Monday, June 25, 2018

ঝাল স্বাদে রাজস্থানী ‘লাল মাংস’


ঈদে সেমাই, পায়েসের মতো মিষ্টি জাতীয় খাবার খেয়ে খেয়ে একঘেয়েমি চলে আসে। তাই ঈদের আনন্দে একটু ভিন্ন স্বাদ সকলেই খোঁজেন। একটু চোখে জল আনা ঝাল স্বাদ হলে মন্দ হয় না। আর তাই তো আজ আমরা নিয়ে এলাম সম্পূর্ণ নতুন একটি রেসিপি। রাজস্থানী ‘লাল মাংস’ যারা ঝাল পছন্দ করেন তারা এই খাবারটি দেখলেই জিভে জল আটকাতে পারবেন না। রাজস্থানী এই শাহী রেসিপিটি আসলেই জিভে জল আনার মতোই একটি খাবার। ভাত, পোলাও, খিচুড়ি, রুটি বা পরোটার সাথে খুব ভালো জমবে। আসুন তাহলে জেনে নিই রাজস্থানী ‘লাল মাংস’র রেসিপিটি।

উপকরণ:
খাসির মাংস আধা কেজি
পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ
রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ
আদা বাটা দেড় টেবিল চামচ
কাশ্মীরি লাল মরিচ গুঁড়ো ৪ চা চামচ
টক দই ১ কাপ
এলাচি দারুচিনি তেজপাতা কয়েক টুকরা
লং কয়েকটা
সরিষার তেল হাফ কাপ
লবণ স্বাদমতো
ভাজা মসলা

প্রণালি:
- প্রথমে বাটিতে তেল আর পেঁয়াজ কুচি ছাড়া উপরের সব উপকরণ দিয়ে মাংস মেখে মেরিনেট করে রাখুন ২ ঘণ্টা।

- এখন ভাজা মসলা রেডি করে নেবেন। ভাজা মসলাতে দেবেন আস্ত জিরা ১ চা চামচ, আস্ত ধনিয়া ১ চা চামচ, আস্ত জয়েত্রি ১ চা চামচ, শুকনা মরিচ টালা হাফ চা চামচ। সব উপকরণ তাওয়াতে ২০ সেকেন্ড গরম করে নিয়ে ব্লেন্ডারে গুঁড়া করে নিন।

- এখন হাঁড়িতে তেল দিয়ে এতে পেঁয়াজ কুচি দিন, লাল করে ভাজা হলে এতে মাখানো মাংস দিয়ে দিন। নাড়াচাড়া করে মাংস কষিয়ে নিন।

- এবার হাফ কাপ গরম পানি দিয়ে কম আঁচে রান্না করুন ২০ মিনিট। মাংসটা নরম হওয়া শুরু হলে ভাজা মসলার গুঁড়া দিয়ে দিন। আবারও নাড়াচাড়া করে রান্না করুন মাংস সেদ্ধ হয়ে নরম হবার আগ পর্যন্ত।

- নামিয়ে উপরে পেঁয়াজ বেরেস্তা ছিটিয়ে দিন। এই মাংস ভাত, পোলাও, রুটি কিংবা পরোটার সাথে দারুণ লাগবে।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, জুন ১৯, ২০১৮

সুস্বাদু পটলের দোলমা


আমাদের দেশে পটলের দোলমা বাঙ্গালিদের অতি পরিচিত একটা খাবার। পটল আমাদের বাসায় হরহামেশাই থাকে তা সাধারণত বিভিন্ন তরকারির সাথে মিশিয়ে খাওয়া হয় কিন্তু পটলের দোলমা এমন একটি ডিশ যেখানে পটলকেই হাইলাইট করা হয় আর স্বাদে এনে দেয় ভিন্নতা। পটলের দোলমা বানানোর রেসিপিটি চলুন জেনে নেই।

যা লাগবে রান্নায়
পটল- ৫/৬ টা (চামড়া ছাড়ানো ভিতরের বিচি ফেলে দিতে হবে), পেয়াজ কুচি- হাফ কাপ, ঢাকাই পনির/কটেজ চিজ- হাফ কাপ, কাচা মরিচ- ৩/৪ টা, গরম মশলা গুড়া- হাফ চা চামচ, হলুদ গুড়া- হাফ চা চামচ, টালা জিরার গুড়া- হাফ চা চামচ, মরিচ গুড়া- হাফ চা চামচ, ঘি- ৩ টেবিল চামচ, তেল- ভাজার জন্য পরিমাণমতো, দই- হাফ কাপ ( দই না থাকলে ঘন দুধ দেওয়া যায়), লবণ- স্বাদমতো,  গোল মরিচ গুঁড়া- সামান্য

যেভাবে রাঁধবেন
প্রথমে পুরের জন্য পনির গ্রেট করে একটু কাচা মরিচ কুচি একটু পেয়াজ কুচি একটু গরম মশলা গুড়ো দিয়ে হালকা তেল দিয়ে ভেজে নিতে হবে। এবার পটলে পনিরের পুর ভরে তেলে হালকা নেড়ে চেড়ে ভেজে নিতে হবে। এবার ঘি গরম করে পেয়াজ কুচি ব্রাউন করে ভেজে নিয়ে গরম মশলার গুড়া বাদে বাকি সব মশলা দিয়ে কষিয়ে নিতে হবে। একটু পানি দিয়ে মশলা কষিয়ে নিতে হবে। এবার পটল দিয়ে হবে। এরপর দই দিয়ে কষাতে হবে। চুলার আচ মিডিয়ামে থাকবে। মশলা ভাজা ভাজা হয়ে ঘি উপরে উঠে আসলে গরম মশলার গুড়া আর স্বাদমতো লবণ দিয়ে নেড়েচেড়ে নামিয়ে ফেলতে হবে।  

রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ২২ জুন ২০১৮

পটেটো বল


উপকরণ:

আলু ২টি বড় সেদ্ধ

বাটার ২ টেবিল চামচ

লবণ স্বাদ মতো

গোলমরিচ গুঁড়ো নিজের স্বাদ মতো

ডিম ৩টি

ময়দা পরিমাণ মতো

বিস্কিটের গুঁড়ো/ব্রেডক্রাম্ব পরিমাণ মতো

তেল ভাজার জন্য পরিমাণ মতো

প্রণালী:

প্রথমে আলু সেদ্ধ করে নিয়ে কেটে এতে বাটার, লবণ ও গোলমরিচ দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে ম্যাশ করে নিন। এরপর এতে দিন দুটি ডিমের কুসুম।

ভালো করে মেখে নিন। আপনি যদি চান তাহলে নিজের পছন্দমতো মশলা যোগ করতে পারেন স্বাদ বাড়ানোর জন্য। ভালো করে মাখানো হয়ে এলে ফ্রিজে রেখে দিন ২ ঘণ্টা। যদি তাড়াহুড়ো থাকে তাহলে ফ্রিজে রাখার বিষয়টি বাদ দিতে পারেন।

ফ্রিজ থেকে বের করে ছোট ছোট গোল অংশে ভাগ করে নিয়ে বলের মতো তৈরি করুন। বাকি ডিম ভালো করে ফেটিয়ে নিন।

এরপর ময়দায় বলগুলো গড়িয়ে ডিমে ডুবিয়ে তুলে ব্রেডক্রাম্বে গড়িয়ে উপরে কোট দিয়ে নিন। তেল গরম হলে ডুবো তেলে লালচে করে ভেজে কিচেন টিস্যুতে তুলে নিন। এবার পছন্দের সস ও মেয়োনেজ দিয়ে মজা নিন সুস্বাদু পটেটো বলের। আপনি চাইলে এতে বিভিন্ন সবজি, মাংস, চিজ ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ১৫ জুন ২০১৮

Sunday, June 24, 2018

রোষ্ট কিংবা বিরিয়ানির মশলা তৈরি করে নিন ঘরেই!


ঈদের দিনগুলো ফুরিয়ে গেলেও কেটে যায়নি ঈদের আমেজ। বরং দাওয়াত দেয়া-নেয়ার পালা চলছে এখনো, ঘরে ঘরে এখনও চলছে ভালোমন্দ রান্না করার ধুম। এমন সময়ে খুব সহজে রোষ্ট বা বিরিয়ানি রান্না করার এই মসলার রেসিপিটি কিন্তু কাজে আসবে খুব।
বাজারে রেডিমেড রোষ্ট বা বিরিয়ানি মশলা যেগুলো পাওয়া যায়, কোনটাতেই কিন্তু মেলে না মন ভোলানো স্বাদ। তাছাড়া ভেজালের উপদ্রব তো আছেই। ১০ মিনিট সময় বের করে সুমনা সুমির রেসিপিতে তৈরি করুন এই মশলাটি। একবার তৈরি করলে বেশ অনেকদিন ঘরে রাখা যাবে, রোষ্ট কিংবা বিরিয়ানি- দুটোই তৈরি করা যাবে এই এক মশলা দিয়ে।
উপকরণ
  • সবুজ এলাচ ৩ টেবিল চামচ
  • দারুচিনি ৬-৭ টুকরো
  • জিরা ২ টেবিল চামচ
  • আস্ত ধনিয়া ২ টেবিল চামচ
  • শাহী জিরা ১ টেবিল চামচ
  • সাদা গোলমরিচ ১ টেবিল চামচ
  • আস্ত কালো গোলমরিচ ১ টেবিল চামচ
  • কালো এলাচ ৩ টি
  • লবঙ্গ ১ টেবিল চামচ
  • তারা মশলা ৩-৪ টি
  • জয়ত্রি ২ চা চামচ
  • জায়ফল ১ পিস
  • পোস্তদানা ৩ টেবিল চামচ
  • শুকনো মরিচ ৪-৮ টি বা ইচ্ছেমত

প্রনালি
  • জিরা, শুকনোমরিচ ও ধনিয়া মুচমুচে করে টেলে নিন।
  • বাকি সব উপকরণ তাওয়াতে হালকা টেলে (অল্প সময়) নিন।
  • একসাথে সব মিশিয়ে গুঁড়ো করে নিন।
  • বায়ুরোধী জারে ভরে রাখুন।ফ্রিজেও রাখা যায়।
ব্যবহার প্রনালি
  • ২ টি মুরগীতে ৩ টেবিল চামচ দিন।
  • বিরিয়ানিতে ১ কেজি খাসি বা গরুর মাংসের জন্য ৩ টেবিল চামচ দিন।
রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ২১ জুন ২০১৮
প্রিয়.কম

ব্লু টি’ তৈরির রেসিপি


গ্রিন টি, ব্ল্যাক টি, রেড টির তালিকায় যুক্ত হল আরো একটি নাম ব্লু টি অর্থাৎ নীল চা। অবাক হলেন? পরিচিত নিয়মের বাইরে গিয়ে ট্রাই করতে পারেন নীল চা। একাধিক স্বাস্থ্যগুণে ভরপুর নীল চা আপনাকে রাখবে দিনভর সতেজ। শুধু তাই নয়, সঙ্গে পাবেন একাধিক হেল্থ বেনিফিট।

তাহলে আসুন জেনে নেই কীভাবে তৈরি করবেন নীল চা।

উপকরণ:
অপরাজিতা ফুল ৬-৮টা (নীল রঙের)
মধু স্বাদমতো
লেবুর রস (ইচ্ছা)
একটা খালি কাপ
এক কাপ গরম পানি।

প্রণালি:
প্রথমে গাছ থেকে তাজা অপরাজিতা ফুল ৬-৮টা (নীল রঙের ) নিন। তারপর ফুলগুলো পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে খালি রাখুন। কাপে গরম পানি ঢেলে দিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। যখন ফুলের রঙ পানিতে গুলে নীল রঙ হয়ে যাবে তখন স্বাদমতো চিনি বা মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন স্বাস্থ্যকর ব্লু টি।

যদি শুকনো ফুল দিয়ে করতে চান তাহলে চুলায় চায়ের হাঁড়ি চাপিয়ে পানি গরম করতে দিন। পানি ফুটে উঠলে শুকনো ফুল দিন পানি ফুটে ফুলের রঙ পানিতে মিশে গেলে ফুলগুলো ছেঁকে ফেলে দিন। তারপর কাপে অর্ধেক গরম পানি ঢেলে দিন আর অর্ধেক ফোটানো ফুলের পানি দিন। তারপর স্বাদমতো চিনি বা মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন স্বাস্থ্যকর ব্লু টি।


আপনি চাইলে এই টি আইস টি করেও খেতে পারেন।

ব্লু টি’র স্বাস্থ্য উপকারিতা:

নীল অপরাজিতা ফুল, ক্লিটোরিয়া টারনেটি থেকে তৈরি হয় ব্লু টি। যাকে এশিয়ান পিজিয়ন উইঙ্গস বা ব্লুবেলভাইন বলা হয়ে থাকে। মূলত এশিয়াতেই চাষ হয় এই চা। ভারতীয়রা অবশ্য নীল কড়াইশুঁটির ফুলকে অপরাজিতা ফুল হিসেবেই চেনে। কষ্টা স্বাদ ও নীল রঙের জন্য অনেকেই এই চা পছন্দ না করলেও এই চা-এর রয়েছে প্রচুর উপকারিতা।

ডিটক্স: গ্রিন টি-র মতোই ব্লু টি ভালো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ডাইইউরেটিক হওয়ার কারণে ইউরিনেশনে সাহায্য করে। আবার এর মধ্যে থাকা সাইক্লোটাইড-এর অ্যান্টি এইচআইভি, অ্যান্টি-টিউমার গুণ রয়েছে।

হজম শক্তি বাড়ায়: ব্লু টি লিভারে বাইল তৈরিতে সাহায্য করে। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণ হজমে সাহায্য করে। বমি ভাব কাটানোর কাজেও আসে ব্লু টি।

রূপচর্চা: ব্লু টি-র অ্যান্টি-গ্লাইসেটিন গুণের জন্য এটা ত্বকের পক্ষে খুব ভালো। এর মধ্যে থাকা ফ্লাভনয়েড ত্বকে কোলাজেন তৈরি করে ইলাসটিসিটি বাড়ায়। বলিরেখা পড়তে দেয় না। আবার অ্যান্থোসায়ানিন থাকায় চুল পড়ার সমস্যাতেও কাজ করে ব্লু টি। স্কাল্পে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে হেয়ার ফলিকলের বৃদ্ধি ঘটায়।

ব্রেইন বুস্টার: ব্লু টি মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। স্মৃতিশক্তি উন্নত করে। কারণ ব্লু টি মস্তিষ্কে অ্যাসিটাইলকোলিনের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে। যার অ্যান্টিপাইরেটিক গুণ জ্বর সারাতে, উত্কণ্ঠা কমাতে ও অবসাদ কাটাতে সাহায্য করে।

গ্রিন টি, ব্ল্যাক টি, রেড টির তালিকায় যুক্ত হল আরো একটি নাম ব্লু টি অর্থাৎ নীল চা। অবাক হলেন? পরিচিত নিয়মের বাইরে গিয়ে ট্রাই করতে পারেন নীল চা। একাধিক স্বাস্থ্যগুণে ভরপুর নীল চা আপনাকে রাখবে দিনভর তরতাজা। শুধু তাই নয়, সঙ্গে পাবেন একাধিক হেল্থ বেনিফিট।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ২৪ জুন ২০১৮

ভিন্ন স্বাদের চিংড়ি বিরিয়ানি


গরু, মুরগি, খাসি, ডিম দিয়ে বিরিয়ানি খুবই প্রচলিত। ভিন্ন স্বাদের চিংড়ি বিরিয়ানি একটু অপ্রচলিত কিন্তু খেতে দারুণ সুস্বাদু। ব্যতিক্রমী এ বিরিয়ানি রান্নার রেসিপিটি জেনে নিন।

রান্নায় যা লাগবে
আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, রসুন ১ টেবিল চামচ, ঘি ২ টেবিল চামচ, সরিষার তেল ২ টেবিল চামচ, তেজপাতা ১টি, নারকেলের দুধ ১ কাপ, চিনি ১ টেবিল চামচ, গুঁড়ামরিচ ১ টেবিল চামচ, দারচিনি ৪-৫ টুকরো, এলাচ, লং, দারচিনি একসঙ্গে গুঁড়া করে আধা চা-চামচ, ১ চা-চামচ গুঁড়া দুধ, ৫-৬টি কাঁচামরিচ, লবণ স্বাদমতো।

যেভাবে রান্না করবেন
প্রথমে চিংড়িগুলো একটু হলুদ, মরিচ, লবণ দিয়ে মেখে নিতে ভালোমতো ভেজে তুলে রাখতে হবে। এবার আধাকাপ তেলে আধাকাপ পেঁয়াজ ভেজে নিয়ে তাতে দুটো দারচিনি, দুটো এলাচি, তেজপাতা দিন। আরও খানিকটা ভেজে তাতে আধা টেবিল চামচ সর্ষের তেল দিতে হবে রান্নায় ঘ্রাণ আনার জন্য। এরপর একে একে রসুন, আদা, কাঁচা জিরা বাটা আধা টেবিল চামচ, ধনে পাতা বাটা ১ টেবিল চামচ দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে নেবার পর ১ কাপ নারকেলের দুধ ও ১ চা-চামচ গুঁড়াদুধ দিয়ে নাড়তে হবে। শাহি রান্নার ঘ্রাণ বের হলে তখন মরিচের গুঁড়া দিন। লাল রং চলে আসবে। রান্নায় তখন চিংড়িগুলো মসলায় দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিয়ে তুলে রাখতে হবে।

এবার দুই কাপ বাসমতি চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। পাত্রে তেল গরম করে পেঁয়াজকুঁচি ভেজে নিতে হবে বাদামি হওয়া পর্যন্ত। ওখানে দুটো তেজপাতা, একটা এলাচি, দুটো দারচিনি, পেঁয়াজবাটা, রসুনবাটা, লবণ ও আদাবাটা দিয়ে নাড়তে হবে। এবার চালটা দিন। চালে পানি দেয়ার আগে ভালো করে ভাজা হলে পাত্রে লেগে যাবে না। ভাজা হলে ১ কাপ দুধ, ৪ কাপ পানি দিতে হবে। পানিটা শুকিয়ে আসার আগেই চিংড়িগুলো দিয়ে দিতে হবে এবং তিন টেবিল চামচ ঘি ছড়িয়ে দিয়ে রান্নাটা নামিয়ে নিন।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ১৯ জুন ২০১৮

পাকা কলার কাস্টার্ড


উপকরণ:

ডিমের কুসুম ২টি

চিনি আধা কাপ

কাস্টার্ড পাউডার ২ টেবিল চামচ

কাস্টার্ড সস

দুধ (হালকা গরম) আধা লিটার

পাকা সাগর কলা ২টি।

প্রণালী: ডিমের কুসুম ও চিনি এক সঙ্গে মেশাতে হবে।

এরপর সিকি কাপ দুধে কাস্টার্ড পাউডার গুলিয়ে নিয়ে ডিমের কুসুম মিশিয়ে নিন।

পরে দুধ হালকা আঁচে চুলায় বসিয়ে নাড়তে থাকুন।

কাস্টার্ড সস ফুটে ঘন হলে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে ফ্রিজে রেখে দিন।

পাকা কলা টুকরা করে ঠাণ্ডা কাস্টার্ড সস দিয়ে পরিবেশন করা যায়।

ইচ্ছে করলে কেক, রসগোল্লা ইত্যাদি মিলিয়ে পরিবেশন করা যায়।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ১৫ জুন ২০১৮