Wednesday, June 20, 2012

টুটি ফুটি


উপকরণ : গুঁড়াদুধ এক কাপ, কর্নফ্লাওয়ার এক চা চামচ, ডিমের কুসুম একটি, পানি সোয়া কাপ, চিনি আধা কাপ, সফট ক্রিম এক টেবিল চামচ, চায়না গ্রাস এক চা চামচ, সিএমসি আধা চা চামচ, ম্যাংগো ইমালশন এক চিমটি, ম্যাংগো এসেন্স এক চিমটি।

যেভাবে তৈরি করবেন
১. যেকোনো ২-৩ ফ্লেভারের আইসক্রিম স্কুপ দিয়ে বল বানিয়ে কাপে নিবেন।
২. এবার আঙ্গুর, আম ও আপেল টুকরো দিন।
৩.তারপর চকোলেট সিরাপ দিন।
৪.উপরে সঢট ক্রিম দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

Tuesday, June 19, 2012

গরমে খাবার ভালো রাখতে...


এই প্রচণ্ড গরমে খাবার ভালো রাখাটা বেশ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সকালের খাবার দুপুর গড়াতেই বাসি হয়ে যাচ্ছে। আর বাসি খাবার খেলে তো পেটের অসুখ হবেই। এ গরমে খাবার সংরক্ষণ করার বিষয় নিয়ে নানা পরামর্শ দিয়েছেন রান্নাবিদ সিতারা ফিরদৌস।

► ►► জেনে নিন

● কাঁচা মাছ ও মাংস বাজার থেকে আনার পর ভালো করে পরিষ্কার করে ধুয়ে রেফ্রিজারেটরের বরফ চেম্বারে রাখতে হবে।

● কাঁচা শাকসবজি ও কাঁচামরিচ বাজার থেকে আনার পর এগুলোকে ছড়িয়ে রেখে বাতাসে পানি শুকিয়ে গেলে শুকনা পলিপ্যাক, কাগজের ঠোঙায় বা কনটেইনারে করে রেফ্রিজারেটরে রাখতে হবে। পলিপ্যাকে ছিদ্র করেও রাখা যেতে পারে, যেন বাতাস বের হয়ে যায়।

● কাঁচামরিচের বোঁটা ফেলে সংরক্ষণ করতে হবে।

● বাজার থেকে শাক আনলে পরিষ্কার করে বেছে শুকনা পলিপ্যাক বা কনটেইনারে রাখতে হবে।

● মাছ ও মাংস রান্না করার জন্য রেফ্রিজারেটর থেকে নামালে বরফ গলিয়ে বেশিক্ষণ বাইরে রাখা যাবে না। তাতে গরমে সেগুলো নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

● যেকোনো রান্না করা খাবার এক বা দুই ঘণ্টার মধ্যে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এর আগেই সংরক্ষণ করতে হবে।

● রান্না করা খাবার রেফ্রিজারেটরে রাখার আগে বাতাসে ঠান্ডা করে নিতে হবে।

● বেশি পরিমাণ খাবার রান্না না করে প্রয়োজনমতো রান্না করতে হবে।

● যেকোনো খাবার রেফ্রিজারেটরে রাখার সময় কনটেইনার, ঢাকনাসহ বাটি—এসব ব্যবহার করা যেতে পারে।

● ফল যেটুকু খাওয়া হবে শুধু সেটুকু কাটতে হবে। বাকিটা ফ্রিজে রেখে দিতে হবে।

● রেফ্রিজারেটর বেশি খুললে ও বন্ধ করলে ভেতরে বাতাস ঢুকে খাবার নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই বেশি খোলা যাবে না।

● যেকোনো খাবার রেফ্রিজারেটরে রাখলে ঢাকনা দিয়ে রাখতে হবে, যেন এক খাবারের গন্ধ আরেক খাবারে না যায়।

● রেফ্রিজারেটর না থাকলে যেকোনো বেলায় খাওয়ার পর বাকি খাবার জ্বাল দিয়ে ঠান্ডা করে জালি দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। ঘরের বাইরে খাবার ভালো রাখতে ‘কতক্ষণের জন্য খাবার নেওয়া হচ্ছে, বিষয়টার ওপর গুরুত্ব দিয়ে খাবার সংরক্ষণের পদ্ধতি নির্বাচন করতে হবে,’ বলছিলেন রান্নাবিদ সিতারা ফিরদৌস।

● ঘরের বাইরে যেমন—অফিসে আমরা সাধারণত পোলাও, খিচুড়ি, ভাত—এসব খাবার নিয়ে থাকি। সাধারণ টিফিন বাক্সে খাবার নিয়ে বেরোনোর আগে খাবার বাতাসে ঠান্ডা করে নিতে হবে। কখনোই গরম গরম খাবার বাক্সে নেওয়া যাবে না, এতে খাবার গন্ধ হয়ে যেতে পারে।

● কোল্ডপটে ঠান্ডাজাতীয় খাবার নিলে তা ঠান্ডা থাকবে।

● যদি খাবার ঠান্ডা করার সময় না থাকে, তাহলে কর্মস্থলে যাওয়ার পর খাবারের বাক্সটা একটু খুলে রাখতে হবে, যেন গরম ভাপটা বের হয়ে যায়।

● টিস্যু পেপারে কিংবা বাটার পেপারে রোল করে স্যান্ডউইচ, স্ন্যাকস-জাতীয় খাবার মুড়িয়ে নিলে খাবারের অতিরিক্ত তেল টিস্যু পেপার চুষে নেয় আর খাবারও ভালো থাকে অনেকক্ষণ।

● চিকেন ফ্রাই, চিকেন রোল—এসব খাবার অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে মুড়িয়ে নিলে নষ্ট হবে না।

● গ্রিল, কাবাব—এসব খাবার অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে ছিদ্র করে মুড়িয়ে নেওয়া যেতে পারে।

● নুডলস বাটার পেপারে কিংবা টিফিন বাক্সে করে নেওয়া ভালো।

● ভ্রমণে শুকনা খাবার নেওয়াই ভালো। অনেকক্ষণ খাবার ভালো থাকে।

● খাবারে কাঁচা পেঁয়াজ দেওয়া না হলে তা অনেক্ষণ ভালো থাকে।

তথ্য সূত্র: প্রথম আলো পত্রিকা, (তারিখ: ১৯-০৬-২০১২)

চিকেন ললিপপ


উপকরণ: হাড়সহ মুরগির মাংস ৩০০ গ্রাম, এ ক্ষেত্রে রানের অংশ কেটে নিতে হবে। তেল পরিমাণমতো, ভিনেগার, কাঁচামরিচ দুটি, রসুন তিন কোয়া, ময়দা দুই টেবিল-চামচ, পেঁয়াজ একটা, ডিম একটা, সাদা গোলমরিচ গুঁড়া সামান্য, এরারুট দুই চা-চামচ, ধনেপাতা একটি গাছ, স্বাদ লবণ ও লবণ পরিমাণমতো, ওয়েস্টার সস, সয়াসস ও মাস্টার্ড সস চা-চামচের আধা চামচ করে। টমেটো ও চিলি সস পরিমাণমতো।

প্রণালি: মুরগি প্রথমে ধুয়ে ভিনেগারে ভিজিয়ে রাখুন। পরে পানিতে ৩০ মিনিট রেখে দিতে হবে। উঠিয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। সব মসলা মিশিয়ে কিমা করে নিয়ে মাংসে মিশিয়ে নিন। ময়দা ও সস মিশিয়ে ডুবোতেলে তা ফ্রাই করে নিন। এবার তুলে সস মিশিয়ে নিন। ফ্রেঞ্চ ফ্রাই বা রুটি দিয়ে পরিবেশন করুন।

Sunday, June 17, 2012

কুলফি আইসক্রিম


উপকরণ
গুঁড়ো দুধ দুই কাপ, পানি দুই কাপ, ডিম দুটি, কনডেন্সড মিল্ক এক টিন, কর্নফ্লাওয়ার এক টেবিল চামচ, কাজুবাদাম কুচি দুই টেবিল চামচ, এলাচ গুঁড়ো এক চিমটি, গোলাপজল আধা চা চামচ, চায়না গ্রাস এক চা চামচ।

যেভাবে তৈরি করবেন
১. দুধ, পানি ও ডিমের কুসুম সিএমসি ও কর্নফ্লাওয়ার দিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে চুলায় একসঙ্গে জ্বাল দিন।
২. এরপর এলাচ গুঁড়ো দিন। নামানোর আগে চায়না গ্রাস গরম পানিতে গুলে দিন।
৩. ঠাণ্ডা হলে বিট করুন। ফ্রিজে রেখে পাঁচ ঘণ্টা পর আবার বিট করুন।
৪. এরপর বিটারে ডিমের সাদা অংশ দিয়ে ফোম বানান। সেই ফোম ও গোলাপজল দিয়ে বিট করে কুলফির খাঁচে ভরে ফ্রিজে রাখুন।
৫. এক ঘণ্টা পর পরিবেশন করুন।

Saturday, June 16, 2012

ম্যাংগো আইসক্রিম


উপকরণ
গুঁড়ো দুধ এক কাপ, কনফ্লাওয়ার এক চা চামচ, চিনি আধা কাপ, ডিমের কুসুম একটি, পানি সোয়া কাপ, ডানো ক্রিম এক টেবিল চামচ, চায়না গ্রাস এক চা চামচ, সিএমসি আধা চা চামচ, ম্যাংগো ইমালশন এক চিমটি, ম্যাংগো অ্যাসেন্স এক চিমটি।

যেভাবে তৈরি করবেন
১. প্রথমে গুঁড়ো দুধ, কনফ্লাওয়ার, চিনি, ডিমের কুসুম ও পানি ব্লেন্ড করে জ্বাল দিন।
২. এরপর নামিয়ে ঠাণ্ডা করে ক্রিম মিলিয়ে বিট করুন চার মিনিট।
৩. ফ্রিজের ডিপ চেম্বারে রেখে দিন।
৪. এক ঘণ্টা পর নামিয়ে আবার বিট করুন। দ্বিতীয়বার বিট করার সময় রং ও অ্যাসেন্স মিলিয়ে নিন।
৫. এক ঘণ্টা ফ্রিজের ডিপ চেম্বারে রেখে তারপর পরিবেশন করুন।

Friday, June 15, 2012

চিকেন ব্রেস্ট


উপকরণ
মুরগির মাংস হাড় ছাড়া ৬ টুকরা, মাখন ৩ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি ২টি, পাকা টমেটো ২টি, টমেটো পেস্ট ৫ টেবিল চামচ, গোলমরিচ গুঁড়ো আধা চা চামচ, রসুন কুচি ২ চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো।

টকিংয়ের জন্য
ব্রেডক্রাম ৪ কাপ, ধনেপাতা কুচি এক কাপের চার ভাগের এক ভাগ, গলানো মাখন ২ টেবিল চামচ, মোজারেলা চিজ কোরানো দেড় কাপ।

যেভাবে তৈরি করবেন
১. ফ্রাইপ্যানে মাখন গরম করে মুরগির মাংস হালকা করে ভেজে নিন।
২. ভাজা হলে ওভেনপ্রফ ডিশে ঢেলে পেঁয়াজ, টমেটো পেস্ট, লবণ, মরিচ, রসুন ভালো করে মেখে নিন।
৩. মিশ্রণটি মাংসের ওপর খানিকটা দিয়ে ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে প্রায় ৪০ মিনিট বেক করুন।
৪. এবার বেক করা মাংস উল্টে অন্য পাশে ধনেপাতা, মাখন, ব্রেডক্রাম, মোজারেলা চিজ মুরগির ওপর ছড়িয়ে দিন। আবার ৫ মিনিট বেক করুন।
৫. ব্রেডক্রাম লালচে হয়ে গেলে বেকিং ট্রে বের করে গরম গরম পরিবেশন করুন।

Thursday, June 14, 2012

আমলকী


আমলকী ঔষধি ফল হিসেবে পরিচিত। প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে বলেই আমলকীকে ভিটামিন সির রাজা বলা হয়। ১০০ গ্রাম আমলকীতে রয়েছে ভিটামিন সি ৪৬৩ মিলিগ্রাম, শর্করা ১৬.২ গ্রাম, খনিজ পদার্থ ০.৭ গ্রাম, আঁশ ৩.৪ গ্রাম, খাদ্যশক্তি ৭০ কিলোক্যালরি, ক্যালসিয়াম ২২ মিলিগ্রাম, লৌহ ৩.১ মিলিগ্রাম ও ভিটামিন বি-১-এ ০.০৩ মিলিগ্রাম।

ব্যবহার
ওষুধ ও প্রসাধনীতে আমলকী ব্যবহার করা হয়। এ ছাড়া আমলকীর আচার ও মোরব্বা সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। আমলকীর রস যকৃৎ, পেটের রোগ, হাঁপানি, কাশি, বহুমূত্র, অজীর্ণ ও জ্বর সারাতে কাজ করে। পাতার রস আমাশয় দূর করে। আমলকীর রসের শরবত জন্ডিস, চর্মরোগ, বদহজম ও কাশির জন্য উপকারী। শুকনো ৬ গ্রাম আমলকী কুচি এক কাপ পানিতে মিশিয়ে এক ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে পরে চটকে ছেঁকে প্রতিদিন পানি খেলে হজমশক্তি বৃদ্ধি পায় ও বমিভাব কাটে। কাঁচা আমলকীর রস প্রতিদিন খেলে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-১ ও ভিটামিন বি-২-এর অভাব দূর হয়। কাঁচা বা শুকনো আমলকী বাটা তরল দুধে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে স্ক্যাল্পে লাগালে ঘুম ভালো হয়। দৃষ্টিশক্তির সমস্যায় দুই চামচ আমলকীর রস এক চামচ মধু মিশিয়ে নিয়মিত খেলে উপকার পাবেন। ইউরিন ইনফেকশন দূর করতে তিন-চার চামচ আমলকীর রস আধা লিটার কাঁচা দুধ আর মিছরি মিশিয়ে খেতে পারেন। চুলের যত্নে আমলকী পেস্ট ব্যবহার করলে চুল পাকা, চুল ওঠা বন্ধ করে এবং চুলের গোড়া শক্ত হয়। ওষুধ হিসেবে খাওয়া ছাড়াও প্রতিদিন দুটি আমলকী খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।