Wednesday, June 6, 2012

গোসতের দম বিরিয়ানি


উপকরণ: খাসির মাংস ১ কিলোগ্রাম (২ ইঞ্চি টুকরো করে কেটে নিন), বাসমতি চাল ২ কাপ, আদা ৪ টুকরা, রসুন কোয়া ২০টা, দই ২ কাপ, কাঁচা মরিচ কুচি ২টা, মরিচ গুঁড়া ২ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, লবণ স্বাদমতো, পেঁয়াজ ৪টি (কুচি করে ভেজে নিন), লবঙ্গ ৬টা, দারুচিনি ১ টুকরা, কাঁচা এলাচ ৫টি, শুকনো এলাচ ১টি, গোলমরিচ ১০টি, শাহি জিরা পাউডার আধা চা চামচ, এলাচ গুঁড়া আধা চা চামচ, গরম মসলা ২ চা চামচ, ধনেপাতা কুচি ১ কাপ, পুদিনা পাতা কুচি আধা কাপ, অলিভ অয়েল ৫ টেবিল চামচ, জাফরান দেওয়া দুধ ২ চা চামচ, গোলাপ জল ১ চা চামচ।

যেভাবে তৈরি করবেন
১. অর্ধেক আদা ও রসুন ভালো করে মিশিয়ে নিন। কিছু আদা স্লাইস করে কাটুন।
২. খাসির মাংসের সঙ্গে দই, আদা, রসুন, কাঁচা মরিচ, মরিচ গুঁড়া, হলুদ গুঁড়া, লবণ, পেঁয়াজ কুচি ভাজা, লেটুসপাতা মিশিয়ে নিন।
৩. লবঙ্গ, দারুচিনি, কাঁচা ও শুকনো এলাচ, গোল মরিচ, লবণ পাতলা রুমালে বেঁধে রাখুন।
৪. কড়াইয়ে ৫ কাপ পানি দিয়ে রুমালে বাঁধা মসলা দিন। এরপর লবণ, শাহি জিরা পাউডার এবং চাল দিয়ে আধা সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।
৫. ঢাকনা খুলে অর্ধেক চাল উঠিয়ে মাঝখানে গর্ত করে মেরিনেড করা মাংস দিয়ে বাকি চাল দিয়ে ঢেকে দিন।
৬. আধা ঘণ্টা পর নামিয়ে পরিবেশন করুন।

Tuesday, June 5, 2012

আচার সংরক্ষণের উপায়


* সিরকা ও সোডিয়াম বেনজয়েট দিলে আচার দীর্ঘদিন ভালো থাকে।

* পানি ব্যবহার করলে আচার তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়।

* হাত দিয়ে আচার নাড়বেন না, চামচ ব্যবহার করুন। আচার বয়াম থেকে নেওয়ার সময় খেয়াল রাখতে হবে, চামচে যেন পানি না থাকে।

* কাচের বয়ামে আচার ভালো থাকে।

* মাঝেমধ্যে আচার রোদে দিলে ভালো থাকে।

* তেলে আচার ডুবিয়ে রাখলে আচারে ফাঙ্গাস পড়ে না।

* আচারে তেল কম হলে তেল ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করে দিলে গন্ধ হয় না।

* চুনের পানি, ফিটকিরিতে আম ভিজিয়ে রাখলে আচার খুলে যায় না।

কাঁঠালের কাবাব


উপকরণ: কাঁঠাল টুকরা করা ২ কাপ, পেঁয়াজ ৪টা, ছোলার ডাল আধা কাপ, আস্ত জিরা ১ চা-চামচ, আদাকুচি ১ টেবিল চামচ, আস্ত শুকনা মরিচ ৮টা, রসুন কুচি ১ টেবিল চামচ, টোস্ট বিস্কুটের গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, ডিম ২টা, কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবিল চামচ, কাবাব মসলা ১ চা-চামচ, এলাচ, দারুচিনি, তেজপাতা ৩টি করে। ভাজার জন্য তেল ও লবণ পরিমাণমতো দিতে হবে।

প্রণালি: কাঁচা কাঁঠাল কেটে সামান্য হলুদ দিয়ে পানিতে ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখতে হবে। ডিম, কাবাব মসলা, টোস্টের গুঁড়া, কর্নফ্লাওয়ার ও তেল বাদে বাকি সব উপকরণ পরিমাণমতো পানি দিয়ে সেদ্ধ করে নিতে হবে। গরম গরম পাটায় বেটে নিতে হবে। এবার বাকি উপকরণগুলো দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে কাবাবের খামির তৈরি করতে হবে। যদি খামির বেশি নরম হয়, তবে আরও একটু বিস্কুটের গুঁড়া দিয়ে মাখিয়ে নিতে হবে। সব শেষে কাবাবের আকার করে ডুবো তেলে ভেজে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে কাঁচা কাঁঠালের কাবাব।

Monday, June 4, 2012

কাঁঠালের ভর্তা


উপকরণ: কাঁচা কাঁঠাল বাটা ১ কাপ, পেঁয়াজের কুচি আধা কাপ, সরিষাবাটা আধা কাপ, আদাবাটা আধা চা-চামচ, সরিষার তেল পরিমাণমতো, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ৩-৪টা, হলুদগুঁড়া সিকি চা-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, মরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ, চিনি ১ চিমটি, লেবুর রস ১ চা-চামচ ও লেবুর খোসা কুচি করা ১ চা-চামচ।

প্রণালি: কাঁঠাল সেদ্ধ করে বেটে নিতে হবে। পাত্রে তেল দিয়ে পেঁয়াজ বাদামি করে ভাজুন, এতে সব বাটা ও গুঁড়া মসলা দিয়ে কষিয়ে কাঁঠাল বাটা দিয়ে নাড়তে হবে। মসলার সঙ্গে ভালোভাবে মিশে গেলে সরিষাবাটা ও কাঁচা মরিচ দিয়ে নাড়তে হবে। প্রয়োজনে হাত-ছিটা পানি দেওয়া যেতে পারে। নাড়তে নাড়তে যখন ভর্তা গোল হয়ে আসবে, তখন চিনি, লেবুর রস ও লেবুর খোসা কুচি দিয়ে দুই মিনিট চুলায় রেখে নামাতে হবে। গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করতে হবে।

Sunday, June 3, 2012

কাঁঠালের কোপ্তা কারি


উপকরণ: ক. কাঁঠালবাটা ২ কাপ, পাউরুটি ২ টুকরা, আদা বাটা ১ চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, ডিম ১টা, জিরা গুঁড়া ১ চা-চামচ, পেঁয়াজ বেরেস্তা ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, গরম মসলা গুঁড়া আধা চা-চামচ, কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবিল চামচ।

প্রণালি: ওপরের সব উপকরণ একসঙ্গে মাখিয়ে গোল কোপ্তা বানিয়ে হালকা বাদামি করে ভেজে তুলতে হবে।

উপকরণ: খ. তেল এক কাপের একটু কম, আদাবাটা ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজবাটা ৪ টেবিল চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, পেঁয়াজ বেরেস্তা আধাকাপ, ধনেবাটা এক চা-চামচ, টক দই ৪ টেবিল চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, টমেটোর সস ২ টেবিল চামচ, এলাচি-দারচিনি ৩-৪ চা-চামচ, দুধ ১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ, ঘি ১ চা-চামচ।

প্রণালি: পাত্রে তেল গরম হলে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ২-৩ মিনিট ভাজার পর সব মসলা একে একে দিয়ে ভুনতে হবে। দুধ ও অল্প পানি দিয়ে ঝোল দিতে হবে। ফুটে উঠলে কোপ্তাগুলো দিয়ে মাঝারি আঁচে দমে রাখতে হবে। ঝোল মাখা হলে ঘি ও বেরেস্তা দিয়ে পাঁচ মিনিট দমে রেখে নামিয়ে পরিবেশন।

Saturday, June 2, 2012

পাটিসাপটা

উপকরণ: পাটিসাপটা
পোলাউয়ের চালের গুঁড়ো ১ কাপ, ময়দা ২ টেবিল চামচ, ডিম ১টি, কর্নফ্লাওয়ার ১ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ বাটা ১ চা চামচ, ধনেপাতা বাটা ১ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, আদা বাটা ১ চা চামচ, পানি পরিমাণমতো।
যেভাবে তৈরি করবেন
সব উপকরণ মিশিয়ে পরিমাণমতো পানি দিয়ে পাটিসাপটার গোলা তৈরি করুন।

উপকরণ : পুর
ইলিশ মাছের টুকরা ৬টি, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, কাঁচামরিচ কুচি ১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়ো একচিমটি, সরিষা বাটা ২ চা চামচ, লবণ স্বাদমতো, সরিষার তেল ১ টেবিল চামচ।

যেভাবে তৈরি করবেন
১. সামান্য হলুদ, লবণ ও পানি দিয়ে মাছ সিদ্ধ করে কাঁটা বেছে নিন।
২. কড়াইয়ে সরিষার তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি দিন।
৩. এরপর সরিষা বাটা দিয়ে কষিয়ে মাছ, কাঁচামরিচ কুচি ও একটু লবণ দিয়ে ভাজা ভাজা করে নামান।
৪. কড়াইয়ে সরিষার তেল ব্রাশ করে পরিমাণমতো পাটিসাপটার গোলা দিয়ে হাতল ঘুরিয়ে ছড়িয়ে এক মিনিট ঢেকে দিন।
৫. এবার প্রয়োজনমতো পুর দিয়ে পিঠা রোল করে চুলা থেকে নামান।
৬. ধনেপাতার চাটনির সঙ্গে পরিবেশন করুন।

Friday, June 1, 2012

ডাবের পানি


রেহানা ফেরদৌসী মিলি
পুষ্টিবিদ, সিনিয়র প্রভাষক, কোডা
চেম্বার : শমরিতা হাসপাতাল, ঢাকা
ডাবের পানিকে বলা হয় প্রাকৃতিক জুস। ডাবের পানিতে অল্প ক্যালরি ছাড়া ভিটামিন (সি, বি১, বি২, বি৩), মিনারেলস (পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ক্লোরাইড, ফসফরাস) আছে। এ ছাড়া আছে কার্বোহাইড্রেট, সুগার, আঁশ ও সামান্য পরিমাণ প্রোটিন।

কেন পান করবেন
*পানিশূন্যতা দূর করে।
*বমি বা বমিভাব নিয়ন্ত্রণ করে।
*জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে (প্যারাসাইট, ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ফাঙ্গাস দূর করে)।
*রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
*যথেষ্ট পরিমাণে ইলেকট্রোলাইটিস থাকায় রক্তে অক্সিজেন ও তরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
*অ্যান্টিবায়োটিক, ফ্রি-র‌্যাডিক্যাল, টক্সনি ফ্ল্যাশ আউট করে।
*হজম ভালো হয় এবং অকালবার্ধক্য দূর করে।
*ওজন কমায়, হৃদরোগের ঝুঁকি ও রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। রক্তে এইচএলডি বাড়ায়।
কখন খেলে উপকার
*খাওয়ার আগে ও পরে পান করুন। যাঁদের অ্যালার্জি, তীব্র গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা, তাঁরা খালি পেটে পান করবেন না।
*পরিশ্রমের পর, শরীরে ঘাম হলে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। তখন ডাবের পানি পান করা ভালো।
*যাঁরা চিবিয়ে ফল খেতে পারেন না এবং রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা কম, তাঁদের জন্য ডাবের পানি জরুরি।