Sunday, September 18, 2011

ম্যাকারনি উইথ চিকেন ভেজিটেবল


উপকরণ: ম্যাকারনি সেদ্ধ দুই কাপ, মুরগির কিমা সেদ্ধ আধাকাপ, বরবটিকুচি আধাকাপ, গাজর কুচি আধাকাপ, ক্যাপসিকাম কুচি করা আধাকাপ, পেঁয়াজের কলি আধাকাপ, মাশরুম আধাকাপ, অলিভ অয়েল, টমেটো সস।

প্রণালি: অলিভ অয়েল দিয়ে মুরগির কিমা ও মাশরুম ভাজুন, সব সবজি মিশিয়ে টমেটো সস দিন, নেড়ে মিলিয়ে ম্যাকারনি মিলিয়ে নিন। গরম গরম পরিবেশন করুন।


ইশিতা (ইতালি থেকে)

পাঠকের পাঠানো

দইয়ের গুণাবলী


ডেজার্ট কিংবা নর্মাল খাবার হিসেবে দইয়ের তুলনা নেই। চলুন জেনে নেই দইয়ের গুনাগুণ।

▶ দইয়ের ল্যাক্টোব্যাসিলাস ব্যাক্টেরিয়া কোলনের ব্যাকটেরিয়াগুলোকে উদ্দীপিত করে ফলে পেট পরিষ্কার থাকে।
▶ দইয়ের ব্যাক্টেরিয়া শরীরে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স গ্রহণ করতে সাহায্য করে। ভিটামিন বি১২ রক্তকোষের গঠনে সাহায্য করে। দই ‘এ’ ভিটামিন তৈরিতে সাহায্য করে।
▶ দইয়ের উপাদান ভাল ব্যাক্টেরিয়াকে উদ্দীপিত করে। তাই অ্যান্টিবায়োটিক খেলে ডায়েটে দই রাখুন।
▶ দইয়ে প্রথম শ্রেণীর প্রোটিন রয়েছে। তাই দইতে পাওয়া যায় অত্যাবশ্যক অ্যামিনো অ্যাসিড। দুধের প্রোটিন থেকে দইয়ের প্রোটিন সহজে হজম হয়। খাওয়ার ১ ঘন্টা পর দুধের মাত্র ৩২% যেখানে হজম হয়, সেখানে দইয়ের ৯০% হজম হয়।
▶ রক্তে কোলেস্টরেল কমাতে সাহায্য করে।
▶ ডায়রিয়া ও কনস্টিপেশনের সমস্যা কমায়।
▶ ঘুমের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।
▶ প্রতিদিন কিছুটা দই খেলে জন্ডিস, হেপাটাইটিস প্রতিরোধ করা যায়।

প্রতি ১০০ গ্রাম দইয়ে : ক্যালসিয়াম- ১৫০ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ- ১০২ আইইউ, প্রোটিন- ৩ গ্রাম, ফ্যাট- ৪ গ্রাম, ময়েশ্চার- ৯০ গ্রাম, ক্যালরি ভ্যালু- ৬০ কিলো ক্যালরি।


সফেদায় কী পাওয়া যাবে


সফেদায় কী পাওয়া যাবে

▶ সম্পূর্ণ ফ্যাটমুক্ত একটি ফল সফেদা। মিষ্টি যাদের পছন্দ তারা সফেদা ট্রাই করতে পারেন। ক্যালরি বাড়ার সম্ভাবনাও কম আর খেতেও সুস্বাদু।

▶ সফেদায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামন এ এবং সি রয়েছে।

▶ নিয়মিত সফেদা খেলে ওরাল ক্যান্সার প্রতিরোধ ও দাঁত ভালো থাকে।

▶ পাকা সফেদায় পেতে পারেন পটাশিয়াম, কপার, আয়রন, ফোলেট, নিয়াসিন ও পান্টোনিক অ্যাসিড, যা মেটাবলিক ফাংশন ভালো রাখে।

▶ কস্টিপেশনের সমস্যা দূর করতে যে ফাইবার কাজ করে তা আছে সফেদায়।

▶ ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ সফেদা ক্যান্সার রোধ করে।

▶ ঘন ঘন ঠাণ্ডা লাগার সমস্যা কমায়

▶ ত্বকে বয়সের ছাপ দূর করে

▶ কিছু কিছু ক্যান্সার প্রতিরোধ করে

▶ শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করে

▶ ফুসফুসের কার্যকলাপ ভালো রাখে

▶ সফেদার বীজের নির্যাস কিডনি সারাতে সাহায্য করে

▶ সফেদার বীজের পেস্ট পোকা-মাকড় কামড়ালে তার ব্যথা কমায়।

▶ সফেদা হজমে সাহায্য করে

▶ অর্ধেক পাকা সফেদার পানি ফুটিয়ে কাথ বের করে ব্যবহার করলে তা ডায়রিয়া দূর করতে ব্যবহার করা যায়।

কীভাবে সার্ভ করবেনঃ
_____________________

সফেদা ও অরেঞ্জ জুস একসঙ্গে ব্লেন্ড করে ডেজার্ট সস তৈরি করতে পারেন।

▶আইসক্রিম, মিল্ক শেকে এবং ইয়োগার্ট সফেদা ব্যবহার করতে পারেন

▶ সফেদা ঠাণ্ডা অবস্থায় সার্ভ করতে পারেন

সফেদা স্টোরেজ টিপস
________________________

পাকা সফেদা ফ্রিজে ৩-৪ দিন পর্যন্ত রাখতে পারেন।

০০ আধপাকা সফেদা রুম টেম্বারাচরে কয়েক দিন রাখতে পারেন।

জেনে রাখুন

০০ ১০০ গ্রাম সফেদায় আছে ৮৩ ক্যালরি, ৩.৯ গ্রাম মিনারেল, ৫.৬ গ্রাম ফাইবার, প্রথম গ্রাম কার্বোহাইড্রেট এবং ১৪.৭ গ্রাম ভিটামিন

০০ সফেদা গাছের ছাল ও পাতা সমান উপকারী। গবেষণায় প্রমাণিত সফেদার পাতা ঠাণ্ডা লাগা কমাতে সাহায্য করে।



কাজূ বাদামের সালাদ


উপকরণ ঃ

কাজূ বাদাম = ১ কাপ
লেটূশ পাতা = ১ কাপ ( কুচি করে কাটা )
টোম্যাটো = ১/২ কাপ ( কুচি করে কাটা )
পনির = ১/২ কাপ ( কুরিয়ে নেয়া )

ড্রেসিং এর জন্য ঃ

মেয়োণেজ = ১ কাপ
ভিনেগার = ১/৪ কাপ
ভাজা সরিষা গুঁড়া/মাস্টার্ড সস= ২ চা চামচ
চিনি = ১ চা চামচ
পেয়াজ = ১ টি
রসুন = ২ কোয়া
লবণ , গোল মরিচের গুঁড়া = পরিমাণ মতো
( সালাদ তেল থাকলে দিতে পারেন )

প্রস্তুত প্রণালী ঃ

ড্রেসিং এর উপকরণ গুলো একসাথে নিয়ে ব্লেণ্ড করুন ।
কাজূ বাদাম,লেটূশ পাতা কুচি,টোম্যাটো ও পনির একসাথে সালাদ এর মতো করে মেখে নিন ।এর ওপরে আগে থেকে করে রাখা সালাদ ড্রেসিং টা ঢেলে দিন ।একটু নেড়েচেড়ে নিয়ে পরিবেশন করুন ।

( এই রেসিপি তে ইচ্ছে করলে সেদ্ধ মুরগির মাংস , চিংড়ি মাছ কিংবা আপনার পছন্দমতো সবজী যোগ করে নিতে পারেন )


ইশিতা (ইতালি থেকে)

পাঠকের পাঠানো


চিকেন এ্যান্ড এগ ফ্রাইড রাইস


উপকরণ:-
পোলাওর চাল দেড় কাপ, গাজর আধা কাপ, ওলকপি বা পেঁপে আধা কাপ, পেঁয়াজ আধা কাপ, পেঁয়াজকলি আধা কাপ, মোরগের মাংস আধা কাপ, ডিম ২টি, গোলমরিচ গুঁড়ো আধা চা চামচ, টেস্টিং সল্ট আধা চা চামচ, সয়াসস ১ চা চামচ, সয়াবিন তেল আধা কাপ এবং লবণ স্বাদ অনুযায়ী।( আপনি মটরশুঁটি সহ ইচ্ছে মতো যে কোনও সবজি নিতে পারেন )

প্রণালী:-
ভাত ঝরঝরে করে রান্না করুন। বাতাসে ছড়িয়ে রাখুন। গাজর, ওলকপি, পেঁয়াজকলি বড় মতো সাইজে টুকরো করুন। গাজর ওলকপি আদা সেদ্ধ করুন। মাংস ছোট স্লাইস করে কাটুন। একটা ডিশে মাংস এবং সবজি সাজিয়ে রাখুন। মাংস, সবজি এবং ভাতের ওপর লবণ, গোলমরিচ, টেস্টিং সল্ট ছিটিয়ে দিন। ডিমে লবণ এবং গোলমরিচ দিয়ে ফেটুন। হাঁড়ি বা কড়াইয়ে তেল গরম করুন। তেলে মাংস দিয়ে ৫/৬ মিনিট ভাজুন। গাজর ও ওলকপি দিয়ে ৪-৫ মিনিট ভাজুন। ডিম দিয়ে অল্প আঁচে রাখুন। পেঁয়াজ দিয়ে ১ মিনিট ভেজে ভাত দিন এবং নাড়তে থাকুন। ৭-৮ মিনিট ভাজুন। সয়াসস দিন। পেঁয়াজ ও পেঁয়াজকলি দিয়ে রাইস ৫ মিনিট ভেজে নামিয়ে নিন। ফ্রাইড রাইস শুধুমাত্র চিংড়ি, ডিম, বড় মাছ বা মোরগের মাংস দিয়েও রান্না করা যায়। বর্ষাকালে চালকুমড়া, পেঁপে, বরবটি দেয়া যায়।


Saturday, September 17, 2011

রান্না ঘরে সময় বাঁচান


মেয়েদের জীবন কাটে রান্না ঘরে। এই কথাটার কিন্তু যথেষ্ট যুক্তি আছে। কারণ রান্না খাওয়ার ঝামেলা নিয়ে সারাটা দিন তাদের হাড়ির পেছনে থাকতে হয়। তাই অন্যদিকে নজর দেয়ার সময় হয় না। তবে একটু বুদ্ধি খাটিয়ে কাজ করলে অনেকটা সময় বাঁচিয়ে নেয়া যায়। সেই বুদ্ধিটা জেনে নিন এবার-

* পুরো সপ্তাহের বাজার একবারে করে স্টক করুন। মাছ, মাংস প্রয়োজন মতো দুই/একদিন পর পর কিনুন।

* বাড়িতে টিনজাত খাদ্য রাখুন। প্রক্রিয়াজাত বা ফ্রোজেন খাদ্য রাখুন যা প্রয়োজনে চট করে রান্না করা যাবে।

* স্টক করুন আচার, চাটনি, মেয়নিজ ও নানা রকম সস। এগুলো খাবারের স্বাদ বাড়ায়।

* এক কাজের সাথে অন্য কাজ মিশিয়ে করলে অনেক সময় বাঁচে। যেমন- মাংস বা এমন কিছু সেদ্ধ হওয়ার সময় আপনি অন্য কিছু কাজ সেরে ফেলতে পারেন।

* আগের দিন কোন কাজ একটু বেশি করে রাখলে পরের দিন আর করতে হয় না। যেমন- সবজি কাটার সময় একটু বেশি করে কেটে ফ্রিজে রাখুন। বেশি পরিমাণে জল কিংবা আলু সেদ্ধ করে রাখুন।

* বিকেলের নাস্তার জন্য সকালের ময়দা, আটা মেখে রাখুন। তাহলে আর বাড়তি সময় লাগবে না।

* চা, চিনি, ডাল নানারকম মসলা-পাতি টান্সপারেন্ট জার অথবা লেবেল দিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে রাখুন। তাহলে খুঁজতে সময় নষ্ট হবে না।

* তেল, ঘি কিংবা আচার, যেখানে রাখবেন সেখানে প্লাস্টিক বা গ্রিজপ্রুফ পেপার সিট বিছিয়ে নিন। তাহলে প্রত্যেকবার তেল ঘি মুছতে সময় নষ্ট হবে না।

* হাতের কাছে একটা কাঁচি রাখুন। প্যাকেট খোলার দরকার ছাড়াও ধনেপাতা, কারিপাতা চট করে কেটে নেয়া যাবে।

* যখন ডিম সিদ্ধ করবেন তখন তার সাথে কিছু আলু সিদ্ধ করে নিন। পরে তরকারিতে ব্যবহার করতে পারবেন।

জেনে নিন

* ডিম সিদ্ধ করার সময় পানিতে একটু লবণ দিয়ে নিন। সেদ্ধ হলে গরম পানি থেকে তুলে সরাসরি ঠান্ডা পানিতে ফেলুন, খোসা ছাড়ানো সহজ হবে।

* রসুনের খোসা অল্প সময়ে ছাড়াতে চাইলে হালকা গরম পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন।

* মিক্সারে মশলা একটু বেশি পেস্ট করে ফ্রিজে রেখে ব্যবহার করুন।

* রাইস কুকার, প্রেসার কুকার প্রভৃতি ব্যবহারে অনেক সময় সাশ্রয় হয়।

* ছুড়ি, বটি ইত্যাদি নির্দিষ্ট জায়গায় রাখুন।

* রসুনের খোসা ছাড়ানো সময়ের ব্যাপার এবং কষ্টকরও। ঈষদুষ্ণ পানিতে কিছুক্ষণ কোয়াগুলো ভিজিয়ে রাখুন। খোসা ছাড়ানো সহজ হয়ে যাবে।

* চায়ের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম একটি ট্রেতে সাজিয়ে রাখুন। যেমন—চায়ের পট, ছাঁকনি, চিনি কিংবা গুঁড়া দুধের পট, চামচ ইত্যাদি সাজিয়ে রাখুন। তা হলে প্রত্যেকবার চা বানানোর জন্য একেকটা জিনিস খুঁজতে গিয়ে সময় চলে যাবে না।

* যেখানে তেল, ঘি কিংবা আচার, কাসুন্দি রাখবেন, সেখানে প্লাস্টিক বা গ্রিজগ্রুফ পেপারের শিট

* কিচেনের একটি নির্দিষ্ট জায়গায় একটা কাঁচি রেখে দেবেন। এতে করে প্যাকেট খোলার দরকার ছাড়াও ধনেপাতা, কারিপাতা, পার্সেল অথবা কাঁচা মরিচের মতো টুকটাক কিছু কুঁচিয়ে নেওয়ার দরকারে কাজে লাগবে।

*দুধ আঁচে চাপাবার আগে যেকোনো মেটাল ফানেল উল্টো দিক করে প্যানে রেখে দিন। এতে করে দুধ উতলে পড়ে যাবে না। ঠায় নজর রাখার বদলে ওই সময়ে অন্য কাজ সেরে নিতে পারবেন।

* গরম পানিতে ডাল ছাড়ার আগে ডালে একটু তেল মাখিয়ে নিন, তা হলে আর উতলে পড়ে যাবে না। কাজেই তখন নজর রাখতে বসে থাকার বদলে অন্য কাজ সারার সময় পাবেন।

* বাড়িতে আচার, চাটনি, সস, মেয়নিজ বা কাসুন্দির মতো জিনিস স্টকে রাখুন। চটজলদি পরিবেশন করে খাবারের স্বাদ বাড়িয়ে দিতে পারেন।


টেস্টিং সল্ট স্নায়ুবিষ


খাবার মুখরোচক বা মজাদার করার কাজে স্বাদ লবণ বা টেস্টিং সল্ট নামের একটি রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয়। এটি ব্যাপক পরিমাণে ব্যবহার করলে স্নায়ুতন্ত্রের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে। বিজ্ঞানীরা একে স্নায়ুবিষ বলে থাকেন।

বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা নতুন একটি অসুখ আবিষ্কার করেছে। এর নাম চাইনিজ রেস্টুরেন্ট সিনড্রোম। অসুখে আক্রান্ত ব্যক্তিদের খাবারে অরুচি হয়, তাদের মনোযোগ দেয়ার ক্ষমতা কমে যায়। গভীর মনোযোগের কাজ করতে গেলে স্নায়ুর ওপর প্রচণ্ড চাপ পড়ে। টেস্টিং সল্ট খেয়ে স্নায়ুর ক্ষতি হচ্ছে। তাই গভীর মনোযোগের কাজ করা আর স্নায়ুর পক্ষে সম্ভব হয় না। অন্যদিকে স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মেজাজ খিটমিটে হয়ে যায়। তার ঘুম কম হয়।

যারা ঘন ঘন চাইনিজ রেস্টুরেন্টে খেতে যায় তাদের মধ্যে এ অসুখের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। এর জন্য দায়ী সোডিয়াম গ্লুকোমেট বা মনোসোডিয়াম গ্লুকোমেট নামের রাসায়নিক উপাদান, যা চাইনিজ রান্নায় প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত হয়। তবে এর ব্যবহার কেবল চাইনিজ খাবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। বরং আজকাল ফাস্ট ফুডের দোকানগুলোতে প্রচুর পরিমাণ টেস্টিং সল্ট ব্যবহৃত হচ্ছে।

কোনো খাবারে টেস্টিং সল্ট আছে কিনা তা খাবার মুখে দিয়েই বোঝা সম্ভব। কোনো খাবারে ঝাঁঝালো নোনা স্বাদ পাওয়া গেলে বুঝতে হবে তাতে টেস্টিং সল্ট আছে। আজকাল বাজারে যেসব কথিত পটেটো চিপস বিক্রি হয় তাতে মাত্রাতিরিক্ত টেস্টিং সল্ট ব্যবহার করা হয়। ব্যবহৃত হয় চিকেন ফ্রাই থেকে শুরু করে নানা খাদ্যে।
এভাবে খাদ্যদ্রব্যে বিশেষ করে বাজারে যেসব খাবার বিক্রি হয় তাতে টেস্টিং সল্ট ব্যবহারে প্রচুর লাভবান হচ্ছে দোকানদার বা বিক্রেতারা। এসবের মধ্যে অনেক খাবার শিশু-কিশোরদের কাছে খুবই লোভনীয়। তারা সুযোগ পেলেই এসব খাবার খায়। ফলে তাদের স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
নিয়মিত টেস্টিং সল্ট ব্যবহার করা হলে বমিভাব, মাথাব্যথা, অনিন্দ্রা, খাবারে অরুচি, স্মৃতিশক্তি হ্রাস, দেহের অংশবিশেষের কাঁপুনি, বুকে চাপ অনুভব করা, কোনো কারণ ছাড়া দুর্বল লাগা, হাতের তালু বা পায়ের তালুতে জ্বালা অনুভব করা, গলায় একইভাবে জ্বালা অনুভব করার লক্ষণ দেখা দিতে পারে। সবচেয়ে মারাত্মক ব্যাপার হলো শেষ পর্যন্ত পার্কিনসন্স বা আলঝেইমারের মতো মারাত্মক অসুখ হতে পারে। এসব মারাত্মক অসুখের কোনো ভালো ওষুধ আজও বের হয়নি।

টেস্টিং সল্টের ব্যাপক ব্যবহারের হাত থেকে বাঁচার জন্য প্রথমেই যেসব খাবারে এজাতীয় রাসায়নিক উপাদান ব্যবহৃত হয় তার ব্যবহার সীমিত করতে হবে। অর্থাত্ কেনা খাবারের ব্যবহার কমাতে হবে। তবে সীমিত মাত্রায় খাদ্যে টেস্টিং সল্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। কিন্তু সেটাও হতে হবে অনিয়মিত। সীমিত মাত্রায় নিয়মিত যদি টেস্টিং সল্ট ব্যবহার করা হয় তবে তাতেও ক্ষতি হবে। টেস্টিং সল্ট ব্যবহার বন্ধ করে দিলে জমে থাকা এই স্নায়ুবিষ শরীর ধীরে ধীরে বের করে দেয়ার সুযোগ পায়। তাই যারা এখনও সোডিয়াম গ্লুকোমেট বা মনোসোডিয়াম গ্লুকোমেট ব্যবহার করছেন তারা এর ব্যবহার আজ থেকেই বন্ধ করে দিন।