Saturday, October 30, 2010

বাঁধাকপি মাংস


উপকরণ :

মাংস ২ কেজি, মরিচ গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো ১ চা-চামচ, বাঁধাকপি ১টা, জিরা গুঁড়ো আধা চা-চামচ, কাটা পেঁয়াজ ১ কাপ, লবণ আন্দাজমতো, তেল পরিমাণমতো, আদা বাটা, রসুন বাটা ২ চা-চামচ করে, গরম মসলা ৪/৫টা।

প্রণালী :

মাংস ধুয়ে পানি নিংড়ে নিন। চুলায় পাত্রে তেল দিন। তেল গরম হলে এলাচ, দারুচিনি, তেজপাতা, পেঁয়াজ কাটা ও আদা-রসুন বাটা দিন। এবার হলুদ, মরিচ, জিরা গুঁড়ো দিন। অল্প পানি দিয়ে মসলা কষান এবং মাংস দিন। ১ থেকে দেড় ঘণ্টা মাংস রান্না করুন। এবার বাঁধাকপি কুচি করে কেটে মাংসে দিন। আরও ৩৫ মিনিট থেকে ৪০ মিনিট পর্যন্ত মাংস খোলা অবস্থায় রান্না করে দমে ঢেকে রাখুন ৩০ মিনিট। এবার নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।


সিজনাল ভেজিটেবল


উপকরণ :

গাজর, শিম, বরবটি, কপি, মটরশুঁটি ১ কাপ করে, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ, কারি পাউডার, মরিচ গুঁড়ো, পাঁচফোড়ন, হিং ১ চা-চামচ করে, লবণ পরিমাণমতো, তেল আধা কাপ, ধনেপাতা ১ আঁটি, কাঁচামরিচ ৪/৫টা।

প্রণালী :

সব সবজি বড় কিউব করে কেটে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। চুলায় পাত্রে তেল দিয়ে গরম হলে পাঁচফোড়ন, পেঁয়াজ কুচি ও হিং দিন। এবার সামান্য লাল হলে মরিচ গুঁড়ো ও সব সবজি দিন। সেদ্ধ হলে ধনেপাতা, কাঁচামরিচ দিয়ে নামান।


কামরাঙার আচার


উপকরণ :

কামরাঙা ১ কেজি, পেঁয়াজ আধা কেজি, কাঁচামরিচ ৮/১০টা, লবণ পরিমাণমতো, কাসন্দ আধা কাপ, আচার মসলা গুঁড়ো ২ চা-চামচ, শুকনামরিচ কাটা ৮/১০টা, সরিষার তেল দেড় কাপ।

প্রণালী :

চুলায় পাত্র গরম হলে তেল দিন। তেল গরম হলে আস্ত ১ চা-চামচ পাঁচফোড়ন ও ক্রাস রসুন দিন আন্দাজমতো। এবার রসুন লাল হলে এবং পাঁচফোড়নগুলো ফুটে উঠলে বাকি মসলা দিন। অল্প কষিয়ে কুচি পেঁয়াজ এবং কুচি কাটা কামরাঙা দিন। ভালো করে কষিয়ে ১ দিন রাখুন। পরের দিন আবার চুলায় বসান। আবার কষিয়ে বৈয়ামজাত করুন।


কাঁচা কুলের আচার


উপকরণ :

কাঁচা কুল ১ কেজি, সরিষা বাটা ৬ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়ো ১ চা-চামচ, মরিচ গুঁড়ো ২ চা-চামচ, লবণ ৪ চা-চামচ, সিরকা আধা কাপ, ভাজা মসলা ১ চা-চামচ, পাঁচফোড়ন গুঁড়ো ২ চা-চামচ, তেজপাতা ৪/৫টা, আদা বাটা ২ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ৪ টেবিল চামচ, সরিষার তেল ২ কাপ।

প্রণালী :

কুলগুলো লবণ দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। এবার একটা পাত্র চুলায় দিয়ে গরম করুন এবং তেল দিন। তেল গরম হলে সব মসলা ও তেজপাতা দিয়ে ১০ মিনিট কষান। মাঝে মাঝে মসলা কষানোর সময় সিরকা দিন। সেদ্ধ কুলগুলো দিন। আরও ১০ মিনিট কষিয়ে নামিয়ে বৈয়ামজাত করুন।


কাঁচা আমড়ার আচার


উপকরণ :

আমড়া ২০টি, সরিষার তেল ১ কেজি, আদা বাটা ৬ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ৬ টেবিল চামচ, লবণ ২ টেবিল চামচ, চিনি আধা কাপ, কাটা শুকনামরিচ ৪/৫টি, কাটা আদা ২ টেবিল চামচ, পাঁচফোড়ন ২ চা-চামচ, মরিচ গুঁড়ো ২ চা-চামচ।

প্রণালী :

আমড়া ধুয়ে সিলকাসহ ফালি ফালি কাটুন। এবার তেল বাদে সব মসলা মেখে ১ দিন রোদে শুকিয়ে নিন। চুলায় পাত্রে তেল দিয়ে পাঁচফোড়ন দিন। ফুটে উঠলে মাখানো আমড়া দিন। ভালোমতো কষিয়ে তেলের ওপরে উঠলে নামিয়ে নিন। এবার বৈয়ামজাত করুন।


Thursday, October 21, 2010

একটু অন্যরকম স্বাদ


ভোজনরসিকদের ঘরে যে কত রকম খাবার তৈরি হয়, তা গৃহিণীরা ভালো জানেন। আজ জেনে নিন একটু ভিন্ন ৪ পদের মজাদার খাবার।

মিষ্টিকুমড়ার ডালনা

যা লাগবে

মিষ্টিকুমড়া : ১ ফালি, পেঁয়াজ বাটা : ১/২ কাপ, সরিষা বাটা : ১/২ চা চামচ, চিনি : ২ চা চামচ, তেল : ১/২ কাপ, কাঁচামরিচ : ৪-৫টা, শুকনামরিচ গুঁড়া : ১ চা চামচ।

যেভাবে তৈরি করবেন

মিষ্টিকুমড়া কিউব করে কেটে ধুয়ে নিন। চুলায় পাত্র বসিয়ে তেল দিন। তেল গরম হলে পেঁয়াজ, সরিষা বাটা ও মসলা দিন। মসলা কষিয়ে মিষ্টি কুমড়া দিন। এবার মসলাসহ মিষ্টি কুমড়া, কষিয়ে পানি দিন। সিদ্ধ হলে নামিয়ে নিন।

রুইমাছ-পটল

যা লাগবে

রুইমাছ : ৪-৫ টুকরা, পটল : ২৫০ গ্রাম, আদা-রসুন : বাটা ১ চা চামচ, মরিচের গুঁড়া : ১ চা চামচ, হলুদের গুঁড়া : ১/২ চা চামচ, লেবুর রস : ১ চা চামচ, পেঁয়াজ বাটা : ২ টেবিল চামচ, তেল : পরিমাণমতো, লবণ : পরিমাণমতো।

যেভাবে তৈরি করবেন

প্রথমে রুইমাছটাকে লেবুর রস ও হলুদের গুঁড়া দিয়ে ৫ মিনিট মেরিনেট করে রাখুন। এবার তেলে হালকা ভেজে নিন। এবার অন্য একটি পাত্রে তেল দিন। পেঁয়াজ বাটা, আদা, রসুন ও মরিচ-হলুদের গুঁড়া দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন। কষানো হয়ে গেলে তাতে পোটল দিয়ে আবার কিছুক্ষণ কষান। এবার ২ কাপ পানি দিয়ে সেদ্ধ করুন। ওপরে তেল ভেসে উঠলে ভাজা রম্নই মাছ দিয়ে দিন। রসা রসা হয়ে গেলে সামান্য জুড়িয়ে নিয়ে এরপর পরিবেশন করুন।

ডাল-মাখানি

যা লাগবে

রাজমা, মসুরির ডাল, বুটের ডাল, মুগের ডাল, ডাবলির ডাল- সব মিলিয়ে ১ কেজি। আদা-রসুন বাটা : ২ টেবিল চামচ, পাপড়িকা : ১ চা চামচ, পাঁচফোড়ন : ১ চা চামচ, সয়াবিন তেল : ১ কাপ, লবণ : পরিমাণমতো, গরমমসলা :৪-৫টা, তেজপাতা : ২-৩টা।

যেভাবে তৈরি করবেন

সব ডাল ধুয়ে ১ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। চুলায় বসানো পাত্রে তেল দিয়ে গরম হলে সব মসলা দিয়ে কষিয়ে এরপর ডাল দিন। ডাল কষিয়ে ৬ কাপ পানি দিয়ে ভালো করে সিদ্ধ করম্নন। সিদ্ধ হয়ে মাখা মাখা হয়ে গেলে পোলাও, পরোটা কিংবা সাদা ভাতের সাথে পরিবেশন করম্নন।

গরু/খাসির মাংসের ভুনা

যা লাগবে

গরুর মাংস : ৫০০ গ্রাম, আদা-রসুন বাটা : ১ চা চামচ, দারুচিনি : ৪-৫টা, এলাচ : ৩-৪টা, তেজপাতা : ২টা, জয়ত্রি ও জায়ফল : ১/২ চা চামচ, মরিচগুঁড়া : ১ চা চামচ, হলুদগুঁড়া : ১ চা চামচ, ভাজা মসলা : ১ চা চামচ, টক দই : ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কাটা : ২ টেবিল চামচ, তেল : পরিমাণমতো।

যেভাবে তৈরি করবেন

প্রথমে গরুর মাংস ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার একটি পাত্রে তেল দিয়ে মাংসটাকে কিছুৰণ ভাজুন, ভাজা হয়ে গেলে ওপরের সব উপকরণ দিয়ে মাংসটাকে কষাতে থাকুন। ওপরে তেল ভেসে উঠলে ১ কাপ পানি দিয়ে দমে রেখে দিন। এরপর ঢাকনা খুলে ভাজা মসলা দিয়ে আবার কিছুৰণ দমে রেখে দিন। এবার গরম গরম পরিবেশন করুন।

Sunday, October 17, 2010

চানাচুর


উপকরণ:
বেসন: ১ কাপ
ছোলার ডাল বাটা (পুরোপরি মিহি হবেনা): ১ কাপ
চিরা: ১ কাপ
বাদাম: এক কাপ
চিনি: এক চামচ
টেস্টিং সল্ট: ৪ চিমটি
লবন: পরিমাণ মত, লবন গুড়া করতে হবে কিছুটা
লেবুর রস: ৯/১০ চামচ
লাল মরিচের গুড়া: ৭/৮ চামচ
রসুন কুচি: ১টি
আদা কুচি: ২ চামচ
ধনে পাতা বাটা: ৩ চামচ

প্রণালী:
১. বাদাম, চিরা, লবন, ধনেপাতা, রসুন কুচি, আদাকুচি সব খুব কড়া আচে ডুবো তেলে ভাজতে হবে।

২. ডাল বাটা আর বেসন একসাথে খুব ভালোভাবে লবন আর টেস্টিং সল্ট, মরিচের গুড়া অর্ধেকটা দিয়ে মিক্সড করতে হবে। আর একটু পানি পানি রাখতে হবে।

৩. খুব কড়া আচে অনেক তেল গরম করতে হবে। তারপরে ঐ মিক্সচার তেলের মধ্যে দিয়ে খুব জোড়ে জোড়ে খালি নাড়াচাড়া করতে হবে। দেখবেন ঝুড়ি ঝুড়ি মত হয়ে গেছে।

৪. বাদাম, চিরা, লবন, ধনেপাতা, রসুন কুচি, আদাকুচি ভাজা ঐ ঝুড়ি ঝুড়ি ডালভাজার সাথে খুব ভালোভাবে মিশিয়ে তাতে মরিচের গুড়া, টেস্টিং সল্ট দেন।

হয়ে গেল মচমচে চানাচুর। এখন মুট মুট ভরে খান।