Saturday, June 2, 2018

ইফতারিতে সাগুর পায়েস


ইফতারিতে মিষ্টি খাবার সবাই পছন্দ করে। আর সেই মিষ্টি আইটেম পায়েসের হয় তাহলে তো কোনো কথাই নেই। আজ আপনাদের জন্য নিয়ে হাজির হলাম স্বাস্থ্যসম্মত একটি পায়েসের রেসিপি। যার নাম সাগুর পায়েস। চলুন দেখি কীভাবে বানাবেন সাগুর পায়েস।

উপকরণ

(১) সাগু এক কাপ

(২) তরল দুধ দুই কাপ

(৩) গুঁড়া দুধ দুই টেবিল চামচ

(৪) চিনি এক কাপের তিনভাগের দুইভাগ

(৫) এলাচ গুঁড়া কোয়াটার চা চামচ

(৬) জাফরান এক চিমটি

(৭) বাদাম কুচি ও কিসমিস সাজানোর জন্য

প্রস্তুত প্রণালি

সাগু ভিজিয়ে রেখে পানি ঝড়িয়ে নিন। চুলায় একটি পাত্র বসিয়ে তাতে পানি দিয়ে সাগু জ্বাল করে নিন। এবার সাগুর মধ্যে তরল দুধ দিয়ে মিশিয়ে নিন। এখন গুঁড়া দুধ ও জাফরান দিয়ে নাড়তে থাকুন। দুধে বলক এলে চিনি দিয়ে দিন। মিশ্রণটি যখন ঘন হয়ে আসবে তখন এলাচ গুঁড়া দিয়ে নামিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে সাগুর পায়েস। বাদাম কুচি ও কিসমিস দিয়ে সাজিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন। 

রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ২৩ মে ২০১৮

মুলার স্বাদে মসুরের ডাল চচ্চড়ি


সুস্বাদু হলেও গন্ধের কারণে মুলা খেতে চান না অনেকেই। রান্না করতে গেলেও উৎকট একটা গন্ধ ছড়ায়। বিষয়টি মাথায় রেখে আজ থাকছে এমন একটি রেসিপি, যাতে মুলার গন্ধ থাকবে না একটুও। যাদের সবজি খেতে একেবারেই ভালো লাগে না, তারাও এই মজার ডাল আগ্রহ করে খেতে পারেন।

রেসিপিটি রান্না করতে সময় লাগবে মিনিট বিশেক। আর উপাদান লাগবে তিন থেকে চারটি। গরম ভাত বা রুটির সঙ্গে দারুণ লাগবে খেতে।

যা লাগবে
দুটি মুলা মিহি কুচি করে নেওয়া
আধা কাপ মসুরের ডাল
আন্দাজ অনুযায়ী হলুদ, কাঁচামরিচ, ধনে পাতা ও লবণ
আধা চা চামচ রসুন কুচি 
এক টেবিল চামচ পেঁয়াজ কুচি 
আধা চা চামচ ধনে ও মরিচ গুঁড়ো 
বাগাড় দেওয়ার জন্য ঘি ও তেল 

প্রণালি
-কড়াইতে সামান্য তেল দিয়ে মুলা কুচি দিয়ে দিন।
-সমস্ত গুঁড়া মসলা দিয়ে মুলা ভালো করে কষিয়ে নিন। ডাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে মুলার মাঝে দিয়ে দিন।
- একটু ভেজে নিয়ে মাখা মাখা আন্দাজে পানি দিন। রান্না হতে দিন।
- ডাল ফুটে উঠলে ভালো করে নেড়ে দিন, ঘুটবেন না।
- কড়াইতে ঘি গরম করুন, ঘিয়ের মাঝে কাঁচা মরিচ ফালি ও রসুন-পেঁয়াজ কুচি দিয়ে দিন। লাল করে ভাজা হলে সম্পূর্ণ মিশ্রণ ডালের মাঝে দিয়ে বাগাড় দিন।
- ভালো করে মিশিয়ে নিন। মাখা মাখা হলে ধনেপাতা দিয়ে চুলো নিভিয়ে দিন।

পরিবেশন করুন গরম গরম।


রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

ক্রিসপি চিকেন ফ্রাই তৈরির রেসিপি


ইফতারে ভাজাপোড়ার পদ থাকেই। কিন্তু বাইরে থেকে কিনে আনা সেসব খাবার মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়। তাই যতটা সম্ভব চেষ্টা করুন ঘরেই ইফতার তৈরি করার। আজ রইলো ঘরে বসে ক্রিসপি চিকেন ফ্রাই তৈরির রেসিপি-

উপকরণ: ৮ টুকরো চামড়া সহ মুরগি (লেগ/ড্রামস্টিক/ব্রেস্ট/উইংস), ১ কাপ ময়দা, আধা চা চামচ গোল মরিচ গুঁড়ো, আধা চা চামচ আদা বাটা, আধা চা চামচ পেঁয়াজ বাটা, লবণ পরিমাণমতো, আধা চা চামচ মরিচ গুঁড়ো, আধা চা চামচ পাপরিকা পাউডার, ১ টি ডিম, আধা কাপ তরল দুধ, ১ কাপ ব্রেডক্রাম।

প্রণালি: প্রথমে একটি পাত্রে ডিম ও দুধ একসাথে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এতে সামান্য লবণ, আদা বাটা, পেঁয়াজ বাটা দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে মুরগির টুকরোগুলো ১০-১৫ মিনিট মাখিয়ে রাখুন। একটি পাত্রে ময়দা নিয়ে সব গুঁড়ো মসলা দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এতেও সামান্য লবণ দিয়ে দিন। খুব ভালো করে মিশিয়ে নিন। মুরগির টুকরোগুলো একে একে ডিমের মিশ্রণ থেকে তুলে ময়দার মিশ্রণে দিয়ে ভালো করে ওপরে কোট করে নিন। এরপর আবার বেঁচে যাওয়া ডিমের মিশ্রণে চুবিয়ে হালকা করে ময়দায় গড়িয়ে নিয়ে ব্রেডক্রামে গড়িয়ে নিন ভালো করে। একটি বড় কড়াইয়ে ডুবো তেলে ভাজার জন্য তেল গরম করে মাঝারি আঁচে লালচে করে ভেজে তুলুন। একটি কিচেন পেপারের উপর রাখবেন। এতে অতিরিক্ত তেল ঝরে যাবে।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ২১ মে ২০১৮
জাগোনিউজ২৪.কম

Friday, June 1, 2018

ইফতারিতে কাঁচকলার চপ


ইফতারে একটু তেলেভাজা কিছু না হলে কি চলে? তবে সেই ভাজাপোড়াটি যেন পেটের জন্য বিরাম না হয়ে ওঠে। স্বাস্থ্যকর এমন একটি রেসিপির কথা বলছি আজ। বানিয়ে দেখতে পারেন কাঁচকলা দিয়ে চপ। সারা দিন রোজা রাখার পর এই চপ আপনার শরীরে আয়রন এবং প্রোটিনের চাহিদা মেটাবে। খেতেও খুবই সুস্বাদু।

উপকরণ

কাঁচকলা দুটি, মসুর ডাল আধা কাপ, হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ, মরিচ গুঁড়া এক চা চামচ, আদা বাটা এক চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি একটা, ধনেপাতা আধা কাপ, চিনি সামান্য, লবণ স্বাদমতো, তেল ভাজার জন্য।

প্রণালি

মসুর ডাল এক ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে পেস্ট করে নিন। কাঁচকলা সিদ্ধ করে নিন। এবার কাঁচকলা ছিলে ভেতরের অংশটার সঙ্গে মসুর ডালের পেস্ট এবং তেল বাদে সব উপকরণ দিয়ে মেখে নিন। এবার সেটি তেলে গরম করুন। তারপর ডিম্বাকৃতি করে সেটি তেল ডুবো তেলে ভেজে নিন।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, মে ৩০, ২০১৮

মচমচে বেগুনি তৈরির রেসিপি


বাড়িতে বেগুনি তৈরি করলে অনেকক্ষেত্রেই তা মচমচে হয় না। আর তাই মচমচে বেগুনি খেতে অনেকেই বাইরে থেকে কিনে আনেন। যা মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়। রেসেপি জানা থাকলে আপনিও তৈরি করতে পারেন সুস্বাদু মচমচে বেগুনি। রইলো রেসিপি-

উপকরণ: লম্বা বেগুন- অর্ধেক করে কাটা (যতটা বানাবেন পাতলা করে পিস দিন), ছোলার ডালের বেসন- ১ কাপ, ময়দা- ১ টেবিল চামচ, ধনে গুঁড়া- ১/২ চা চামচ, জিরা বাটা- ১/৩ চা চামচ, আদা বাটা- ১/২ চা চামচ, রসুন বাটা- ১/২ চা চামচ, বেকিং পাউডার- ১/৪ চা চামচ, কর্ণ ফ্লাওয়ার- ১/২ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া- ১/২ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া- ১/২ চা চামচ, লবণ- পরিমাণমতো, পানি- পরিমাণমতো, ডিম- ১ টা, তেল- ভাজার জন্য পরিমাণমতো।

প্রণালি: বেগুনি তৈরির ১ ঘণ্টা আগে বেসনের মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। প্রথমে বাটিতে বেসন নিয়ে বেগুন, পানি, ডিম ও তেল ছাড়া সব উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এবার পরিমাণমতো পানি দিয়ে মিশ্রণটি থকথকে করে মিশিয়ে নিন। এবার মিশ্রণে ডিম ভেঙে দিন। মিশ্রণটি ১ ঘণ্টা রেখে দিন।১ ঘণ্টা পর এবার কাটা বেগুনগুলো ধুয়ে লম্বাভাবে পাতলা করে কেটে সামান্য লবণ, চিনি, হলুদ আর মরিচের গুঁড়া মেখে ১০-১৫ মিনিট রেখে দিন। এবার ভাজার জন্য কড়াইতে তেল গরম করুন। তারপর পাতলা করে কেটে রাখা বেগুন বেসনের মিশ্রণে ভালোভাবে চুবিয়ে ডুবো তেলে বাদামি করে ভাজুন। হয়ে গেল ইফতারির মজাদার আইটেম মচমচে বেগুনি।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ১৯ মে ২০১৮
জাগোনিউজ২৪.কম

ঈদ আয়োজনে সালাদের পরিবর্তে রাখুন টক-মিষ্টি স্বাদের রায়তা


পোলাও বা বিরিয়ানির সাথে অবশ্যই যে খাবারটি রাখা হয় তা হলো সালাদ। এই সালাদের পরিবর্তে রাখতে পারেন রায়তা। টক-ঝাল-মিষ্টি খাবারটি মুখে অন্যরকম স্বাদ দেয়ার পাশাপাশি হজমেও সহায়তা করবে। পোলাও, বিরিয়ানি কিংবা রুটি সবকিছুর সাথে রায়তা খেতে পারেন। রায়তা তৈরি করা খুব একটা কঠিন নয়। সহজেই এই খাবারটি তৈরি করতে পারেন। রায়তার রেসিপিটি জেনে নেয়া যাক তাহলে।  

উপকরণ:

২টি বড় শসা

২ কাপ টকদই

৩/৪ চা চামচ জিরা গুঁড়ো

১/৪ চা চামচ ধনিয়া গুঁড়ো

১/৪ চা চামচ মরিচ গুঁড়ো

১টি লেবুর রস

লবণ

গোল মরিচের গুঁড়ো

১/৪ কাপ পুদিনা পাতা কুচি

প্রণালী:

১। প্রথমে শসা ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিন। এবার এটি অর্ধেক করে তার ভিতর থেকে সব বীচি ফেলে দিন। পেপার টাওয়ালে শসা কুচি রেখে চিপে শসার পানি ফেলে দিন।

২।  একটি পাত্রে টকদই, জিরা, ধনিয়া, মরিচ, লেবুর রস, লবণ এবং গোল মরিচ দিয়ে ভালো করে মেশান।

৩। এরপর এতে শসা কুচি দিয়ে দিন। শসা কুচি ভালো করে মেশান।

৪। পুদিনা পাতা কুচি দিয়ে সবগুলো উপাদান একসাথে মেশান।

৫। ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ফ্রিজে কয়েক ঘন্টার জন্য রেখে দিন। এতে সবকিছু উপাদান মিশিয়ে অন্যরকম স্বাদ দেবে।

৬। বিরিয়ানি কিংবা পোলাও-এর সাথে পরিবেশন করুন ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা রায়তা।

টিপস:

রায়তা সাথে সাথে তৈরি করে পরিবেশন করবেন না। এতে রায়তার স্বাদ পাওয়া যাবে না। আপনি চাইলে এতে সামান্য চিনি, ডালিম মেশাতে পারেন।


রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ২৬ জুন ২০১৭
প্রিয়.কম

ইফতারে মজাদার ডাবের পুডিং


সারাদিন রোজা রাখার পর এই গরমে আপনাকে স্বস্তি দেবে মজাদার ডাবের পুডিং। খুব সহজ এই রেসিপিটা এবার বানিয়েই ফেলুন।

উপকরণ

একটা শ্বাসসহ ডাব, এক টেবিল চামচ চিনি, ৫ গ্রাম চায়না গ্রাস।

প্রণালী

প্রথমে ডাবের শ্বাসগুলো পছন্দমতো আকারে কেটে নিন। তারপর যে পাত্রে পুডিং জমাবেন শ্বাসগুলো তার ওপর ছড়িয়ে দিন। চায়না গ্রাস ১০ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। একটি পাত্রে ২ কাপ ডাবের পানি নিয়ে তার মধ্যে এক টেবিল চামচ চিনি এবং চায়না গ্রাস দিয়ে পাত্রটা চুলায় দিন। চুলার আঁচ মাঝারি রেখে অনবরত নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না চায়না গ্রাসটা পানির সঙ্গে পুরোপুরি মিশে যায়। এবার নামিয়ে গরম থাকতেই পুডিংয়ের যে পাত্রে ডাবের শ্বাস রেখেছিলেন তার মধ্যে ঢেলে দিন। ঢাকনা দিয়ে এক ঘণ্টা ঢেকে রাখুন। এ সময়ে এটা জমে যাবে। জমে গেলে এটাকে দুই ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন দারুণ স্বাদের ডাবের পুডিং।  

রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ২৭ মে ২০১৮