Thursday, June 7, 2018

রোজায় আনারস কেন খাবেন?


সোনালী রঙের দেখতে হওয়ায় আনারসকে বলা হয়ে থাকে স্বর্ণকুমারী। সুস্বাদু এই ফলটির রয়েছে নানা স্বাস্থ্য উপকারিতা। আনারস ভিটামিন এ, বি ও সি এর একটি উৎকৃষ্ট উৎস।

এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, পটাসিয়াম, ব্রোমেলেইন, বিটা-ক্যারোটিন, মিনারেল, শর্করা, ফাইবার, আয়রন, প্রোটিন ও সহজপাচ্য ফ্যাট খুবই অল্প পরিমাণে। এছাড়া প্রতি কেজি আনারস থেকে প্রায় ৫০০ ক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়।

সারা দিন রোজার শেষে ইফতারে যখন ক্লান্তি ভর করে, তখন আনারস আপনাকে ফিরিয়ে দিবে এনার্জি। আনারস খেতে পারেন জুস করে কিংবা সালাদে।

আসুন জেনে নেই রোজায় কেন আনারস খাবেন?

ভিটামিন সি

আনারসে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি বিদ্যমান থাকায় এবং এতে ফ্যাট-এর পরিমাণ একেবারেই কম হওয়ায় এই ফল ওজন কমাতে সহায়ক। এটি রুচিবর্ধক ফল। তাই, মুখে রুচি না পেলে আনারস খান।

দেহের হাড় ও মাড়ি

দেহের হাড় এবং মাড়িকে মজবুত রাখতে আনারসের জুড়ি নেই। কারণ এতে প্রচুর ক্যালসিয়াম, মিনারেলস, ম্যাংগানিজ ও ভিটামিন থাকে। মুখের ভেতরের জীবাণুর আক্রমণ রোধ করে।

ত্বকের জন্য

আনারস ত্বকের জন্য অনেক উপকারী। আনারস দেহের চামড়া কুচকে যাওয়া প্রতিরোধ করে থাকে ভিটামিন সি এর মাধ্যমে। এছাড়া আনারস ত্বকের অতিরিক্ত তেল কাটিয়ে ব্রণের ঝামেলা থেকেও রেহাই দেয়।

চুল পড়া

আনারসে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন, মিনারেল ও আয়রন রয়েছে। তাই আনারস খেলে চুল পড়া কমে যায়।

পেট ফাঁপা বা বদহজম

পেট ফাঁপা বা বদহজম হলে কয়েক টুকরো আনারস, লবণ ও গোল মরিচে মেখে খেয়ে নিন। খেতেও দারুণ লাগবে আর পেটের সমস্যাও দূর হয়ে যাবে।

জ্বর ও শরীর ব্যথায়

জ্বর কিংবা শরীর ব্যথায় আনারস অনেক উপাদেয়। কারণ আনারসে এক প্রকার প্রদাহনাশক এনজাইম রয়েছে। সেই সাথে ভিটামিন সি তো আছেই।

সূত্রঃ যুগান্তর

নারিকেলের ‍দুধ দিয়ে মুরগি


সেহরিতে একটু স্বাদ বদল ভালোই লাগে। প্রচলিত দেশী স্টাইলের মুরগি তো আমরা সবাইই খাই। আজ মুরগির একটি ভিন্ন এবং মজাদার রেসিপি জেনে নেবো আমরা। নারিকেলের দুধ দিয়ে মুরগি মাংস রান্না হলে সেটা সাধারণত ভুনাই করা হয়। আজ রইলো একদম অল্প মশলায় নারিকেল দুধ দিয়ে মুরগির রেসিপি। খেতে অনন্য আর রাঁধতেও সোজা।

রান্নায় যা লাগবে
মুরগি- ১ কেজি, তেল- ১/২ কাপ, পেঁয়াজ বাটা- ১/২ কাপ, কাঁচা মরিচ কুচি - ৪/৫ টি, আদা বাটা- ১ চা চামচ, রসুন বাটা- ১ চা চামচ, জিরা বাটা- ১ চা চামচ, এলাচ- ৩/৪ টি, দারচিনি- ৩/৪ টি, নারিকেলের দুধ- ১ কাপ, গোলমরিচ গুঁড়ো- ১/২ চা চামচ, শুকনা মরিচ গুঁড়ো- ১ চা চামচ।

যেভাবে রান্না করবেন
প্রথমে মাংসের টুকরোগুলো লবণ মাখিয়ে হালকা সোনালি করে ভেজে নিন। তারপর কড়াইতে তেল গরম করে দারচিনি ও এলাচের ফোঁড়ন দিতে হবে। তারপর পেঁয়াজ দিয়ে একটু ভেজে নিন। তার মধ্যে একে একে সব মসলা দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিতে হবে। মসলা কষানো হলে অল্প পানি দিয়ে আবার একটু কষিয়ে নিতে হবে। কষানো হয়ে গেলে নারিকেলের দুধ দিয়ে ভালো করে নেড়ে ভাজা মাংস দিয়ে, সামান্য পানি দিয়ে অল্প আাঁচে রেখে দিতে হবে। গ্রেভি ফুটে একটু ঘন হয়ে এলে সামান্য নেড়ে নামিয়ে নিতে হবে। এরপর সাজিয়ে গরম গরম পরিবেশন করতে হবে।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ০৪ জুন ২০১৮

ঈদে অতিথি আপ্যায়নে মাটন রোগান জোশ


রেস্টুরেন্ট স্বাদের পারফেক্ট মাটন রোগান জোশ। পোলাওয়ের সাথে মুরগি, গরু মাংসের পাশাপাশি অনেক বাসায় খাসির মাংস রান্না করেন। এই ঈদেও তার ব্যতিক্রম হবে না নিশ্চিয়। তবে খাসির মাংসটি একটু ভিন্নভাবে রান্না করতে পারেন। সাধারণত রেস্টুরেন্টে এই খাবারটি দেখা পাওয়া যায়। এইবার ঈদে আপনি নিজে তৈরি করে নিন মাটন রোগান জোশ। ঝাল  ঝাল এই খাবারটি সবাই পছন্দ করবে।

উপকরণ:

৫০০ গ্রাম খাসির মাংস

১ টেবিল চামচ মৌরি গুঁড়ো

৩-৪ টেবিল চামচ আদা গুঁড়ো বা আদার পেস্ট

১ বা ১/২ টেবিল চামচ কাশ্মিরি মরিচ গুঁড়ো

১ চিমটি জাফরান

১/২ চা চামচ জিরা

২টি জয়ত্রি

৬টি এলাচ

৪টি দারুচিনি

৪টি কালো এলাচ

লবণ

১/২ চা চামচ হিং

২ টেবিল চামচ ঘি

১/৪ চা চামচ হলুদের গুঁড়ো (ইচ্ছা)

তেল

প্রণালী:

১। একটি পাত্রে হিং, কাশ্মিরি লাল মরিচ, আদা গুঁড়ো, মৌরির গুঁড়ো এবং পানি একসাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন।

২। কালো এলাচ, সবুজ এলাচ, দারুচিনি, জয়ফল, জিরা ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে গুঁড়ো করে নিন।

৩। চুলায় প্যান গরম হয়ে এলে এতে ঘি দিয়ে দিন। এতে এলাচ, মাংসের টুকরো দিয়ে অল্প আঁচে রান্না করুন। বাদামী রং হয়ে এলে এতে পেস্ট করা মিশ্রণ দিয়ে দিন।

৪। এরপর এতে জাফরান, পানি, লবণ দিয়ে ঢাকনা দিয়ে এক-দেড় ঘন্টা রান্না করুন।

৫। ৪৫ মিনিট পর মাংসের উপর তেলে ভেসে উঠলে গুঁড়ো করা মশলা দিয়ে নাড়ুন।

৬।  তারপর আরো ৩০ মিনিট রান্না করুন।  

৭। ৩০ মিনিট পর তৈরি হয়ে যাবে মাটন রোগান জোশ। পোলাওয়ের সাথে পরিবেশন করুন গরম গরম।



রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ২৫ জুন ২০১৭
প্রিয়.কম

গরম গরম পরোটার সাথে হোটেলের নিরামিষ তরকারি!


গরম রুটি-পরোটার সাথে এই সবজি অত্যন্ত মুখরোচক।হোটেলের, বিশেষ করে পুরানো ও ঐতিহ্যবাহী হোটেলগুলোর নিরামিষ তরকারির ফ্যান কিন্তু আমরা সকলেই, তাই না? সবরকম সবজি মিশিয়ে দারুণ সুস্বাদু এই খাবারটি বাড়িতে যতই রান্না করা হোক না কেন, কিছুতেই যেন ঠিক সেই হোটেলের স্বাদ আসে না! কেন জানেন? কারণ এটারওআছে কিছু সিক্রেট উপাদান!

চলুন, আজ তাহলে জেনে নিই হোটেলের নিরামিষ তরকারি রান্না করার সেই সিক্রেট রেসিপিটি। গরম গরম পরোটার সাথে এই নিরামিষ সবজি আর এক কাপ চা... আহ, সকালটাকে মিষ্টি করতে আর কি চাই? রেসিপি জানাচ্ছেন রন্ধনশিল্পী সায়মা সুলতানা।

যা যা লাগবে
মিষ্টি কুমড়া টুকরা হাফ কাপ
আলু টুকরা হাফ কাপ
বেগুন টুকরা হাফ কাপ
পেঁপে টুকরা হাফ কাপ
পালংশাক হাফ কাপ
পাঁচফোড়ন ৩ চা চামচ
আদা ছেঁচা দেড় টেবিল চামচ
দুধ হাফ কাপ
ঘি ২ চা চামচ
তেল ২ টেবিল চামচ
শুকনা মরিচ কয়েকটা
লবণ স্বাদমত

প্রণালি
-প্রথমে হাঁড়িতে তেল দিয়ে তেল হালকা গরম হলেই এতে পাঁচফোড়ন দিয়ে দিন।
-৫ সেকেন্ড পর ১ টেবিল চামচ আদা ছেঁচা দিন। এর কারণ হল পাঁচফোড়ন তেলে বেশি রাখলেই তিতা হয়ে যায়। সাথে শুকনা মরিচ যোগ করুন।
-এবার মিষ্টি কুমড়া, আলু টুকরা দিয়ে নাড়াচাড়া রান্না করুন ১০ থেকে ১২ মিনিট ।এখন এতে বেগুন টুকরা, পেঁপে টুকরা , পালংশাক, বাকি আদা ছেঁচা,দুধ আর লবণ স্বাদমত দিয়ে মিডিয়াম আঁচে ঢাকনা লাগিয়ে রান্না করুন আরও ১০ মিনিট।
-নামানোর আগে উপরে ঘি ছিটিয়ে দিন। সামান্য জিরার ফাঁকি, কাঁচা মরিচ, ধনিয়া পাতা ইত্যাদিও দিতে পারেন।

পরোটা , রুটি কিংবা ভাতের সাথে পরিবেশন করুন


রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৭

Wednesday, June 6, 2018

‘বড় বাপের পোলায় খায়, ঠোঙা ভইরা লইয়া যায়’


ইফতার নিয়ে পুরোনো ঢাকার মানুষদের নিয়ে এমনিতেই অনেক সুনাম ও গাল-গল্প রয়েছে। আর পুরান ঢাকার চকবাজারের কথা তো নতুন করে কিছু বলার নাই। তবে রমজান মাসে চকবাজারে ইফতার কিনতে গেলে যে কথাটি সবচেয়ে বেশি শোনা যায়, ‘বড় বাপের পোলায় খায়, ঠোঙা ভইরা লইয়া যায়।’

রকমারি ইফতার বাজারের জনপ্রিয় আইটেম আর খানদানি ইফতারি মানেই পুরান ঢাকার ইফতার সামগ্রী। মোগল আমলের ঐতিহ্যের ছাপ ও ছোঁয়ার এসব ইফতারি কালক্রমে সব এলাকায় ছড়িয়ে পড়লেও এই আইটেমটির মর্যাদা ওই এলাকাতেই।

অনেকেই আছেন যারা চকবাজারের ইফতারের কথা বিশেষ করে বড় বাপের পোলায় খায়, এর কথা শুনে থাকলেও দূরত্ব, রাস্তা ও যানজটের কথা চিন্তা করে মন থেকে বাদ দিয়ে দেন। কিন্তু, অনেক ভোজন রসিক আছেন যারা একবার হলেও চেখে দেখতে চান এই ‘বড় বাপের পোলায় খায়, ঠোঙা ভইরা লইয়া যায়’ ইফতার। আমাদের আজকের আয়োজন তাদের জন্যই।

আসুন তাহলে আজ আমরা জেনে নেই কি কি দিয়ে তৈরি করা হয় পুরান ঢাকার চকবাজারের ঐতিহ্য ‘বড় বাপের পোলায় খায়, ঠোঙা ভইরা লইয়া যায়’—


বড় বাপের পোলায় খায়’। ঐতিহ্যবাহী এই পদটি তৈরিতে ডিম, গরুর মগজ, আলু, ঘি, কাঁচা ও শুকনো মরিচ, মুরগি-কবুতর-কোয়েল, খাসির মাংস, গরুর কলিজা, মুরগির মাংসের কুচি, মুরগির গিলা কলিজা, সুতি কাবাব, মাংসের কিমা, চিড়া, ডাবলি, বুটের ডাল, মিষ্টি কুমড়াসহ ১৫ পদের খাবার আইটেম ও ১৬ ধরনের মসলা প্রয়োজন। আর মোট ৩১টি পদের যে মিশ্রণ তৈরি হয়, তার নামই ‘বড় বাপের পোলায় খায়’।

মশলার মাঝে থাকে, পেঁয়াজ কুঁচি, পেঁয়াজ বেরেস্তা, ধনে পাতা, পুদিনা পাতা, আদা কুঁচি, ভাজা ধনে গুঁড়া, ভাজা জিরা গুঁড়া, ঘি, বাদাম, সরিষার তেল, টমেটো, কাঁচা মরিচ, শশা, গরম মসলা ভাজা গুঁড়া করা, লবণ শুকনা মরিচ, তেজপাতা ভাজা গুঁড়া।

ঘ্রাণের জন্য উপকরণ: (যদি ইচ্ছা হয় তাহলে ঘ্রাণের জন্য মাখানোর সময় এই মসলাগুলো সব ভেঁজে গুঁড়ো করে অল্প পরিমাণে মিশিয়ে নিতে হবে) এলাচি, দারুচিনি, লবঙ্গ, গোলমরিচ, মেথি, জায়ফল, জয়ত্রী, রাঁধুনি, জৈন, মৌরী।

বর্তমানে মূল্য প্রতিকেজি ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা পর্যন্ত। তবে চকবাজারের সব দোকানিরা আবার শুধুমাত্র তারাই ‘আসল’ ‘বড় বাপের পোলায় খায়’ বিক্রি করছেন এমনটি দাবি করে কেজিপ্রতি দাম হাঁকান ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা।

সূত্রঃ পরিবর্তন

ডিমের কাঠি রোল বানানোর রেসিপি


ডিমের কাঠি রোল একটি ভারতীয় খাবারের আইটেম। পরোটার মধ্যে ডিমের পুর দিয়ে এই রোলটা তৈরি করা হয়। কাঠি ব্যবহার করা হয় আকৃতি বজায় রাখতে ও রোলটা জোড়া দিতে। খাবারটি খেতে হয় খুব মজাদার আর সুস্বাদু। আজ জেনে নেবো কীভাবে বানাতে হয় ডিমের কাঠি রোল।

বানাতে যা লাগবে
পরোটার ডো তৈরির জন্য লাগবে- ময়দা ১ কাপ, তেল ২ টেবিল চামচ, লবণ- স্বাদমতো পুর বানানোর জন্য যা লাগবে- পেঁয়াজ কুচি, গাজর কুচি, বাধাকপি কুচি, কাঁচামরিচ কুচি- পরিমাণমতো

ডিম: ৩ টি, বিটলবণ, চাটমশলা, ধনেগুঁড়া, গোলমরিচের গুঁড়া- স্বাদমতো, তেঁতুলের সস অথবা মেয়নেজ- পরিমাণমতো।

যেভাবে বানাবেন
প্রথমেই উপরের সব উপকরণ একসাথে মিশিয়ে ডো তৈরি করুন। এরপর ভেজা কাপড় দিয়ে ১৫ মিনিট ঢেকে রাখুন। এরপর ১৫ মিনিট পর পরটা বেলে নিন, এক্ষেত্রে রুটি বেলার সময় আটা ব্যবহার করা যাবে না। তেল দিয়েই রুটি বেলতে হবে ।

এখন একটি তাওয়া বা প্যানে পরটা গুলোকে অল্প সেঁকে  নিতে হবে , তেল দেয়া যাবে না । এরপর ঐ প্যানেই সামান্য তেল দিয়ে ডিম ছেড়ে দিন। ৩ টি ডিম অল্প পরিমাণ লবণ দিয়ে ফেটে নিতে হবে। প্রতিটি পরটার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণে ডিমের মিশ্রণ ঢালতে হবে। (সব একবারে ঢালা যাবে না) তার উপরে সেই অল্প ছেকে নেয়া পরটা দিয়ে দুপৃষ্ঠে হালকা লাল করে ভেজে নিন ।
এখন তেলে পেয়াজ কুচি, গাজর কুচি, বাধাকপি কুচি, সামান্য কাঁচামরিচ কুচি দিয়ে নেড়ে  একে একে বিটলবন, চাট মশলা, ধনিয়া গুরা, গোলমরিচের গুড়া দিয়ে চার-পাঁচ মিনিট নেড়ে নামিয়ে ফেলুন। এই সবজিটা একটু ক্রাঞ্চি হবে। বেশি সেদ্ধ করবেন না ।

এরপর সেই ডিম যুক্ত পরটার মাঝে সবজি দিন, তেতুলের সস দিন ( অথবা পরিবর্তে মেয়নেজও দেয়া যায়) টমেটো সস দিয়ে মুরিয়ে রোল করুন। এবার টুথপিকের সাহায্যে আটকে দিন। তৈরি হয়ে গেলো মজাদার ডিমের কাঠি রোল। গরম গরম পরিবেশন করুন ইফতারে।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ০৪ জুন ২০১৮

সেহেরিতে আনারসী মুরগি


রমজান মাস বা অন্য যেকোনো সময় হোক না কেন, খাবার টেবিলে মাংস কিন্তু সবাই পছন্দ করে। তাই আজকের আয়োজনে আপনাদের জন্য থাকছে আনারসী মুরগি। তো চলুন দেখে নেই, আনারসী মুরগি কীভাবে রান্না করবেন।   

উপকরণ

(১) মুরগির বুকের মাংস দুই কাপ

(২) টুকরা করা ছোট আনারস একটা

(৩) পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ

(৪) আদা-রসুন বাটা এক চা চামচ

(৫) গোটা জিরা কোয়াটার চা চামচ

(৬) গরম মসলা গুঁড়া আধা চা চামচ

(৭) টুকরা করা টমেটো একটা

(৮) মরিচ গুঁড়া দুই চা চামচ

(৯) হলুদ গুঁড়া এক চা চামচ

(১০) কাঁচামরিচ তিন-চারটা

(১১) লবণ স্বাদমতো

প্রস্তুত প্রণালি

চুলায় একটি প্যান বসিয়ে তেল গরম করে এতে জিরা দিন। এবার এতে পেঁয়াজ দিয়ে বাদামি করে ভেজে নিন। পেঁয়াজ বাদামি হলে এতে আদা-রসুন বাটা ও অল্প পানি দিয়ে নাড়তে থাকুন। এবার এতে টমেটো, হলুদ, মরিচের গুঁড়া ও লবণ দিয়ে দিন। একটু পরে মুরগির মাংস দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। এবার পানি দিয়ে ১০-১৫ মিনিট রান্না করুন। মাংস সিদ্ধ হলে এতে আনারসের টুকরা ও কাঁচামরিচ দিয়ে আরো পাঁচ মিনিট রান্না করুন। নামানোর আগে গরম মসলা গুঁড়া দিয়ে দিন। এরপর ভাত বা রুটির সাথে পরিবেশন করুন। 

রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ২২ মে ২০১৮