Wednesday, June 6, 2018

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় কিসমিস


আঙ্গুর রোদে শোকানো হলে সেটাই কিসমিস হয়। সাধারণত বিভিন্ন মিষ্টি জাতীয় খাবার তৈরিতে এটি ব্যবহার করা হয়। অনেকেরই হয়তো জানা নেই, কিসমিস একটি স্বাস্থ্যগুণ সম্পন্ন খাবার। এমনকী কিসমিস ভেজানো পানিও শরীরের পক্ষে বিশেষ উপকারী। 

কিসমিস পাকস্থলীর জন্য ভালো। এটা সহজেই হজম হয় এবং শরীরে থাকা ব্যাটরিয়াকে দমন করতে সাহায্য করে। কিসমিসে প্রচুর পরিমাণে আঁশ থাকে যা হজমশক্তি বাড়ায়। এ কারণে এটি কোষ্টকাঠিন্য কিংবা ডায়রিয়ার প্রতিষেধক হিসেবে দারুন সহায়ক। 

কিসমিসে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ,ভিটামিন সি থাকে। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সংক্রমণ সারাতে সহায়তা করে। 

কিসমিস ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস। যা হাড় সুরক্ষায় সহায়তা করে। 

খাদ্যতালিকায় যদি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার থাকে তাহলে তা ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। কিসমিসে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শুধু ক্যান্সারের সেলই ধ্বংস করে না বরং নানা ভাবে ক্যান্সারের প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। 

আমেরিকান কলেজ অফ কার্ডিওলজি'র তথ্য অনুসারে, কিসমিস রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে হৃৎপিণ্ড ভালো রাখে। এতে থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। কোলেস্টেরলর কমাতেও সাহায্য করে কিসমিস। 

প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট থাকায় কিসমিস শক্তি উৎপাদনেরও ভালো উৎস। 

ঠান্ডা, কাশি কিংবা জ্বর সারাতেও কিসমিস বেশ কার্যকরী। 

গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে,কিসমিস ভেজানো পান খেলে শরীরে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। যার ফলে রক্ত পরিশোধিত হতে শুরু করে। এটি পেট পরিষ্কার রাখতে বিশেষভাবে সাহায্য করে। এছাড়া এটি শরীরে সারাদিনের শক্তি জোগাতেও সাহায্য করে। কিসমিস ভেজানো পানি লিভার ও কিডনির জন্যও বেশ উপকারী।  এর জন্য দুই কাপ পরিমাণ পানিতে ১৫০ গ্রাম কিসমিস সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে কিসমিস ছেকে নিয়ে সেই পানি হালকা গরম করে খালি পেটে খেয়ে নিন। সপ্তাহে চারদিন এটা খেলে উপকার পাবেন। 

সূত্রঃ সমকাল

ঈদের মিষ্টিমুখ: সেমাইয়ের ভিন্নধর্মী রেসিপি শির খোরমা


সুস্বাদু শির খোরমা।সেমাই ছাড়া ঈদ ভাবাই যায় না। এই ঈদে সেমাইটা রান্না করুন একটু ভিন্নভাবে। মধ্যপ্রাচে এই রান্নাটি বেশ জনপ্রিয়। সেমাই, দুধ এবং বাদাম দিয়ে তৈরি করা হয় শির খোরমা। এবার ঈদে আপনিও রান্না করতে পারেন শির খোরমা। আসুন জেনে নেওয়া যাক শির খোরমার রেসিপিটি।

উপকরণ:

৫০০ মিলিলিটার বা ৩ কাপ দুধ

১ টেবিল চামচ ঘি

১ টেবিল চামচ চিনি

১/২ কাপ সেমাই

৭-৮টি কাজুবাদাম

৮-৯টি কাঠবাদাম

৮-৯টি পেস্তা বাদাম

৮-৯টি খেজুর (বীজ ছাড়া)

৪টি এলাচ

১ টেবিল চামচ কিশমিশ

১/২ থেকে ১ চা চামচ গোলাপ জল

প্রণালী:

১। প্রথমে সেমাই কিছুক্ষণ ভেজে নিন। বাদামী রং না হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। তেল অথবা ঘিয়ের মধ্যে ভাজতে পারেন অথবা শুধু তেল ঘি ছাড়াও ভেজে নিতে পারেন। 

২। একই পাত্রে ঘি, কাজুবাদাম কুচি, পেস্তা বাদাম কুচি, খেজুর কুচি, কিশমিশ, এলাচ দিয়ে ৩-৪ মিনিট ভাজুন। 

৩। অন্য একটি পাত্রে দুধ জ্বাল হতে দিন। অল্প আঁচে ৮-১০ মিনিট জ্বাল দিন। ঘন না হওয়া পর্যন্ত জ্বাল দিন।

৪। এরসাথে ভাজা সেমাই, দুধ এবং চিনি দিয়ে দিন। অল্প আঁচে ৮-১০ মিনিট রান্না করুন।

৫। দুধ ঘন হয়ে কমে এলে এতে ভাজা কাজু বাদাম, কিশমিশ, কাঠ বাদাম কুচি, খেজুর কুচি এবং এলাচ গুঁড়ো দিয়ে দিন।

৬। কিছুক্ষণ নাড়ুন। তারপর নামিয়ে ফেলুন।

৭। বাদাম কুচি, গোলাপের পাপড়ি দিয়ে পরিবেশন করুন শির খোরমা।


রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ২৪ জুন ২০১৭
প্রিয়.কম

Monday, June 4, 2018

ইফতারে বাদাম শরবত


ইফতারের টেবিলে স্বাস্থ্যসম্মত এক গ্লাস শরবত থাকা চাই। এই ক্ষেত্রে খেতে পারেন বাদামের শরবত। বড়দের পাশাপাশি ছোটদের জন্যও এই শরবতটি খুবই স্বাস্থ্যকর। চলুন দেখি কীভাবে বানাবেন বাদাম শরবত।

উপকরণ

(১) কাঠ বাদাম বা পেস্তাবাদাম বাটা -আধা কাপ

(২) তরল দুধ- দুই কাপ

(৩) চিনি- এক কাপের তিনভাগের দুইভাগ

(৪) জাফরান- এক চিমটি

(৫) পেস্তাবাদাম কুচি- এক টেবিল চামচ

যেভাবে তৈরি করবেন

চুলায় একটি প্যান বসিয়ে দুধ গরম করে নিন। এবার এতে জাফরান ও পেস্তাবাদাম কুচিসহ দুধ জ্বাল করতে থাকুন। মিশ্রণটিতে এবার বাদাম বাটা ও চিনি দিয়ে দিন। দুধে চার-পাঁচটা বলক এলে নামিয়ে নিন। শরবতটি ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে নিন। ঠান্ডা হলে বাদাম ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ২৪ মে ২০১৮

ইফতারে মালাই পাটিসাপটা


ইফতারিতে বিভিন্ন প্রকার ঝাল খাবারের পাশাপাশি একটু ভিন্নতা আনতে তৈরি করতে পারেন মালাই পাটিসাপটা। এটি তৈরি করা যেমন সহজ, তেমনি স্বাদেও অতুলনীয়। তাহলে জেনে নিন, কীভাবে তৈরি করবেন মালাই পাটিসাপটা।

ক্ষীরসা বানানোর উপকরণ

১. দুধ এক লিটার

২. খেজুরের গুড় বা চিনি স্বাদমতো

৩. সুজি দুই চামচ

৪. নারিকেল বাটা তিন/চার চা চামচ

পাটিসাপটার ক্ষীরসা তৈরির প্রস্তুত প্রণালি

প্রথমে একটি কড়াই বা প্যানে দুধ নিন এবং দুধ জ্বাল দিয়ে খুব অল্প করে নিন। দুধ অবশ্যই ঘন ঘন নাড়তে হবে, নয়তো নিচে লেগে যাবে। এরপর এর মধ্যে সুজি ও খেজুরের গুড় বা চিনি, বাটা নারিকেল একসঙ্গে দিয়ে নাড়তে থাকুন। এরপর সব উপকরণ দিয়ে অবিরত নাড়তে থাকুন। নয়তো নিচে লেগে যাবে। এরপর ক্ষীরসা অনেক ঘন হয়ে এলে নামিয়ে ফেলুন।

আটার গোলা বানানোর উপকরণ

১. চালের গুঁড়া পরিমাণমতো

২. খেজুরের গুড় বা চিনি দুই চা চামচ

৩. ময়দা এক/দুই কাপ

৪. লবণ সামান্য

৫. গরম পানি প্রয়োজনমতো

পাটিসাপটার আটার গোল তৈরির পদ্ধতি

প্রথমে একটি পাত্রে ওপরে উল্লিখিত সব উপকরণ গরম পানি দিয়ে খুব ভালোভাবে মেশান। খেয়াল রাখবেন, গোলা যেন খুব পাতলা বা ভারী না হয়। এরপর একটি ফ্রাইপ্যানে তেল গরম করে নিন। এরপর এর মধ্যে পরিমাণমতো মিশ্রণ দিন, এরপর রুটির আকৃতি গড়ে নিন। এরপর পাতলা রুটিতে তৈরি করে রাখা ক্ষীরসা দিন। একটি চামচের সাহায্যে পুরো রুটিতে ক্ষীরসা মিশিয়ে দিন এবং একই রকম সাইজে মোড়াতে থাকুন। মোড়ানো হয়ে গেলে নামিয়ে নিন।

মালাই বানানোর উপকরণ

১. দুধ তিন কাপ (ছয় কাপ দুধ জ্বাল দিয়ে তিন কাপ করে নিন)

২. চিনি এক/চার কাপ

৩. ফ্রেশ ক্রিম এক কাপ

মালাই তৈরির প্রস্তুত প্রণালি

প্রথমে চুলায় একটি হাঁড়িতে দুধ নিয়ে নিন। এরপর এর মধ্যে দিয়ে দিন চিনি এবং ফ্রেশ ক্রিম। এরপর উপকরণগুলো ঘন ঘন নেড়ে বলক তুলে নিন। এরপর চুলা থেকে নামিয়ে আগে থেকে তৈরি করে রাখা পাটিসাপটা পিঠার ওপর ঢেলে দিন। এরপর ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন মজাদার মালাই পাটিসাপটা।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ২১ মে ২০১৮

ইফতারে বেলের শরবত খাবেন যে কারণে


সারাদিন রোজা রেখে ইফতারের আয়োজনে শরবত ও ফলজাতীয় খাবার রাখার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ ভাজাপোড়া খাবার উপকারের থেকে অপকারই বেশি করে। তবে তাজা ফল ও ফলের শরবত বেশ উপকারী। ইফতারে ঠান্ডা একগ্লাস বেলের শরবত হলে নিমিষেই যেন প্রাণ জুড়িয়ে যায়। বেলের নানান গুণাগুণের জন্য আমরা বেল খেয়ে থাকি। কারণ বেলে আছে নানান ঔষুধী গুণাবলী যা, আমাদের দেহের অনেক উপকার করে থাকে। বেলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, এ, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও পটাসিয়াম।

বেল পেট ঠান্ডা রাখে। বেলের শরবত খেলে ক্লান্তিভাব দূর হয়। বেলের ভিটামিন ‘এ’ চোখের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর পুষ্টি জোগায়। ফলে চোখের বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

বেল পেটের নানা অসুখ সারাতে দারুণ কার্যকর। দীর্ঘমেয়াদী আমাশয়-ডায়রিয়া রোগে কাঁচা বেল নিয়মিত খেলে দ্রুত আরোগ্য লাভ করা সম্ভব। বেলের শাঁস পিচ্ছিল বলে এই ফল পাকস্থলীতে উপকারী পরিবেশ সৃষ্টি করে, খাবার সঠিকভাবে হজম করতে সাহায্য করে। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।

বেলে থাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার বা আঁশ, যা মুখের ব্রণ সারাতে সাহায্য করে। যাদের পাইলস আছে, তাদের জন্য নিয়মিত বেল খাওয়া উপকারী। এতে আছে ভিটামিন সি। ভিটামিন সি গ্রীষ্মকালীন বহু রোগবালাই দূরে রাখে।

নিয়মিত বেল খেলে কোলন ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা কমে। সর্দি হলে বেলপাতার রস এক চামচ খেলে সর্দি ও জ্বরভাব কেটে যায়। জন্ডিসের সময় পাকা বেল গোলমরিচের সঙ্গে শরবত করে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

সূত্রঃ জাগোনিউজ২৪.কম

Sunday, June 3, 2018

ইফতারে স্বাস্থ্যকর হালিম তৈরির রেসিপি


ইফতারে সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে হালিমের কদর রয়েছে বেশ। বিভিন্নরকম ডাল ও মাংস দিয়ে রান্না করা হয় বলে এটি আপনার প্রতিদিনের পুষ্টি চাহিদার অনেকটাই পূরণ করে। তবে বাইরের হালিম না খাওয়াই ভালো। কারণ তা স্বাস্থ্যসম্মত নাও হতে পারে। তাই ঘরেই তৈরি করুন সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর হালিম। রইলো রেসিপি-

উপকরণ : 
মাংস রান্নার জন্য যা লাগবে : মাংস ২ কেজি, পেঁয়াজ ৩০০ গ্রাম, আদা ২০ গ্রাম, রসুন ৩০ গ্রাম, ধনে গুঁড়া ২০ গ্রাম, হলুদ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, মরিচ গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, এলাচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, দারুচিনি গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, জিরা ভাজা গুঁড়া ২০ গ্রাম, তেল ১০০ গ্রাম।

ডাল রান্নার জন্য যা যা লাগবে: মসুরের ডাল ৫০ গ্রাম, মটর ডাল ৫০ গ্রাম, মুগ ডাল ৫০ গ্রাম, মাষকলাইয়ের ডাল ১০০ গ্রাম, চাল ৫০ গ্রাম, গম ৫০ গ্রাম, ধনে গুঁড়া ১ চা-চামচ, আদা বাটা ২ চা-চামচ, রসুন বাটা ২ চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, হলুদ আধা চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো।

প্রণালি: একটি পাত্রে তেল গরম করুন। গরম তেলে পেঁয়াজ ভাজুন যতক্ষণ পর্যন্ত না হালকা খয়েরি রঙ ধারণ করে। সব মসলা একে একে পাত্রে ঢালুন। মাংস ঢালুন এবং রান্না করুন। আরেকটি পাত্র চুলায় দিন এবং তাতে। ডাল, চাল এবং সব উপকরণ ঢেলে রান্না করুন। রান্না হয়ে এলে মাংসটি ডালের পাত্রে ঢেলে দিন।পেঁয়াজ ভাজা, কাঁচা আদা, সবুজ মরিচ, পুদিনা পাতা, ধনেপাতা কুচি, জিরার গুঁড়া ভাজা, লাল মরিচ ভাজা গুঁড়া ও লেবু দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ২২ মে ২০১৮
জাগোনিউজ২৪.কম

Saturday, June 2, 2018

মুরগির চায়নিজ সিজনিং


ইফতার হোক বা সেহরি। মুরগির নানা পদের রান্না যেন থাকেই টেবিলে। তবে মুরগির চায়নিজ সিজনিং হয়তো অনেকেই রান্না করেননি এখনো। বেশ সুস্বাদু এই চীনা খাবারটি। তাই পরিবারের সবার জন্য আজই তৈরি করতে পারেন এই রেসিপি। চলুন, রেসিপিটি দেখে নেওয়া যাক।

উপকরণ

হাড় ছাড়া মুরগির মাংস—৫০০ গ্রাম

পেঁয়াজ কুচি—এক কাপ

মাখন—তিন টেবিল চামচ

কাঁচামরিচ—তিনটি

রসুন কুচি—দুই টেবিল চামচ

ময়দা—চার টেবিল চামচ

ডিমের সাদা অংশ—দুটি

সয়াবিন তেল—আধা কাপ

সিজলিং ডিশ—একটি

টমেটো সস—দুই টেবিল চামচ

চিলি সস—তিন টেবিল চামচ

লবণ—পরিমাণমতো

রান্নার পদ্ধতি

প্রথমে মুরগির মাংস লম্বা করে কেটে নিন। এবার কাটা মাংসের সাথে ময়দা, ডিমের সাদা অংশ ও লবণ দিয়ে ভালোভাবে মেখে নিন। এবার একটি প্যানে তেল দিয়ে সব ভেজে নিন।

অন্য একটি প্যানে রসুন কুচি ভেজে নিয়ে তাতে ভাজা মাংস ও পেঁয়াজ কুচি দিয়ে দিন। কিছুক্ষণ পর কাঁচামরিচ, টমেটো সস, চিলি সস দিয়ে নেড়ে নিন। দুই-তিন মিনিট পর নামিয়ে ফেলুন।

সবশেষে সিজলিং ডিশ গ্যাসের চুলায় ৩০ মিনিট গরম করুন। এরপর ডিশ চুলা থেকে নামিয়ে বাটার ব্রাশ করে রান্না করা মাংসের মিশ্রণ ঢেলে দিন। এবার গরম গরম পরিবেশন করুন।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, মে ৩০, ২০১৮