Thursday, May 31, 2018

সেহরিতে রইল ৪ পদের মালাইকারি


সেহরির সময় সব সময় একটু সহজপাচ্য খাবার খাওয়ার কথা বলা হয়ে থাকে। তবে তার থেকেও যেটা জরুরি সেটা হচ্ছে কম মসলা বা একটু সাদা ধাঁচের খাবার খাওয়া ভালো এতে সারাদিন পানির তৃষ্ণা অনেক কম লাগে। আর সারাদিন রোজা রেখে অস্বস্থি বোধ হয় কম। তবে সেই ভোরে ঘুম থেকে উঠে একটু মজার খাবার না হলে চলে না। তাই মজা এবং স্বাস্থ্য দুইদিক হিসেব করলে যেকোনো মালাইকারি হতে পারে আদর্শ খাবার। তাই আজ আপনাদের জন্য থাকছে ৪ পদের মালাইকারি। 

মোগলাই চিকেন মালাইকারি

মোগলাই চিকেন মালাইকারি

উপকরণ:

মুরগীর- ১ টি,

আলু- ২ টি টুকরা করা,(ইচ্ছা)

পেঁয়াজ বাটা- ১/৪ কাপ,

কাঁচামরিচ- ৪ টি,

আদা বাটা- ১ টেবিল চামচ,

রসুন বাটা- ১ টেবিল চামচ,

জিরা বাটা- ১চা চামচ,

চিনি- ১ চা চামচ,

দারুচিনি- ২ টি,

এলাচ- ৪ টি,

তেজপাতা- ২ টি,

গরম মশলা- ১/২ চা চামচ,

টক দই বা দুধ- ১/২ কাপ,

কিসমিস- ৭/৮ টি,

লেবুর রস- ১ টেবিল চামচ,

তেল- ১ কাপ,

ঘি- ১ টেবিল চামচ,

লবণ- স্বাদ মতো।

মোগলাই ঘ্রাণ ও স্বাদের জন্য:

এলাচি ৩-৪টি

দারুচিনি ২ ইঞ্চি লম্বা ২টি

লবঙ্গ ৬টি

গোলমরিচ ১০-১৫টা

মেথি ১ চা চামচ

জায়ফল অর্ধেকটা

জয়ত্রী ১ চা চামচ

রাঁধুনি ১ চা চামচ

জৈন আধা চা চামচ

মৌরী ১ চা চামচ

(এই সব মশলাগুলো হালকা আঁচে মচমচা করে ভেজে নিন। তারপর গুঁড়া করে মুখ বন্ধ কৌটায় রেখে দিন।)

প্রণালি:

মুরগী ধুয়ে পানি ঝড়িয়ে নিন। এরপর দারুচিনি, এলাচ, তেজপাতা, কাঁচামরিচ, তেল, পানি, দই, কিসমিস, লেবুর রস, চিনি, কাঁচামরিচ ও ঘি বাদে বাকি সব উপকরণ দিয়ে মাংস ভালোভাবে মাখে রাখুন ১০-১৫ মিনিট। (যত বেশি সময় রাখতে পারবেন তত ভালো)

এবার কড়াইতে অল্প তেল দিয়ে আলু ভেঁজে উঠিয়ে রাখুন।

এখন বাকি তেল দিয়ে মেরিনেট করা মাংস দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়ুন। এবার দারুচিনি, এলাচ, তেজপাতা ও আলু দিয়ে মাংসটা ২৫-৩০ মিনিট কষিয়ে নিন।

মাংস কষানো হলে পরিমান মতো পানি দিয়ে দিন। ঝোল ফুটে উঠলে অল্প আঁচে ডেকে রান্না করুন। মাঝেমাঝে ঢাকনা খুলে হালকাভাবে নেড়ে দিন।

ঝোল ঘন হয়ে এলে দই বা দুধ দিয়ে ৫-১০ মিনিট রান্না করুণ (নামানোর আগে আগে দুধ দিলে রান্নার স্বাদ ও রঙ সুন্দর থাকে)।

রান্না প্রায় হয়ে গেলে মোগলাই ঘ্রাণ ও স্বাদের জন্য করে রাখা মশলার গুঁড়া থেকে পরিমাণ মতো ছিটিয়ে দিয়ে ঢেকে দিন। ২-৩ মিনিট রেখে দিন।

নামানোর কিছুক্ষন আগে কিসমিস, লেবুর রস, চিনি, কাঁচামরিচ ও ঘি দিয়ে ঢেকে দিন। মাংসে তেল উঠে এলে নামিয়ে নিন। নামানোর পর সার্ভিং ডিসে দেয়ার পর চাইলে পেস্তা, কিসমিস বা কাজু বাদাম ছিটিয়ে দিতে পারেন।

চিংড়ির মালাইকারি

চিংড়ির মালাইকারি

উপকরণ :        

গলদা চিংড়ি  ৫০০ গ্রাম

নারকেলের দুধ  এক কাপ ( নারকেল কোরা ১/২ কাপ মতো গরম জলে ডুবিয়ে দুধ বের করে নেবেন )

কাঁচা মরিচ ফালি করে কাটা ৪-৫টি

গরমমশলা  ৬-৭ টি (ছোট এলাচ, দারচিনি, লবঙ্গ থেঁতো করা)

কাজু বাদাম  ১/২কাপ (সামান্য গরম জলে ১৫ মিনিট ভিজিয়ে মসৃণ করে বাটা)

লবণ পরিমাণ মত

চিনি ১/২ চামচ (ইচ্ছা)

তেল ৩ টেবিল চামচ

ঘি ২ চা চামচ

ক্রিম ১/২ কাপ

পেঁয়াজ বাটা ২ টি বড়

আদা ও  রসুন  বাটা ১ চামচ

প্রণালি:

প্রথমে চিংড়ি মাছগুলোর খোসা ছাড়িয়ে ভালো করে ধুয়ে লবণ, হলুদ মাখিয়ে নিন। কড়াইতে সামান্য তেল দিয়ে গরম করে মাছগুলোকে ছেড়ে দিন। মাছগুলো সামান্য ভাজা হয়ে গেলে নামিয়ে নিন।

এবার কড়াইয়ের মধ্যে ওই তেলেই গরমমশলা ফোড়ন দিন। ঘ্রাণ বেড় হলে পেঁয়াজ বাটা দিয়ে ভাজতে থাকুন। লাল করে ভাজা হয়ে এলে আদা, রসুন বাটা দিয়ে কষিয়ে নিন। মশলা কষানো হয়ে এলে কাজুবাদাম বাটা দিয়ে সামান্য নাড়াচাড়া করুন। এবার নারকেলের দুধ কড়াইয়ের মধ্যে ঢেলে দিন।

ভাজা চিংড়ি মাছগুলিকে এর মধ্যে ঢেলে দিন। সামান্য চিনি এর মধ্যে যোগ করুন। কাঁচা মরিচ চেরাগুলিকে এর মধ্যে দিয়ে হাল্কা আঁচে ১০ মিনিট মত ভালো করে ফুটতে দিন। একটু ঘন হয়ে এলে ক্রিম দিয়ে নামিয়ে গরম গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন।

ডিমের মালাইকারি

ডিমের মালাইকারি

উপকরণ:

ডিম ৮ টি

পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ

পেঁয়াজ বাটা ১ টেঃ চামচ

রসুন বাটা ১ চা চামচ

আদা বাটা ১ টেঃ চামচ

কাঁচা মরিচ ৬ টি

ঘি ৩/৪ কাপ

ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ

চিনি ১ চা চামচ

লবণ পরিমাণমতো

লবঙ্গ ৬ টি

এলাচ ৪ টি

দারচিনি ৩ টুলরা

গোলমরিচ ৮/১০ টি

ঘন নারকেলের দুধ ২ কাপ

প্রণালি: ডিমগুলো সিদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে কাঁটা চামচ দিয়ে অল্প কেঁচে সামান্য লবণ এবং বাটা মশলা মাখাতে হবে।

কড়াইয়ে ঘি গরম করে মশলা মাখানো ডিমগুলো ভাজতে হবে। কড়াই থেকে ডিমগুলো উঠিয়ে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে বেরেস্তা করে এর ভেতর আদা, রসুন, ও পেঁয়াজ বাটা দিয়ে কষাতে হবে। মশলা তেলের উপরে উঠে আসলে ধনে গুঁড়া দিয়ে কষাতে হবে।

কষানো মশলায় গরম মশলা দিয়ে নেড়ে নারকেলের দুধ দিয়ে ফুটিয়ে ডিমগুলো, লবণ এবং চিনি দিয়ে কড়াই ঢেকে দিতে হবে। তরকারিটা ঘিয়ের উপরে উঠে আসলে অর্থাৎ তরকারি থেকে ঘি আলাদা হলে নামাতে হবে।

মুরগির মালাইকারি

মুরগির মালাইকারি

উপকরণ:

মুরগির মাংস ১ কেজি,

নারকেলের দুধ ২ কাপ,

মিষ্টি দই ২ টেবিল চামচ,

আদাবাটা ১ টেবিল চামচ,

রসুনবাটা ১ চা-চামচ,

কাঁচা মরিচবাটা ১ চা-চামচ,

পেঁয়াজবাটা ২ টেবিল চামচ,

কাজুবাদামবাটা ১ টেবিল চামচ,

দারুচিনি ২ টুকরা, এলাচি ৪টি,

সরসহ দুধ (তরল) আদা কাপ,

ফেটানো ডিম ১টি,

ময়দা ১ টেবিল চামচ,

লবণ স্বাদ মতো,

ঘি আধা কাপ।

তেল পরিমাণমতো।

বাদামকুচি ১ চা-চামচ।

প্রণালি: মুরগির মাংস পছন্দমতো টুকরা করে ধুয়ে নিন। মাংসের পানি ঝরিয়ে তাতে আদাবাটা, রসুনবাটা, কাঁচা মরিচবাটা, লবণ, ময়দায় মেখে ১০ মিনিট মেরিনেট করে রাখুন। ফ্রাইপ্যানে ঘি দিয়ে ফেটানো ডিমে ডুবিয়ে হালকা বাদামি করে ভেজে তুলুন মাংস। প্যানে তেল অথবা ঘি দিয়ে বাটা ও ফাটা মসলা দিয়ে কষিয়ে নিন। ভাজা মাংস সেদ্ধ হয়ে এলে সরসহ দুধ দিন। ঝোল ঘন হলে নামিয়ে পোলাওর সঙ্গে পরিবেশন করুন।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, মে ৩১, ২০১৮

ইফতারের মচমচে জিলাপি


সারাদিন রোজার পর ইফতারে মিষ্টি জাতীয় খাবার না থাকলে যেন ইফতার  জমে উঠে না। আর  মিষ্টি জাতীয় খাবারের মধ্যে গরম গরম জিলাপি কিন্তু মন্দ নয়। আর বাচ্চাদেরও বেশ পছন্দের। তাহলে দেরি কেন? বাসাতেই খুব সহজে তৈরি করে ফেলুন ইনস্ট্যান্ট জিলাপি। তাহলে চলুন রেসিপিটি একবার দেখে নেওয়া যাক। 

উপকরণ

ময়দা- এক কাপ

চিনি- এক কাপ

লেবুর রস- এক চা চামচ

ফুড কালার- সামান্য

লবণ- এক চিমটি

টক দই- তিন টেবিল চামচ

বেকিং পাউডার- হাফ চা চামচ

এলাচ- তিনটা 

প্রণালি

প্রথমে  একটি পাত্রে ময়দা,  পানি, দই, ফুড কালার এবং লবণ  দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে ফেলুন। এমন ভাবে মেশাতে হবে যেন মিশ্রণটি খুব পাতলা বা ঘন না হয়। এবার পাত্রের মুখ বন্ধ করে ২০ মিনিট রেখে দিন।

এরপর পরিষ্কার, নরম কাপড় কিংবা চিকন মুখের সসের বোতলের মধ্যে জিলাপির মিশ্রণটি নিন। ভাজার জন্য গরম তেলের মধ্যে ঘি দিয়ে মিশ্রণটি পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে দিয়ে দিন। জিলাপি হালকা বাদামি রঙের হয়ে এলে তুলে তেল ঝরিয়ে নিন। এবার শিরা তৈরির জন্য একটি পাত্রে পানি  এবং চিনি  দিয়ে ভালোভাবে ফুটিয়ে নিন। শিরা ঘন হয়ে এলে এলাচ গুঁড়া ও লেবুর রস দিয়ে নেড়ে নিন।  কিছুক্ষণ পর ভাঁজা জিলাপি শিরাতে চুবিয়ে দিন।  

খুব সহজেই হয়ে গেল মচমচে ইনস্ট্যান্ট জিলাপি। এবার শিরা থেকে তুলে গরম গরম পরিবেশন করুন।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ২১ মে ২০১৮

চোখ ভালো রাখবে যেসব খাবার

ডিম

চোখ দেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। চোখের আলো যদি কখনো নিভে যায় আপনার তবে পুরো জীবনটাই হয়ে যাবে অন্ধকার। তাই চোখের যত্ন নেয়া অতিবয় গুরুত্বপূর্ণ।

চোখের যত্ন নেওয়ার জন্য উপযুক্ত খাবার খেতে হবে সময় থাকতেই। পর্যাপ্ত পুষ্টির অভাবে চোখের ক্ষতি হয়ে গেলে তা কোনোভাবেই পূরণ করা সম্ভব নয়।তাই চোখ ভালো রাখতে পুষ্টিকর খাবার খান।

আসুন ছবিতে দেখে নেই যেসব খাবার খেলে ভালো থাকবে আপনার চোখ।

পালং শাক ও অন্যান্য সবুজ শাক

পালং শাক

ঘন সবুজ রঙের বিভিন্ন শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও পুষ্টি উপাদান। তবে সবচেয়ে ভালো হয় পালং শাক খেলে।

মাছ

মাছ
ইলিশ, রুই ইত্যাদি মাছ ফ্যাটি এসিডে পরিপূর্ণ, যা চোখের রেটিনার চারপাশে থাকা খুবই জরুরি।

কমলা ও লেবুজাতীয় ফল

কমলা ও লেবুজাতীয় ফল

ভিটামিন ‘সি’ পরিপূর্ণ কমলার রয়েছে বহু গুণ। গবেষণায় দেখা গেছে, ১০ বছর প্রতিদিন একটি করে কমলা খেলে অন্ধত্বের হার অন্যদের তুলনায় ৬৪ শতাংশ হ্রাস পায়।

গাজর

গাজর

গাজর চোখের জন্য অত্যন্ত উপকারী। প্রায় সব কমলা রঙের সবজি ও ফলে থাকে বিটাক্যারোটিন। এটি চোখের ভেতর দিয়ে আলোর প্রবাহকে শোষণ করে ও রাতে কম আলোয়ও দেখার শক্তি বাড়ায়।

ডিম

ডিম
ডিমকে সুপারফুড বলা হয়। চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে ডিমও বেশ কার্যকর। বিশেষ করে ডিমের কুসুমে আছে লিউটেইন ও জিংক, যা রেটিনায় কোনো ধরনের ক্ষয় প্রতিরোধে বেশ কার্যকর।

মাংস

মাংস

অদ্ভুত শোনালেও গরু বা এ ধরনের স্তন্যপায়ী প্রাণীর মাংসের জিংক দৃষ্টিশক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ! জিংক ভিটামিন ‘এ’ লিভার থেকে নিঃসৃত হতে সাহায্য করে। তা ছাড়া জিংকের অভাবে অন্ধত্বের আশঙ্কা বেড়ে যায়।

বাদাম

বাদাম

বিভিন্ন বাদামে রয়েছে ভিটামিন ‘ই’সহ নানা ধরনের ভিটামিন। এটি চোখের ক্রমাগত দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে যাওয়াকে রোধ করে।


সূত্র: যুগান্তর

ইফতারে মজাদার স্প্যানিশ পায়েল্লা


প্রতিদিন ইফতার নিয়ে হাজারো ঝামেলা। এটা, ওটা নানা রকম ভাজা পোড়ার আয়োজন। তবে দেখা যায় ঘুরে ফিরে সেই একই খাবার। তাই প্রতিদিন ভাঁজা পোড়া খাবার নিয়ে ঝামেলা না করে নিয়ে আসুন একটু ভিন্নতা। এতে বাসার ছোটরাও বেশ খুশি হবে। তাই তৈরি করতে পারেন সিফুড স্প্যানিশ পায়েল্লা। সুস্বাদু আর পুষ্টিকর এই খাবারটি আপনার ইফতারের টেবিল জমিয়ে ফেলতে পারে। তাহলে এক নজরে দেখে নিন কীভাবে তৈরি করবেন স্প্যানিশ পায়েল্লা।

যা যা লাগবে

খোসা ও মাথা ছাড়ানো মাঝারি আকারের চিংড়ি মাছ - আট থেকে  দশটি  

বড় আকারের সসেজ কুচি-  দুটি

হাড় ছাড়া মুরগির মাংস কুচি করে কাটা- এক কাপ  

লম্বা চিকন চাল সিদ্ধ করা- দুই কাপ

বড় আকারের পেঁয়াজ কুচি– একটি

রসুনবাটা- এক  চা চামচ 

সয়াবিন তেল-  আধা কাপ  

অলিভ অয়েল -  দুই টেবিল চামচ 

টমেটো কুচি- দুটি

সবুজ ক্যাপসিকাম (স্লাইস করা)– একটি

জাফরান গোলানো পানি- আধা কাপ

গোলমরিচের গুঁড়া-  আধা চা চামচ 

লবণ-  স্বাদমতো

যেভাবে তৈরি করবেন

প্রথমে চিংড়ি মাছগুলো খোসা ছাড়িয়ে লবণ ও  হলুদ দিয়ে কিছুক্ষণ মেখে রাখুন।  এবার একটি প্যানে বেশি আঁচে সয়াবিন তেল ও ওলিভ অয়েল গরম করে নিয়ে চিংড়ি মাছগুলো দিয়ে ভেজে নিন। ভাজা হয়ে গেলে সসেজ কুচি দিয়ে নেড়ে ভালো করে ভেজে নিন।   

এবার এতে হাড় ছাড়া মুরগির মাংস কুচি  দিয়ে ভেজে নিন।  ভাজা হয়ে গেলে এতে পেঁয়াজ কুচি দিন। এরপর এতে টমেটো কুচি দিন। টমেটো নরম হয়ে এলে ক্যাপসিকামের কুচি দিন। চাইলে হালকা করে সিদ্ধ করা মটরশুটি দিয়ে দিন। 

এগুলো ভাজা হয়ে এলে পানিতে গোলানো জাফরান, গোলমরিচের গুঁড়া,লবণ দিয়ে ভালো করে নেড়ে মিশিয়ে নিন। এরপর সিদ্ধ করা চালের ভাত দিয়ে খুব ভালো করে নেড়ে পুরোটা মিশিয়ে রান্না করুন। এরপর গরম গরম পরিবেশন করুণ এই সুস্বাদু সিফুড স্প্যানিশ পায়েল্লা।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ২৭ মে ২০১৮

সেহেরিতে রুই মাছের কোফতা কারি


সেহেরিতে মাছ বা মাংসের পদ থাকেই। কিন্তু সেই একই গতানুগতিক ধারার রান্না নিশ্চয়ই প্রতিদিন খেতে ভালো লাগে না। আর সেহেরিতে সবার খাওয়ার রুচি এমনিতেই কম থাকে। তাই খাবার এমনভাবে রান্না করতে হবে যেন তা খেতে একইসঙ্গে সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর হয়। তেমনই একটি রেসেপি রুই মাছের কোফতা কারি-

উপকরণ: রুই মাছ সেদ্ধ ১ কাপ, আলু সেদ্ধ ১টি, পেঁয়াজ বেরেস্তা হাফ কাপ, লবণ সিকি চা চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, কর্নফ্লাওয়ার ১ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ ২ চা চামচ, মরিচ গুড়া ১ চা চামচ, টমেটো সস ২ টেবিল চামচ, গরম মসলা গুড়া ১ চা চামচ, ধনে পাতা কুচি ১ টেবিল চামচ, তেল ভাজার জন্য।

প্রণালি: টমেটো সস, তেল, গরম মসলা গুড়া বাদে সব উপকরণ মেখে নিয়ে কোফতা বানিয়ে তেলে ভেজে নিতে হবে। এরপর সব কোফতাগুলো হয়ে গেলে। কড়াইয়ে তেল দিয়ে পেঁয়াজ বাটা ২ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, আদা বাটা হাফ চা চামচ দিয়ে মসলা কষিয়ে নিন। তারপর টমেটো সস দিয়ে নেড়ে পানি দিন। পানি ফুটে উঠলে কোফতাগুলো দিয়ে ঢেকে রান্না করুন। নামানোর আগে বেরেস্তা ধনে পাতা, কাচা মরিচ দিয়ে একটু ঢেকে রেখে গরম মসলা গুড়া দিয়ে নামাতে হবে।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ১৭ মে ২০১৮
জাগোনিউজ২৪.কম

Wednesday, May 30, 2018

ঘরেই তৈরি করে নিন হালিমের স্পেশাল মশলা


সারা বছর হালিম খাওয়া হোক না হোক, রমজান মাসে অনেকেই একবার হলেও ইফতারে হালিম খায়।হালিম পাওয়া যায় বিভিন্ন রেস্তোরাঁয়। অনেকে বাড়িতে হালিম তৈরির চেষ্টা করেন কিন্তু তার স্বাদটা ঠিক রেস্তোরাঁর হালিমের মতো হয় না। এর মূল কারণ হলো হালিমের মশলা। হালিমের মশলার খুব সহজ একটি রেসিপি দিয়েছেন রন্ধনশিল্পী ও ইউটিউবার সেলিনা রহমান।

বাড়িতে স্বাস্থ্যকর উপায়ে মজাদার হালিম তৈরি করতে চাইলে হালিমের পারফেক্ট মশলাটিও নিজেই তৈরি করে নিতে পারেন। তাহলে রোজার মাঝে তো বটেই, সারা বছরই হালিম তৈরি করে নিতে পারবেন ইচ্ছেমত।

উপকরণ

সাতটি শুকনো মরিচ
আধা চা চামচ গোলমরিচ
দেড় টেবিল চামচ আস্ত ধনিয়া
দেড় টেবিল চামচ আস্ত জিরা
দুই টেবিল চামচ পাঁচফোড়ন
ছয়টি লবঙ্গ
দেড় টেবিল চামচ রাঁধুনি

প্রণালি

হালিমের মশলা তৈরির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি হলো মশলাগুলোকে আলাদাভাবে ভেজে বা টেলে নেওয়া। চুলায় একটি তাওয়া বা প্যান গরম করে এতে প্রথম শুকনো মরিচ টেলে নিন। শুকনো মরিচ হালকা পোড়া পোড়া হয়ে এলে নামিয়ে নিন। এরপর একটি একটি করে বাকি মশলাগুলোকেও টেলে নিন। সাবধানে থাকুন যেন পুড়ে না যায়। একসাথে সবগুলো মশলা তাওয়ায় দেবেন না। একটি মশলা টেলে নিয়ে আরেকটি তাওয়ায় দিন। এভাবে সবগুলো মশলা টেলে নিয়ে একসাথে ব্লেন্ড করে নিন। এই মশলাটি এয়ারটাইট কৌটায় রেখে দিন। পারফেক্ট স্বাদের হালিম তৈরি করতে এই মশলার তুলনা নেই।

দেখে নিতে পারেন রেসিপির ভিডিওটি-



রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ৩০ মে ২০১৮
প্রিয়.কম

ইফতারে পুষ্টি ও স্বস্তি ফ্রুট কাস্টার্ড


সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে সব সময় পুষ্টিকর খাবারের কথা বলা হয়ে থাকে। তার জন্য হয়তো আপনাকে আলাদা আলাদাভাবে অনেক কিছুই আয়োজন করে নিতে হয়। তার চেয়ে সহজ সমাধান হচ্ছে, ইফতারে এক বাটিতেই আপনি পেতে পারে পুষ্টি, স্বস্তি- দুটোই।

এমন খাবার পেতে পারেন শুধু এক বাটি ফ্রুট কাস্টার্ড থেকেই। আর রোজায় আমাদের সবার বাড়িতেই কিছু না কিছু ফ্রুট থাকেই। তাই ইফতারে ফ্রুট কাস্টার্ড বানানোটাও অনেক সহজ। তাহলে আসুন আজ আমরা জেনে নেই ফ্রুট কাস্টার্ড বানানোর রেসিপি।

উপকরণ:

দুধ এক লিটার,

ডিমের কুসুম দুইটা,

কাস্টার্ড পাউডার তিন টেবিল চামচ,

চিনি ১/২ কাপ বা স্বাদ মতো,

কিসমিস দুই টেবিল চামচ,

কাঠ বাদাম দুই টেবিল চামচ, ফল (কলা, আম, আপেল, আঙুর, লাল বা সবুজ চেরি ফল, ডালিম/আনার, স্ট্রবেরি) কিউব করে কাটা প্রায় ২ কাপ (পানি জাতীয় ফল না দিলেই ভালো)।

প্রণালী:

প্রথমে ডিমের কুসুম দুইটা একটি বাটিতে নিয়ে ভালো করে ফেটে নিন। এখন কাস্টার্ড পাউডার দিয়ে ভালো করে মিশান এবং নরম মিশ্রণ তৈরি করুন।

একটি পাত্রে দুধ নিয়ে অল্প আঁচে জ্বাল দিন। দুধ একটু ঘন হয়ে এলে চিনি দিয়ে নাড়তে থাকুন। ডিম এবং কাস্টার্ডের মিশ্রণটি দুধের সাথে ঢেলে দিন এবং নাড়তে থাকুন, অল্প আঁচে রান্না করুন।

মনে রাখবেন মিশ্রণটি একদম অল্প আচে রান্না করতে হবে এবং বিরতিহীনভাবে নাড়তে হবে। তা না হলে কাস্টার্ড জমে যাবে। কাস্টার্ড হালকা ফুটে উঠলে নামিয়ে ফেলুন। এরপর ঠাণ্ডা হলে ফ্রিজে রাখুন। খবার সময় আপনার পছন্দ মতো ফল দিন এবং পরিবেশন করুন।

টিপস:

যদি চান আপনি ডিম ছাড়াও এই কাস্টার্ড বানাতে পারেন। সেক্ষেত্রে একটি বাটিতে কাস্টার্ড পাউডার ৩ টেবিল চামচ ঠাণ্ডা দুধ দিয়ে গুলিয়ে নিন।

উপরের সব ফল দিতে হবে এমন কোনো নিয়ম নেই। যেকোনো একটি অথবা দুটি ফল দিয়েও কাস্টার্ড বানাতে পারবেন।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয়, ২৯ মে ২০১৮