Thursday, July 5, 2018

চিংড়ির বিরিয়ানি


উপকরণ: আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, রসুন ১ টেবিল চামচ, ঘি ২ টেবিল চামচ, সরিষার তেল ২ টেবিল চামচ, তেজপাতা ১টি, নারকেলের দুধ ১ কাপ, চিনি ১ টেবিল চামচ, গুঁড়া মরিচ ১ টেবিল চামচ, দারুচিনি ৪-৫ টুকরো, এলাচি, লং, দারুচিনি একসঙ্গে গুঁড়া করে আধা চা-চামচ, ১ চা-চামচ গুঁড়া দুধ, ৫-৬ টি কাঁচা মরিচ, লবণ স্বাদমতো।

প্রণালি: প্রথমে চিংড়িগুলো একটু হলুদ, মরিচ, লবণ দিয়ে মেখে নিতে ভালোমতো ভেজে তুলে রাখতে হবে। এবার আধা কাপ তেলে আধা কাপ পেঁয়াজ ভেজে নিয়ে তাতে দুটো দারুচিনি, দুটো এলাচি, তেজপাতা দিন। আরও খানিকটা ভেজে তাতে আধা টেবিল চামচ সর্ষের তেল দিতে হবে রান্নায় ঘ্রাণ আনার জন্য। এরপর একে একে রসুন, আদা, কাঁচা জিরা বাটা আধা টেবিল চামচ, ধনে পাতা বাটা ১ টেবিল চামচ দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে নেবার পর ১ কাপ নারকেলের দুধ ও ১ চা-চামচ গুঁড়া দুধ দিয়ে নাড়তে হবে। শাহি রান্নার ঘ্রাণ বের হলে তখন মরিচের গুঁড়া দিন। লাল রং চলে আসবে। রান্নায় তখন চিংড়িগুলো মসলায় দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিয়ে তুলে রাখতে হবে।

এবার দুই কাপ বাসমতী চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। পাত্রে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি ভেজে নিতে হবে বাদামি হওয়া পর্যন্ত। ওখানে দুটো তেজপাতা, একটা এলাচি, দুটো দারুচিনি, পেঁয়াজ বাটা, রসুন বাটা, লবণ ও আদা বাটা দিয়ে নাড়তে হবে। এবার চালটা িদন। চালে পানি দেওয়ার আগে ভালো করে ভাজা হলে পাত্রে লেগে যাবে না। ভাজা হলে ১ কাপ দুধ, ৪ কাপ পানি দিতে হবে। পানিটা শুকিয়ে আসার আগেই চিংড়িগুলো দিয়ে দিতে হবে এবং ৩ টেবিল চামচ ঘি ছড়িয়ে দিয়ে রান্নাটা নামিয়ে নিন।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ১২ জুন ২০১৮

Wednesday, July 4, 2018

কাস্টার্ড পাউডার ছাড়াই তৈরি করুন সুস্বাদু ‘ফ্রুট কাস্টার্ড’


কাস্টার্ড মানেই সকলেই বোঝেন দুধ আর কাস্টার্ড পাউডার মিশিয়ে তৈরি করা ঘন আর থকথকে এক রকমের খাবার, যা পরিবেশন করা হয় ফলের সাথে। এ হচ্ছে শর্টকাট পদ্ধতি! আজ তাই জানাতে এসেছি একেবারেই ভিন্ন মাত্রার এক কাস্টার্ড রেসিপি। এই কাস্টার্ড তৈরিতে প্রয়োজন নেই কোন কাস্টার্ড পাউডার বা কর্নফ্লাওয়ারের। স্বাদে হবে রিচ, কোন থকথকে ভাব বা আঠালো স্বাদ হবে না। ফ্রিজে রাখলে পানিও ছেড়ে দেবে না।

যা লাগবে

  • দুধ দেড় লিটার
  • ডিমের কুসুম ৪ টি (না, ডিমের গন্ধ হবে না) 
  • কর্নস্টার্চ সমান করে ১ চা চামচ (কর্নফ্লাওয়ার না কিন্তু)
  • ভালো মানের ভ্যানিলা এসেন্স ১ চা চামচ
  • চিনি ১/৪ কাপ বা স্বাদ অনুযায়ী
  • হলুদ বা লেমন ফুড কালার সামান্য
  • পছন্দের ফল (কলা, আপেল, আম, আঙ্গুর ইত্যাদি)


প্রনালি

  • দেড় লিটার দুধকে জ্বাল দিয়ে অর্ধেক করে নিন। ৭৫০ এম এলের মত হবে। কাস্টার্ড পাউডার ছাড়া তৈরি করতে চাইলে দুধের ঘনত্ব বেশি হওয়াটা জরুরী। দুধ ঘন হলে কাস্টার্ড অনেক রিচ হবে খেতে।
  • একটু দুধ আলাদা কাপে ঢেলে ঠান্ডা হতে দিন। বাকিটায় চিনি মিশিয়ে দিন। চুলা অল্প করে জ্বেলে রাখুন।
  • এবার ডিম হতে কুসুমগুলো আলাদা করে নিন যেন কন সাদা অংশ না থাকে। কাপে ঢালা দুধ হতে খানিকটা মিশিয়ে কুসুমগুলো ভালো করে গুলে নিন। এর সাথে কনস্টার্চ মিশিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। কাপের তুলে রাখা দুধ পুরোটা এই মিশ্রণে মিশিয়ে নিন।
  • আমরা কর্নফ্লাওয়ার ব্যবহার করছি না কারণ কাস্টার্ড পাউডারেও কর্নফ্লাওয়ার থাকে। সাথে থাকে নিম্নমানের কৃত্রিম ফ্লেভার যা কাস্টার্ডের স্বাদ আনতে পারে না। বদলে কনস্টার্চ দেয়া হচ্ছে কারণ, দুটো একই উপাদান ভুট্টা থেকে তৈরি হলেও কিছু বেসিক পার্থক্য আছে। যেমন, কর্নফ্লাওয়ারের তুলনায় কনস্টার্চ অর্ধেক ব্যবহার করলেই চলে। ফলে আটা আটা স্বাদ হয় না। স্মুথ ও রিচ স্বাদ আসবে। অন্যদিকে কনস্টার্চ ব্যবহারে কাস্টার্ড হবে চকচকে আর শাইনি, কাস্টার্ড পাউডার ব্যবহারে যা হয় না।
  • কুসুমের মিশ্রণ এবার চিনি দেয়া দুধের মাঝে মিশিয়ে দিন। আঁচ মাঝারি রেখে জ্বাল দিতে থাকুন। ঘন ঘন নাড়তে হবে যেন নিচে লেগে না যায়।
  • সামান্য হলুদ রঙ যোগ করে দিন। এতে দেখতে সুন্দর লাগবে। জ্বাল দিতে থাকুন।
  • ৭/৮ মিনিট পর কাস্টার্ড ঘন হতে শুরু করবে। অনেকেই মনে করেন চুলার দেয়ার সাথে সাথে থকথকে হয়ে গেলেই বুঝি কাস্টার্ড মজা হবে। সেটা কিন্তু একদম নয়। সাথে সাথে থকথকে হবার অর্থ বেশি কাস্টার্ড পাউডার দেয়া হয়ে গিয়েছে।
  • কাস্টার্ড জ্বাল হয়ে আপনার পছন্দের ঘনত্ব হলে নামিয়ে নিন। একদম থকথকে নামাবেন না, কারণ ঠাণ্ডা হবার পর ঘনত্ব অনেক বাড়বে। যখন দেখবেন বড় বড় হচ্ছে আর ফুটে উঠে ছিটকে যাচ্ছে, তখন নামালেই হবে।
  • সম্পূর্ণ ঠাণ্ডা করে ফ্রিজে রেখে দিন। সেট হতে দিন।
  • পরিবেশনের ঠিক আগে আগে ফল কেটে নিন। ফলের সাথে কাস্টার্ড মিশিয়ে পছন্দের জেলী , আইসক্রিম বা বাদাম দিয়ে পরিবেশন করুন।

টিপস
  • ফল মিশিয়ে অনেকক্ষণ কাস্টার্ড রেখে দিলে ফলের ফ্রেশ স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়।
  • গরম কাস্টার্ডে ফল মেশালে পানি ছেড়ে দেবে।
  • ফ্রিজে রাখার সময় ঢাকনা দেয়া বক্সে রাখুন, নতুবা অন্য খাবারের গন্ধ কাস্টার্ড খুব দ্রুত টেনে নেবে।


রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ০১ জুলাই ২০১৮
প্রিয়.কম

আমের আইসক্রিম


বাজারে হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে পাকা আম। গরম পড়তেই সবাই অপেক্ষা করে বসে থাকেন কবে গাছে হলুদ হলুদ পাকা পাকা আম হবে।

কাঁচা আম দিয়ে আচার , জেলি , চাটনি খেয়েছেন হয়তো। কিন্তু কখনো কি খেয়েছেন পাকা আমের আইসক্রিম।

আম যদি আরেকটু ভিন্ন উপায়ে, একটু বেশি স্বাদে খাওয়া যায়, মন্দ কী! আসুন জেনে নেই কীভাবে তৈরি

উপকরণ

তরল দুধ ২ কাপ, ঘন দুধ ১ কাপ, ফেটে নেয়া তিনটি ডিমের কুসুম, চিনি আধাকাপ, আইসিং সুগার ৩ টেবিল চামচ, কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবিল চামচ, ক্রিম আধা কাপ, আমের রস এক কাপ।

প্রণালি

প্রথমে তরল দুধ, চিনি আর ডিম মিশিয়ে মাঝারি আঁচে জ্বাল দিতে হবে। এরপরে মোটামুটি ঘন হয়ে আসলে এতে কর্নফ্লাওয়ার মিশিয়ে আবার ফোটাতে হবে কিছুক্ষণ। ঠাণ্ডা হয়ে এলে বাটিতে ঢেলে ডিপ ফ্রিজে রাখুন।

এক ঘণ্টা পর মিশ্রনটি বের করে এতে আমের রস, ঘন দুধ, আইসিং সুগার মিশিয়ে বিটার দিয়ে ভাল করে বিট করে আবার ফ্রিজে রেখে দিন।

দুই ঘণ্টা পর আবার বের করে ক্রীম মিশিয়ে বিটার দিয়ে বিট করে আইসক্রিমের ছাঁচে ঢেলে ডিপে জমান।

এবার ইচ্ছামতো সাজিয়ে পরিবেশন করুন ম্যাঙ্গো আইসক্রিম।


রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ০৩ জুলাই ২০১৮
যুগান্তর

Tuesday, July 3, 2018

আম খান, রোগ বালাইয়ের ঝুঁকি কমান


আম অনেক উপকারী একটি ফল। আমের এই মৌসুমে নিয়মিত আম খেলে অনেক রোগ-বালাইয়ের আক্রমণ থেকে রেহাই পাবেন, সন্দেহ নেই। 

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে : 

আমে বিদ্যমান বিটা-ক্যারোটিন এবং ক্যারোটেনয়েড শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে তোলে। এতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায় অনেকটা। 

হজমে সহায়ক আম : 

আমে বিদ্যমান বিশেষ ধরনের এনজাইম খাবার হজমে সহায়তা করে। আমের মধ্যে থাকা ফাইবার বিপাকক্রিয়ায় সাহায্য করে।

অ্যাজমা প্রতিরোধ করতে :

আমে প্রচুর ভিটামিন সি রয়েছে। শরীরে ভিটামিন সি এর মাত্রা বৃদ্ধি অ্যাজমা প্রতিরোধে দারুণ সহায়ক । 

ক্যানসার প্রতিরোধে : 

কুয়েরসেটিন, আইসোকুয়েরসেটিন, অ্যাস্ট্রাগেলিন ফিসেটিন, ফলিক অ্যাসিড, মাথাইল গ্যালেট প্রভৃতি উপাদান রয়েছে আমে। এ উপাদানগুলেো কোলোন, ব্রেস্ট, লিউকেমিয়া এবং প্রস্টেট ক্যান্সারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। 

গর্ভবতী নারীদের জন্য উপকারী আম : 

আমের মধ্যে থাকা আয়রন, ভিটামিন এ, সি এবং বি৬ গর্ভবতী নারীদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এর ফলে, গর্ভাবস্থায় শারীরিক সমস্যার আশঙ্কা কমে যায় অনেকটা। 

দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটাতে : 

আমে আছে ভিটামিন-এ, যা আপনার দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটাবে। 

হৃদরোগ প্রতিরোধে : 

আমে বিদ্যমান ফাইবার, পেকটিন এবং ভিটামিন সি শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এর ফলে, হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

ত্বকের যত্নে : 

সপ্তাহে ৩-৪ বার আমের রস দিয়ে ত্বক ম্যাসাজ করলে ত্বকের পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়। এতে ত্বকের বন্ধ হয়ে যাওয়া ছিদ্রগুলিও খুলতে শুরু করে। এর ফলে স্বাভাবিকভাবেই ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি পায়। 

সূত্রঃ কালের কণ্ঠ অনলাইন

মাংসকে হার মানাবে দারুণ সুস্বাদু ‘শাহী খাট্টা বেগুন’!


খাট্টা বেগুন হয়তো অনেকেই রাঁধতে জানেন, কিন্তু রেসিপিটি একেবারেই অন্যরকম। রেসিপিটি অনুসরণ করলে আনাড়ি হাতের রান্নাও খেতে হবে ভীষণ স্বাদের! পোলাও, বিরিয়ানি বা খিচুড়ির সাথে মাংস না হলে চলেই না? আপনার সেই ধারণা বদলে দেবে সাধারণ বেগুনের অসাধারণ এই খাবারটি। তৈরি করা যায় খুব সহজে, সময়ও লাগে কম। খাট্টা বেগুন হয়তো অনেকেই রাঁধতে জানেন, কিন্তু রেসিপিটি একেবারেই অন্যরকম। রেসিপিটি অনুসরণ করলে আনাড়ি হাতের রান্নাও খেতে হবে ভীষণ স্বাদের।

রেসিপি জানাচ্ছেন সুমনা সুমি।

স্টাফিং তৈরি

  • নারিকেল মিহি কোড়ানো বা গুঁড়ো ১/৪ কাপ
  • পোস্তদানা ২ টেবিল চামচ
  • তিল ২ টেবিল চামচ
  • আস্ত জিরা ও ধনে ২ টেবিল চামচ করে


প্রনালি

  • উপরের সব উপকরণ গরম তাওয়াতে হালকা করে টেলে নিন।
  • এখন ১/৪ কাপ চিনাবাদাম হালকা আঁচে মুচমুচে করে টেলে নিন। টালা মশলার সাথে মিশিয়ে নিন।
  • সব উপকরণ গুঁড়ো করে নিন।(এই মশলা মাসব্যাপী বায়ুরোধী পাত্রে রেখে ব্যবহার করতে পারবেন)


বেগুন কেটে মশলা মেখে নিতে হবে
বেগুন রান্নায় যা লাগবে

  • ছোট বেগুন ১০-১২ টি
  • তেল ১/২ কাপ
  • পেঁয়াজ বাটা ১/২ কাপ
  • আদা-রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ করে
  • আস্ত সরিষা ও জিরা ১ চা চামচ করে
  • তেজপাতা ১টি, আস্ত শুকনো মরিচ ২টি
  • মরিচের গুঁড়ো ২ চা চামচ
  • জিরা ও হলুদের গুঁড়ো ১ চা চামচ করে
  • বানানো টালা মশলা গুঁড়ো ১/৪কাপ
  • তেতুলের ক্বাথ ২ চা চামচ
  • ধনেপাতা ২ টেবিল চামচ


প্রনালি

  • বোটার অংশ আস্ত রেখে ছুড়ি দিয়ে বেগুনগুলো্র আগার অংশ চার ভাগ করে দিন।(ছবির মত)
  • ২ টেবিল চামচ টালা গুঁড়ো মশলার সাথে ১/২ চা চামচ লবণ মিশিয়ে নিন। এখন এই মশলা বেগুনের ভেতরে কাটা অংশে ভাল করে লাগিয়ে দিন।
  • প্যানে ২ টেবিল চামচ তেল দিয়ে মশলাভরা বেগুনগুলো হালকা করে ভেজে নিন। বেগুন কিছুটা নরম হলে প্যান থেকে তুলে রাখুন।
  • একই প্যানে বাকি তেল দিন। আস্ত জিরা, সরিষা ,আস্ত শুকনো মরিচ ও তেজপাতা দিন।ফুটতে শুরু করলে পেঁয়াজ বাটা ও আদা রসুন বাটা দিন। পানি টেনে গেলে হলুদ , মরিচ ও বাকি সব গুঁড়ো মশলা দিন।
  • ১/২ কাপ পানি দিয়ে মশলা ভাল করে কশিয়ে নিন। তেঁতুল ও লবণ দিন। ২ কাপ পানি দিন। পানি ফুটতে শুরু করলে ভাজা বেগুন দিন।
  • চুলার আঁচ কমিয়ে ১০ মিনিট রাখুন। বেগুন উল্টে আরো কিছুক্ষন রেখে দিন। গ্রেভী ঘন হলে লবণ দেখুন। চাইলে তেঁতুল স্বাদমত বাড়াতে পারবেন।
  • ১/২ চা চামচ চিনি দিয়ে নেড়ে চুলা বন্ধ করে দিন। ধনেপাতা ছিটিয়ে পরিবেশন করুন।


রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ০২ জুলাই ২০১৮
প্রিয়.কম

Monday, July 2, 2018

তাওয়া ফ্রাই রূপচাঁদা


সামুদ্রিক মাছের মধ্যে রূপচাঁদার জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি। এটি দেখতে যেমন সুন্দর, স্বাদেও সেরা। আজ আমরা শিখে নেবো রূপচাঁদার একটি ব্যতিক্রম রেসিপি-

উপকরণ : বড় রূপচাঁদা ১টি, টক দই ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ বাটা ১ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ১-২ চা চামচ, আদা বাটা ১-২ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া ২ চা চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া ১-২ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া ১-৩ চা চামচ, লেবুর রস ১-২ লেবুর, চিনি ১ চা চামচ, তেল ২ টেবিল চামচ, লেমন রাইন্ড ১-২ চা চামচ, লবণ স্বাদমতো, মোটা পেঁয়াজ কুচি ১-২ কাপ, কাঁচামরিচ ৬টি।

প্রণালি : রূপচাঁদা মাছের ২ পাশ তেরছা করে ছুরি দিয়ে চিরে নিন। ১ টেবিল চামচ তেল এবং অন্যান্য সব মসলা একত্রে মাখিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। মাছে এই পেস্ট ভালো করে মাখিয়ে ১-২ ঘণ্টা মেরিনেড করুন। ননস্টিক প্যানে তেল ব্রাশ করে নিন। অল্প আঁচে মাছ এপিঠ-ওপিঠ করে ভাজুন। মাঝেমাঝে চামচে করে মাছের গায়ের রয়ে যাওয়া মসলা মাখিয়ে দিন। একটু পোড়া পোড়া হলে নামান। এই প্যানেই বাকি ১ টেবিল চামচ তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি ও মরিচ দিয়ে সামান্য ভাজুন। এক চিমটি লবণ দিয়ে নেড়ে মাছের উপরে ঢেলে দিন। ব্যাস তাওয়া ফ্রাই রূপচাঁদা পরিবেশনের জন্য তৈরি।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয়,  ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

জাগোনিউজ২৪.কম

Sunday, July 1, 2018

বাদাম দিয়ে দারুণ স্বাদের দুধ!


ক্যালসিয়ামের দারুণ এক উৎস গরুর দুধ। যাদের ল্যাকটোজ ইনটলারেন্সের সমস্যা আছে, তারা গরুর দুধ পান করতে পারেন না। ক্যালসিয়ামের জন্য তাদের অন্যান্য উৎসের ওপর নির্ভর করতে হয়। কিন্তু দুধের স্বাদটা পাবেন কী করে? সহজ সমাধান আছে। বাদাম, শস্য ও চাল থেকেই তৈরি করতে পারেন দারুণ স্বাদ ও পুষ্টির তরল দুধ। দেখে নিন বাদাম থেকে দুধ তৈরির সবচেয়ে সহজ রেসিপিটি।

উপকরণ
  • এক কাপ বাদাম (সারা রাত ভিজিয়ে পানি ঝরিয়ে নেওয়া)
  • চার থেকে ছয়টি খেজুর
  • ছয় কাপ পানি
  • পছন্দের ফ্লেভার (ভ্যানিলা, কোকো বা দারুচিনি গুঁড়ো)


প্রণালি
  •  বাদাম, পানি ও বীজ ছাড়ানো খেজুর একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন।
  •  একদম মিহি তরল না হওয়া পর্যন্ত ব্লেন্ড করুন। ১৫ থেকে ২০ সেকেন্ড লাগতে পারে।
  •  মিহি ছাঁকনি দিয়ে এই তরল ছেঁকে নিন।
  •  নিজের প্রিয় ফ্লেভার মিশিয়ে নিন।
  •  পরিষ্কার বোতলে করে ফ্রিজে রাখতে পারেন চার দিন পর্যন্ত।

এই বাদাম দুধ সাধারণ দুধের মতোই পান করতে পারেন নাশতার সঙ্গে। এ ছাড়া অন্যান্য ফলের সঙ্গে মিশিয়ে স্মুদি তৈরি করতে পারেন বা কফি তৈরিতেও ব্যবহার করতে পারেন।

টিপস
  • এই দুধ তৈরিতে ব্যবহার করতে পারেন কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, ম্যাকাডেমিয়া বাদাম, ওয়ালনাট ও মিষ্টিকুমড়ার বীজ।
  • দুধে মিষ্টতা আনতে খেজুর ব্যবহার করা হয়েছে এই রেসিপিতে। চাইলে অন্য কোনো সুইটনার ব্যবহার করতে পারেন। মধু, ম্যাপল সিরাপ বা স্টেভিয়ার মতো উপাদান ব্যবহার করা যেতে পারে।  
  • দুধ ছেঁকে নেওয়ার পর যা থাকবে, সেটাকেও কেক বা কুকি তৈরিতে ব্যবহার করতে পারেন।
  • যাদের বাদামে অ্যালার্জি আছে, তারা এই রেসিপিতে লাল চাল ব্যবহার করতে পারেন।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ২৯ জুন ২০১৮
প্রিয়.কম