী উপাদান। এছাড়াও আছে ‘প্রোবায়োটিক’ যা ত্বকের প্রাকৃতিক প্রতিরোধ ব্যাবস্থা বজায় রাখতে সহায়তা করে।

ব্রণ: ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকরোধী উপাদান থাকায় টক দই দিয়ে ব্রণ নিরাময় করা যায়। যেখানে ব্রণ হয় সেখানে আধ ঘণ্টা টক দই মাখিয়ে ধুয়ে ফেললেই কাজ শেষ। নিয়মিত এভাবে ব্যবহার করলে ত্বক থাকবে পরিষ্কার।

চুলের কন্ডিশনার: টক দইয়ের ময়েশ্চারাইজিং উপাদান শুষ্ক, রুক্ষ এবং ক্ষতিগ্রস্ত চুল সারিয়ে তুলতে অত্যন্ত কার্যকর।এককাপ টক দই ফেটে ক্রিম বানিয়ে তা মাথার ত্বকে ও চুলে প্রয়োগ করতে হবে। ২০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলতে হবে।

চুল পড়া কমাতে: টক দইয়ে আছে ভিটামিন বি ফাইভ এবং ডি, যা চুলের গোড়ায় পুষ্টি যোগায়। এছাড়াও মিষ্টি দই আর গোলমরিচের মিশ্রণ চুল পড়া কমাতে সহায়ক। মিষ্টি দই আর আমলকী গুঁড়ার পেস্টও চুল পড়া কমায়।

অন্ত্রের সুস্বাস্থ্য: অন্ত্রে স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া বাড়ানোর মাধ্যমে হজম পদ্ধতির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় টক দই। ডায়রিয়া, পেট ফোলা এবং আইবিএস’য়ের মতো হজমজনীত সমস্যা সারাতেও টক দইয়ের জুড়ি নেই।

হাড়ের শক্তি বাড়াতে: খাদ্যাভ্যাসে টক দই যোগ করলে ক্যালসিয়ামের দৈনিক চাহিদা পূরণ হবে। ফলে হাড় থাকবে শক্তিশালী। হাড়ে বজায় থাকবে খনিজের স্বাস্থ্যকর মাত্রা। ক্যালসিয়াম আর ভিটামিন ডি খাদ্যাভ্যাসে থাকলে তা বাতের জন্য চিকিৎসা হিসেবে কাজ করবে।

নারীর সুস্বাস্থ্য: সদ্য প্রস্তুত দই খাওয়ার উপদেশ দেওয়া হয় নারীদের। কারণ, তা বিভিন্ন ‘ইস্ট’জনীত প্রদাহ যেমন ‘ক্যানডিডা’য়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এই ধরনের রোগ নারীদের অনেক যন্ত্রণা দেয়। টক দইয়ে থাকা ‘ল্যাক্টোব্যাসিলাস অ্যাসিডোফিলাস’ নামক ব্যাকটেরিয়া ইস্ট প্রদাহ থেকে রক্ষা্ করে। 

সুজির রসগোল্লা


আপনাদের যাঁদের কাছে ছানার রসগোল্লা বানাতে একটু ঝামেলা মনে হয় অথবা একটু সময়সাপেক্ষ মনে হয়, তাঁরা এই সুজির রসগোল্লাটা বানাতে পারেন। এটা বানানো খুবই সহজ এবং সময়ও কম লাগে। তা ছাড়া এই রসগোল্লাও কিন্তু স্পাঞ্জি হয়। কিন্তু ছানার রসগোল্লার মতো অতটা স্পাঞ্জি হয় না, তবে খেতে ভীষণ মজার। তা ছাড়া এই রসগোল্লার একটা নিজস্ব স্বাদ আছে। তাহলে জেনে নিন কীভাবে বানাবেন সুজির রসগোল্লা।

উপকরণ
১. সুজি ১/২ কাপ
২. দুধ ১/২ লিটার
৩. ঘি এক টেবিল চামচ
৪. চিনি পরিমাণমতো
৫. এলাচ চারটি

প্রস্তুত প্রণালি
প্রথমে চুলায় অল্প আঁচে একটি প্যানে দুধ দিয়ে দিন। এরপর দুধের বলক ওঠা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। দুধে বলক চলে এলে এর মধ্যে ঘি এবং দুই টেবিল চামচ চিনি দিয়ে দিন। এরপর এগুলো এক মিনিটের মতো নেড়ে নিন। এরপর এর মধ্য দিয়ে দিন সুজি। আর সুজিটা ঢালতে ঢালতে এটা নাড়তে থাকুন। চুলার আঁচ কমিয়ে দিয়ে এটাকে নাড়তে থাকুন। এরপর যখন এটা একটা ডো-এর মতো হয়ে যাবে, তখন চুলা থেকে নামিয়ে একটা পাত্রে নিয়ে নিন। চুলায় একটি হাঁড়িতে দুই কাপ পানিতে এক কাপ চিনি দিয়ে জ্বাল দিন। এরপর এর মধ্যে এলাচগুলো দিয়ে দিন। চিনিটা গলে পানিটা ফুটতে শুরু হলে চুলার আঁচ একদম কমিয়ে দিন। হাতে একটু ঘি লাগিয়ে অল্প অল্প করে সুজির ডো নিয়ে মিষ্টির আকার করে নিন। এরপর মিষ্টিগুলোকে চিনির সিরায় দিয়ে চুলার আঁচ মিডিয়াম করে দিন। একটা ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ১০ মিনিট জ্বাল করুন। এরপর চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন মজাদার সুজির রসগোল্লা।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ২৩ জানুয়ারি ২০১৮

শবেবরাতে সুস্বাদু বাদামের বরফি


আজকের আয়োজনে আপনাদের জন্য থাকছে বাদামের বরফি। খুব সহজে হাতের কাছে থাকা অল্প উপকরণ দিয়ে তৈরি করা যায় এই হালুয়া। তো, আর দেরি না করে দেখে নিন কীভাবে বানাবেন বাদামের বরফি বা হালুয়া।

উপকরণ

১. কাঠবাদাম আধা কাপ

২. চিনি আধা কাপ

৩. দুধ আধা কাপ

৪. এলাচ গুঁড়া কোয়ার্টার চা চামচ

৫. ঘি তিন টেবিল চামচ

৬. বাদাম কুচি এক চা চামচ

প্রস্তুত প্রণালি

হালকা গরম পানিতে বাদাম ভিজিয়ে রেখে খোসা ছাড়িয়ে নিন। এবার একটি ব্লেন্ডারে বাদাম ও দুধ দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। প্যানে দুই টেবিল চামচ ঘি গরম করে এতে ব্লেন্ড করা বাদাম ও চিনি দিয়ে নাড়তে থাকুন। নাড়তে নাড়তে মিশ্রণটি থেকে যখন পানি শুকিয়ে আসবে, তখন আরো এক টেবিল চামচ ঘি ও এলাচ গুঁড়া দিয়ে নাড়তে থাকুন। হালুয়া যখন প্যান ছেড়ে উঠে আসবে, তখন ঘি ব্রাশ করা পাত্রে নামিয়ে নিন। এবার একটি চামচের সাহায্যে হালুয়া চেপে চেপে পাত্রের মধ্যে বসিয়ে দিন সেট হওয়ার জন্য। ওপর দিয়ে বাদাম কুচি ছড়িয়ে দিয়ে হালুয়া ঠান্ডা করে নিন। এরপর কেটে পরিবেশন করুন খুব মজার বাদামের বরফি।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ২৬ এপ্রিল ২০১৮

টার্কিশ ফিশ কাবাব উইথ ওয়ালনাট ডিপ


ছুটির দুপুরে একটু ভিন্ন খাবার সবারই খেতে মন চায়। কিন্তু ভিন্ন খাবার মানে কি? পোলাও, কোরমা, কাবাব, রুটি এসব? এসব তো প্রায় সময় খেয়ে থাকেন। আজ একদম ভিন্ন একটি খাবার ট্রাই ক্রে দখতে পারেন। টার্কিশ ফিশ কাবাব উইথ ওয়ালনাট। স্বাদ্ব তো ভিন্নতা আনবেই, সাথে রুচির সাথে পরিবর্তন আনুন আপনার ছুটির দুপুরটা। আসুন তাহলে জেনে নেই টার্কিশ ফিশ কাবাব উইথ ওয়ালনাটের রেসিপি।


ফিশ কাবাব বানাতে উপকরণ:

মাঝারি সাইজের ভেটকী ফিলের কিউব ৪ টি (কাঁটা ছাড়া অন্য মাছও নিতে পারেন)

লেবুর রস

বিট লবণ

অলিভ অয়েল

তেজপাতা

গোল মরিচ গুড়ো

লাল কাঁচামরিচ ও বেল পেপার পেস্ট 

প্রণালি:

সব উপকরণ মাখিয়ে মাছের ফিলে সারারাত ম্যারিনেট করে রাখুন| খাওয়ার আগে স্কিউয়ারে তেজপাতা ও ফিলে গুলো গেঁথে নিয়ে তাওয়ায় সেঁকে নিন | 

ওয়ালনাট ডিপ বানাতে উপকরণ:

খোসা ছাড়িয়ে গুড়ো করা আখরোট – ৪০ গ্রাম

চারপাশ বাদ দেওয়া পাঁউরুটি – ১ টা স্লাইস

নুলবণ মিশিয়ে থেতো করা রসুন – ১ কোয়া

দই – ১ টেবিল চামচ

অলিভ অয়েল – ২ টেবিল চামচ

লেবুর রস – প্রয়োজন মতো 

প্রণালি:

সমস্ত উপকরণ একসঙ্গে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন| বেশি ঘন হলে একটু পানি দিয়ে পাতলা করে নিন| 

কাবাব ও সস তৈরি হয়ে গেলে জাফরানি পোলাও ও ফ্রেশ স্যালাডের সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন|


রেসিপিটি প্রকাশিত হয়,  ডিসেম্বর ০৮, ২০১৭

লবঙ্গ চায়ের ৯টি অসাধারণ উপকারিতা জেনে নিন


প্রাকৃতিক শক্তিতে ভরপুর এই বিশেষ চা-টি শুধু আপনার রসনা তৃপ্তি করবে না, সেই সঙ্গে শরীরকে রোগ মুক্ত রাখতেও নানাদিক থেকে প্রতিনিয়ত সাহায্য করে যাবে। তাই তো বলি আর অপেক্ষা নয়, আজই বাজার থেকে লবঙ্গ কিনে এনে বানিয়ে ফেলুন এই হার্বাল চাটি। আর চেখে দেখুন কেমন লাগে! আসলে লবঙ্গের শরীরে উপস্থিত ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন কে, ফাইবার, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম এবং ক্যালসিয়াম নানাভাবে শরীরের উপকারে লেগে থাকে। যেমন ধরুন-

১. সারা শরীরে রক্তের সরবরাহ বেড়ে যায়
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, লবঙ্গ চা খাওয়া মাত্র শরীরের ভেতরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে দেহের প্রতিটি কোনায় অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের সরবরাহ বেড়ে যায়। ফলে দেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলির কর্মক্ষমতা তো বাড়েই, সেই সঙ্গে শরীরের সচলতাও বৃদ্ধি পায় চোখে পরার মতো।

২. রক্তে শর্করার মাত্র নিয়ন্ত্রণে থাকে
গত কয়েক দশকে আমাদের দেশে ডায়াবেটিসের মতো মারণ রোগের প্রকোপ যে হারে বেড়েছে তাতে সবারই প্রতিদিন লবঙ্গ চা খাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। কারণ এই প্রকৃতিক উপাদানটির ভেতরে থাকা নাইজেরিসিন নামক একটি উপাদান, শরীরে প্রবেশ করে এমন খেল দেখায় যে ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার কোনও আশঙ্কাই থাকে না।

৩. আর্থ্রাইটিসের যন্ত্রণা কমে
লবঙ্গে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ এই ধরনের হাড়ের রোগের প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এক্ষেত্রে এক কাপ লবঙ্গ চা বানিয়ে কয়েক ঘন্টা ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। তারপর সেই ঠান্ডা চা ব্যথা জায়গায় কম করে ২০ মিনিট লাগালে দেখবেন যন্ত্রণা একেবারে কমে গেছে। প্রসঙ্গত, জয়েন্ট পেন কমানোর পাশাপাশি পেশির ব্যথা এবং ফোলা ভাব কমাতেও এই ঘরোয়া ওষধিটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৪. দাঁতের ব্যাথা কমায়
লবঙ্গতে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর এমন কিছু বিক্রিয়া করে যে নিমেষে দাঁতের যন্ত্রণা কমে যায়। তাই তো এবার থেকে দাঁতে অস্বস্তি বা মাড়ি ফোলার মতো ঘটনা ঘটলে এক কাপ গরম গরম লবঙ্গ চা খেয়ে নেবেন। দেখবেন উপকার পাবেন।

৫. ক্যান্সার রোগ দূরে থাকে
একাধিক কেস স্টাডি করে দেখা গেছে, নিয়মিত এক কাপ করে লবঙ্গ দিয়ে বানানো চা খেলে শরীরে ভেতরে অ্যান্টি-ক্যান্সার প্রপাটিজের পরিমাণ এত মাত্রায় বেড়ে যায় যে ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা কমে। শুধু তাই নয়, শরীরের কোনও জায়গায় টিউমার হওয়ার সম্ভাবনাও কমে। প্রসঙ্গত, লবঙ্গে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৬. সাইনাসের প্রকোপ কমায়
মাঝে মধ্যেই কি সাইনাসের আক্রমণ সহ্য করতে হয়? তাহলে তো বলতে হয় এই প্রবন্ধটি আপনার জন্যই লেখা। কারণ লবঙ্গ যে এই ধরনের সমস্যা দূর করতে কাজে আসতে পারে, সে বিষয়ে কি জানা ছিল? আসলে এই প্রকৃতিক উপাদানটির শরীরে উপস্থিত ইগুয়েনাল নামে একটি উপাদান সাইনাসের কষ্ট কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই কারণেই তো আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরা আজও এই ধরনের অসুখের চিকিৎসায় লবঙ্গের উপরই ভরসা করে থাকেন।

৭. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে
লাঞ্চ বা ডিনারের আগে লবঙ্গ দিয়ে বানানো এক কাপ গরম গরম চা খেলে হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে পেটের দিকে রক্ত প্রবাহেরও উন্নতি ঘটে। ফলে খাবার হজম হতে সময় লাগে না। তাই যাদের কম ঝাল-মশলা দেওয়া খাবার খেলেও বদ-হজম হয়, তারা লবঙ্গ চা পান করে একবার দেখতে পারেন। এমনটা করলে উপকার যে মিলবে, তা হলফ করে বলতে পারি।

৮. ত্বকের সংক্রমণ সারাতে কাজে আসে
এবার থেকে কোনও ধরনের ত্বকের সংক্রমণ হলেই চোখ বুজে ক্ষতস্থানে লবঙ্গ চা লাগাতে ভুলবেন না। এমনটা করলে দেখবেন কষ্ট কমতে একেবারে সময়ই লাগবে না। আসলে লবঙ্গে উপস্থিত ভোলাটাইল অয়েল শরীরে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। সেই সঙ্গে জীবাণুদেরও মেরে ফেলে। ফলে সংক্রমণজনিত কষ্ট কমতে একেবারেই সময় লাগে না।

৯. নিমেষে জ্বরের প্রকোপ কমায়
লবঙ্গে থাকা ভিটামিন কে এবং ই, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এতটাই শক্তিশালী করে দেয় যে শরীরে উপস্থিত ভাইরাসেরা সব মারা পরে। ফলে ভাইরাল ফিবারের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার হয়ে যাওয়ার পর সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে যায়।

সূত্রঃ কালের কণ্ঠ